বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বালিয়াকান্দিতে মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ 

রক্ত প্লাবনের ইতিহাস দিয়ে গড়া বাঙালির আত্মপরিচয়। সেই আত্মত্যাগের দিন একুশে ফেব্রুয়ারি; মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

এই দিবসটি উপলক্ষে

রাজবাড়ী বালিয়াকান্দিতে উপজেলা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। বুধবার ২১শের প্রথম প্রহরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মো হাসিবুল হাসান, কৃষি কর্মকর্তা মো রফিকুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ ওসি মো আলমগীর হোসেন।পরে বিভিন্ন দপ্তর ও উপজেলা আ.লীগ সহযোগী সংগঠনের পক্ষথেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃত এবং ২০১০ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ‘এখন’ থেকে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবস হিসাবে পালিত হবে’ প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

বালিয়াকান্দিতে মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ 

প্রকাশের সময় : ০৬:২২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রক্ত প্লাবনের ইতিহাস দিয়ে গড়া বাঙালির আত্মপরিচয়। সেই আত্মত্যাগের দিন একুশে ফেব্রুয়ারি; মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

এই দিবসটি উপলক্ষে

রাজবাড়ী বালিয়াকান্দিতে উপজেলা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। বুধবার ২১শের প্রথম প্রহরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মো হাসিবুল হাসান, কৃষি কর্মকর্তা মো রফিকুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ ওসি মো আলমগীর হোসেন।পরে বিভিন্ন দপ্তর ও উপজেলা আ.লীগ সহযোগী সংগঠনের পক্ষথেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃত এবং ২০১০ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ‘এখন’ থেকে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবস হিসাবে পালিত হবে’ প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।