রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মানবতাবিরোধী অপরাধে ৩ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেরপুরের নকলার আকরামসহ ৩ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।

কারাগারে থাকা তিন আসামি হলেন- আমিনুজ্জামান ফারুক, মোখলেসুর রহমান ও এ কে এম আকরাম হোসেন। আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের চারটি অভিযোগের ওপর শুনানি হয়। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে ১৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

এর আগে ২৪ জানুয়ারি উভয়পক্ষের শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রেখেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। পরে গতকাল রায়ের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন আদালত।

নকলার চার রাজাকারের বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তদন্ত করে ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই প্রতিবেদন দাখিল করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। একই বছরের ৩১ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ দাখিল করা হয়।

২০১৮ সালের ৩০ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চারজনের মধ্যে বিচার চলাকালে মারা যায় আসামি এমদাদুল হক খাজা।

 

মানবতাবিরোধী অপরাধে ৩ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

প্রকাশের সময় : ১২:০৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেরপুরের নকলার আকরামসহ ৩ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।

কারাগারে থাকা তিন আসামি হলেন- আমিনুজ্জামান ফারুক, মোখলেসুর রহমান ও এ কে এম আকরাম হোসেন। আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের চারটি অভিযোগের ওপর শুনানি হয়। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে ১৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

এর আগে ২৪ জানুয়ারি উভয়পক্ষের শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রেখেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। পরে গতকাল রায়ের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন আদালত।

নকলার চার রাজাকারের বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তদন্ত করে ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই প্রতিবেদন দাখিল করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। একই বছরের ৩১ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ দাখিল করা হয়।

২০১৮ সালের ৩০ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চারজনের মধ্যে বিচার চলাকালে মারা যায় আসামি এমদাদুল হক খাজা।