বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলায় কুবিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

নানা বিশৃঙ্খলা এবং হট্টগোল পূর্ণ পরিবেশে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) পালিত হয়েছে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দিবসের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসটির পালন শুরু হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম. আবদুল মঈনের নেতৃত্বে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বুকে কালো ব্যাজ ধারণ করে র‌্যালি শুরু হয়। র‌্যালিটি বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। রাত ১২ টা ০১ মিনিটে শহীদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এসময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান, বিভিন্ন অনুষদের ডিনসহ শাখা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ শহীদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তবে নিয়মভঙ্গ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, বিভাগ এবং সংগঠনগুলোর পুষ্পস্তবক অর্পণের আগেই বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের ফুল দিতে আসাকে কেন্দ্র করে শহীদ মিনারে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতি এতে প্রতিবাদ জানায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপাচার্যের সামনে শিক্ষকদের মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।
এর আগে রাত সাড়ে ১১টায় কর্মকর্তা ও সাবেক শিক্ষার্থী কর্তৃক শিক্ষক হেনস্তার বিচারের দাবিতে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মৌন মানববন্ধন করেন করে শিক্ষক সমিতি। এসময় উপাচার্যকে ‘সন্ত্রাসী’   উল্লেখ্য করে আলাদাভাবে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাড়াও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদ, শাখা ছাত্রলীগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সংগঠনগুলো শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শাখা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলায় কুবিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

প্রকাশের সময় : ০৮:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
নানা বিশৃঙ্খলা এবং হট্টগোল পূর্ণ পরিবেশে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) পালিত হয়েছে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দিবসের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসটির পালন শুরু হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম. আবদুল মঈনের নেতৃত্বে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বুকে কালো ব্যাজ ধারণ করে র‌্যালি শুরু হয়। র‌্যালিটি বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। রাত ১২ টা ০১ মিনিটে শহীদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এসময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান, বিভিন্ন অনুষদের ডিনসহ শাখা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ শহীদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তবে নিয়মভঙ্গ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, বিভাগ এবং সংগঠনগুলোর পুষ্পস্তবক অর্পণের আগেই বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের ফুল দিতে আসাকে কেন্দ্র করে শহীদ মিনারে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতি এতে প্রতিবাদ জানায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপাচার্যের সামনে শিক্ষকদের মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।
এর আগে রাত সাড়ে ১১টায় কর্মকর্তা ও সাবেক শিক্ষার্থী কর্তৃক শিক্ষক হেনস্তার বিচারের দাবিতে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মৌন মানববন্ধন করেন করে শিক্ষক সমিতি। এসময় উপাচার্যকে ‘সন্ত্রাসী’   উল্লেখ্য করে আলাদাভাবে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাড়াও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদ, শাখা ছাত্রলীগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সংগঠনগুলো শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শাখা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।