বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসী আদালতের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ

শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা জজশীপ ও  জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসী আদালতের প্রীতি ক্রীকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার শহরের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে এ ব্যতিক্রমধর্মী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
ঠাকুরগাঁও জজশীপ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসী আদালতের যৌথ আয়োজনে প্রীতি ক্রীকেট ম্যাচের শুরুতেই বক্তব্য দেন ঠাকুরগাঁও বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিত্যানন্দ সরকার, জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) গাজী দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ। প্রীতি ম্যাচে জেলা জজশীপ টিম বিজয়ী হয়। বিজয়ী টিমকে ট্রফি তুলে দেন বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিত্যানন্দ সরকার ও তার মমতাময়ী মা ল²ী রানী সরকার। বিচার বিভাগের ব্যতিক্রমী এ ম্যাচটি উপভোগ করে কয়েকশ মানুষজন ও উভয় টিমের খেলোয়াড়, বিজ্ঞ বিচারক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ। ধারা বর্ণনা করেন স্বনামধন্য ধারাভাষ্যকার সুজন খান।
জেলা জজশীপ টিমে খেলোয়ার হিসেবে অংশগ্রহন করেন এবং অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) গাজী দেলোয়ার হোসেন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসী টিমে খেলোয়াড় হিসেবে অংশগ্রহন করেন এবং অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিত্যানন্দ সরকার।
এছাড়াও খেলোয়াড় হিসেবে অংশগ্রহন করেন ঠাকুরগাঁও বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস. রমেশ কুমার ডাগা, বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: মাহাবুবুর রহমান, বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: আলাউদ্দীন, বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: আরিফুর রহমান, বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রহিমা খাতুন, বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব কুমার রায়সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। অন্যদিকে জজশীপ টিমে অন্যান্যের মধ্যে খেলেন বিজ্ঞ যুগ্ম ও জেলা জজ (২য় আদালত) মো: শহিদুল ইসলাম, বিজ্ঞ সহকারী জজ পরিমল চন্দ্র রায়, বিজ্ঞ সহকারী জজ মো: ফয়সাল আহামেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।
১৬ ওভারের খেলার শুরুতেই টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জজশীপ টিম। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে ১৬ ওভার খেলে ৯ ওইকেটে মোট ৭৮ রান সংগ্রহ করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসী টিম। ৭৯ রানের টার্গেটের জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ১২ ওভার খেলেই একটি মাত্র ইউকেটের বিনিময়ে ৭৯ রান করে জয়লাভ করে জজশীপ টিম। পরে জজশীপ টিমের খেলোয়াড়বৃন্দ আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে।
খেলায় জজশীপ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারকগণ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে ক্রীকেট খেলছেন। বিষয়টি দেখে অনেকেই সেখানে দাড়িয়ে খেলা উপভোগ করেন। ক্রীকেট ও ঠাকুরগাঁও আদালত সংশ্লিষ্ট ইতিহাসে বিরল এ ঘটনার সাক্ষী হয় তারা। ক্রীড়া জগতে এ ম্যাচটি অনবদ্য ইতিহাসের এক সাক্ষী হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন দর্শকেরা।
ঠাকুরগাঁও জেলা জজশীপ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসীর বিজ্ঞ বিচারকগণ যখন ক্রিকেটার। শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ। জেলা জজশীপ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসীতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে বিজ্ঞ বিচারকগণ ক্রিকেট ব্যাট হাতে মাঠে খেললেন। সত্যিই চমৎকার দৃশ্য। ক্রীড়া জগতে এ ম্যাচটি অনবদ্য ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকবে বলে ধারণা ঠাকুরগাঁওবাসীর।

ঠাকুরগাঁওয়ে জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসী আদালতের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা জজশীপ ও  জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসী আদালতের প্রীতি ক্রীকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার শহরের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে এ ব্যতিক্রমধর্মী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
ঠাকুরগাঁও জজশীপ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসী আদালতের যৌথ আয়োজনে প্রীতি ক্রীকেট ম্যাচের শুরুতেই বক্তব্য দেন ঠাকুরগাঁও বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিত্যানন্দ সরকার, জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) গাজী দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ। প্রীতি ম্যাচে জেলা জজশীপ টিম বিজয়ী হয়। বিজয়ী টিমকে ট্রফি তুলে দেন বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিত্যানন্দ সরকার ও তার মমতাময়ী মা ল²ী রানী সরকার। বিচার বিভাগের ব্যতিক্রমী এ ম্যাচটি উপভোগ করে কয়েকশ মানুষজন ও উভয় টিমের খেলোয়াড়, বিজ্ঞ বিচারক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ। ধারা বর্ণনা করেন স্বনামধন্য ধারাভাষ্যকার সুজন খান।
জেলা জজশীপ টিমে খেলোয়ার হিসেবে অংশগ্রহন করেন এবং অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) গাজী দেলোয়ার হোসেন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসী টিমে খেলোয়াড় হিসেবে অংশগ্রহন করেন এবং অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিত্যানন্দ সরকার।
এছাড়াও খেলোয়াড় হিসেবে অংশগ্রহন করেন ঠাকুরগাঁও বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস. রমেশ কুমার ডাগা, বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: মাহাবুবুর রহমান, বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: আলাউদ্দীন, বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: আরিফুর রহমান, বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রহিমা খাতুন, বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব কুমার রায়সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। অন্যদিকে জজশীপ টিমে অন্যান্যের মধ্যে খেলেন বিজ্ঞ যুগ্ম ও জেলা জজ (২য় আদালত) মো: শহিদুল ইসলাম, বিজ্ঞ সহকারী জজ পরিমল চন্দ্র রায়, বিজ্ঞ সহকারী জজ মো: ফয়সাল আহামেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।
১৬ ওভারের খেলার শুরুতেই টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জজশীপ টিম। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে ১৬ ওভার খেলে ৯ ওইকেটে মোট ৭৮ রান সংগ্রহ করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসী টিম। ৭৯ রানের টার্গেটের জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ১২ ওভার খেলেই একটি মাত্র ইউকেটের বিনিময়ে ৭৯ রান করে জয়লাভ করে জজশীপ টিম। পরে জজশীপ টিমের খেলোয়াড়বৃন্দ আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে।
খেলায় জজশীপ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারকগণ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে ক্রীকেট খেলছেন। বিষয়টি দেখে অনেকেই সেখানে দাড়িয়ে খেলা উপভোগ করেন। ক্রীকেট ও ঠাকুরগাঁও আদালত সংশ্লিষ্ট ইতিহাসে বিরল এ ঘটনার সাক্ষী হয় তারা। ক্রীড়া জগতে এ ম্যাচটি অনবদ্য ইতিহাসের এক সাক্ষী হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন দর্শকেরা।
ঠাকুরগাঁও জেলা জজশীপ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসীর বিজ্ঞ বিচারকগণ যখন ক্রিকেটার। শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ। জেলা জজশীপ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসীতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে বিজ্ঞ বিচারকগণ ক্রিকেট ব্যাট হাতে মাঠে খেললেন। সত্যিই চমৎকার দৃশ্য। ক্রীড়া জগতে এ ম্যাচটি অনবদ্য ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকবে বলে ধারণা ঠাকুরগাঁওবাসীর।