বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শহীদ মিনার থেকে ফুল নেয়ার ভিডিও করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা

রাজবাড়ীতে শহীদ মিনার থেকে ফুলের ডালা সরানোর ভিডিও করায় দেশ রুপান্তরের রাজবাড়ী প্রতিনিধির আব্দুল হালিম শেখ(৩০) এর ওপর হামলা করেছে স্থানীয় কয়েকজন যুবক।বুধবার(২১ ফেব্রুয়ারি)দুপুর পৌনে ১২ টার দিকে রাজবাড়ীর শহীদ খুশি রেলওয়ে ময়দানে এ ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আবদুল হালিম বাবু রাজবাড়ী পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের চর-লক্ষ্মীপুর গ্রামের জালাল শেখের ছেলে। সে দৈনিক দেশ রুপান্তর ও ডেইলি বাংলাদেশ পত্রিকার রাজবাড়ী প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

সদর থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,দুপুর ১২ টার কিছু সময় আগে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য রাজবাড়ী শহরের শহীদ খুশি রেলওয়ে মাঠের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যান দেশ রুপান্তরের সাংবাদিক আবদুল হালিম বাবু।এসময় শহীদ মিনারের বেদী/পাদদেশ থেকে ফুলের ডালা নিয়ে যাচ্ছিলো ফুলের দোকানী ও তাদের লোকজন। বিষয়টি ফোনে ভিডিও ধারণ করে সাংবাদিক হালিম বাবু।ভিডিও করা দেখে কয়েকজন এগিয়ে আসেন। তারা ভিডিও করার কারণ জানতে চান।সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর ভিডিও মুছে ফেলতে বলেন। হালিম বাবু ভিডিওটি মুছতে অস্বীকৃতি জানালে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জন তাকে টেনে হিঁচড়ে শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশে ঝোড়ের ভিতর নিয়ে গিয়ে তার ওপর অতর্কিত ভাবে হামলা চালায়।এ সময় তার চোখের কোণাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম হয়।একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা সেখানে আসলে হামলাকারীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

পরে হালিম বাবুর সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী আব্দুল হালিম শেখ বলেন, আমি পেশাগত দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্য শহীদ মিনারের ছবি নিচ্ছিলাম।তখন স্থানীয় কয়েকজন যুবক ফুলের ডালা নিয়ে যাচ্ছিল।আমি তখন বিষয়টি ভিডিও করলে তারা আমাকে বাঁধা দেই। এক পর্যায়ে তারা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও টেনেহিঁচড়ে শহীদ মিনারের পাশে ঝোড়ের ভিতর নিয়ে গিয়ে গাছের ডাল দিয়ে বেধড়ক পিটাই।এক পর্যায়ে পুলিশ ও আনসার সদস্য এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়।

রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) মোঃ ইফতেখারুজ্জামান বলেন,পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকের ওপর যে ঘটনা ঘটেছে সেটা কোন ভাবেই কাম্য না।আমরা এই ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ হাতে পেয়েছি।কয়েকজনকে আমরা ইতিমধ্যে শনাক্ত করেছি।এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা যা রয়েছে আমরা গ্রহণ করবো।

শহীদ মিনার থেকে ফুল নেয়ার ভিডিও করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা

প্রকাশের সময় : ০৬:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাজবাড়ীতে শহীদ মিনার থেকে ফুলের ডালা সরানোর ভিডিও করায় দেশ রুপান্তরের রাজবাড়ী প্রতিনিধির আব্দুল হালিম শেখ(৩০) এর ওপর হামলা করেছে স্থানীয় কয়েকজন যুবক।বুধবার(২১ ফেব্রুয়ারি)দুপুর পৌনে ১২ টার দিকে রাজবাড়ীর শহীদ খুশি রেলওয়ে ময়দানে এ ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আবদুল হালিম বাবু রাজবাড়ী পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের চর-লক্ষ্মীপুর গ্রামের জালাল শেখের ছেলে। সে দৈনিক দেশ রুপান্তর ও ডেইলি বাংলাদেশ পত্রিকার রাজবাড়ী প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

সদর থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,দুপুর ১২ টার কিছু সময় আগে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য রাজবাড়ী শহরের শহীদ খুশি রেলওয়ে মাঠের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যান দেশ রুপান্তরের সাংবাদিক আবদুল হালিম বাবু।এসময় শহীদ মিনারের বেদী/পাদদেশ থেকে ফুলের ডালা নিয়ে যাচ্ছিলো ফুলের দোকানী ও তাদের লোকজন। বিষয়টি ফোনে ভিডিও ধারণ করে সাংবাদিক হালিম বাবু।ভিডিও করা দেখে কয়েকজন এগিয়ে আসেন। তারা ভিডিও করার কারণ জানতে চান।সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর ভিডিও মুছে ফেলতে বলেন। হালিম বাবু ভিডিওটি মুছতে অস্বীকৃতি জানালে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জন তাকে টেনে হিঁচড়ে শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশে ঝোড়ের ভিতর নিয়ে গিয়ে তার ওপর অতর্কিত ভাবে হামলা চালায়।এ সময় তার চোখের কোণাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম হয়।একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা সেখানে আসলে হামলাকারীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

পরে হালিম বাবুর সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী আব্দুল হালিম শেখ বলেন, আমি পেশাগত দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্য শহীদ মিনারের ছবি নিচ্ছিলাম।তখন স্থানীয় কয়েকজন যুবক ফুলের ডালা নিয়ে যাচ্ছিল।আমি তখন বিষয়টি ভিডিও করলে তারা আমাকে বাঁধা দেই। এক পর্যায়ে তারা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও টেনেহিঁচড়ে শহীদ মিনারের পাশে ঝোড়ের ভিতর নিয়ে গিয়ে গাছের ডাল দিয়ে বেধড়ক পিটাই।এক পর্যায়ে পুলিশ ও আনসার সদস্য এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়।

রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) মোঃ ইফতেখারুজ্জামান বলেন,পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকের ওপর যে ঘটনা ঘটেছে সেটা কোন ভাবেই কাম্য না।আমরা এই ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ হাতে পেয়েছি।কয়েকজনকে আমরা ইতিমধ্যে শনাক্ত করেছি।এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা যা রয়েছে আমরা গ্রহণ করবো।