বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরে বজ্রপাতে প্রকৌশলীর মর্মান্তিক মৃত্যু 

কৃষি জমিতে সরিষা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে মোঃ হাবিব (৩২) নামের একজন প্রকৌশলীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।
হাবিব সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার চর কাদাই গ্রামের মোঃ লিয়াকত বেপারীর একমাত্র ছেলে। তার সাড়ে ৩ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে এবং তার স্ত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২২শে ফেব্রুয়ারি’) সকাল সাড়ে ৯টায় প্রকৌশলী হাবিব সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা নিজস্ব জমিতে সরিষা তুলতে যায়। এসময় বৃষ্টি শুরু হলে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা জমি সংলগ্ন সেচ ঘরে আশ্রয় নেয়। প্রকৌশলী হাবিব পিছিয়ে পড়ে, বৃষ্টির সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে হাবিব মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
পরে স্বজনেরা তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ আশরাফুল আলম পরীক্ষা শেষে প্রকৌশলী  হাবিবকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাবিবের পিতা লিয়াকত ব্যাপারী বলেন, সকালে আকাশে মেঘ দেখে কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে আমরা ক্ষেতে কেটে রাখা সরিষা তুলতে যাই এসময় হাবিব আমাদের সাথে ছিল। বৃষ্টি শুরু হলে আমরা দৌড়ে শ্যালো ঘরে ঢুকে পরি। এসময় হাবিবুরের শ্যালো ঘরে ঢুকতে দেরি দেখে তার মা বাইরে উঁকি দিয়ে দেখে হাবিব অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
পরে তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। বজ্রপাতে প্রকৌশলী হাবিবের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’

সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরে বজ্রপাতে প্রকৌশলীর মর্মান্তিক মৃত্যু 

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
কৃষি জমিতে সরিষা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে মোঃ হাবিব (৩২) নামের একজন প্রকৌশলীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।
হাবিব সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার চর কাদাই গ্রামের মোঃ লিয়াকত বেপারীর একমাত্র ছেলে। তার সাড়ে ৩ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে এবং তার স্ত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২২শে ফেব্রুয়ারি’) সকাল সাড়ে ৯টায় প্রকৌশলী হাবিব সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা নিজস্ব জমিতে সরিষা তুলতে যায়। এসময় বৃষ্টি শুরু হলে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা জমি সংলগ্ন সেচ ঘরে আশ্রয় নেয়। প্রকৌশলী হাবিব পিছিয়ে পড়ে, বৃষ্টির সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে হাবিব মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
পরে স্বজনেরা তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ আশরাফুল আলম পরীক্ষা শেষে প্রকৌশলী  হাবিবকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাবিবের পিতা লিয়াকত ব্যাপারী বলেন, সকালে আকাশে মেঘ দেখে কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে আমরা ক্ষেতে কেটে রাখা সরিষা তুলতে যাই এসময় হাবিব আমাদের সাথে ছিল। বৃষ্টি শুরু হলে আমরা দৌড়ে শ্যালো ঘরে ঢুকে পরি। এসময় হাবিবুরের শ্যালো ঘরে ঢুকতে দেরি দেখে তার মা বাইরে উঁকি দিয়ে দেখে হাবিব অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
পরে তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। বজ্রপাতে প্রকৌশলী হাবিবের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’