বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়ায় সড়কে প্রাণ গেল রাউজান প্রবাসীর!

মালয়েশিয়ায় লড়ির (ট্রাকের) ধাক্কায় রাউজানের এক প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত ওই রেমিটেন্স যোদ্ধার নাম মোহাম্মদ আজিজুর রহমান (৫৪)। তিনি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তরসর্তা এলাকার গফুর মোহাম্মদ তালুকদার বাড়ীর বাসিন্ধা।
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় এ দূর্ঘটনার খবর পায় পরিবার। নিহত আজিজুর রহমান ৩ সন্তানের জনক। দু-সন্তান সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত।
জানাগেছে, সকালে নাস্তা করার জন্য রেস্টুরেন্টে হেঁটে যাওয়ার পথে লড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলে প্রান হারাণ আজিজুর রহমান। বর্তমানে মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে তার মরদেহ রয়েছে বলে জানাগেছে।
এদিকে তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবারে চলছে শোকের মাতম। ঘরে বৃদ্ধ মা ও স্ত্রীর আহাজারীতে কান্নার রোল পড়ছে। আমিরাতে থাকা দুই সন্তানও ভেঙ্গে পড়েছেন বাবার মৃত্যুর খবরে।
মৃত্যুকালে মা, স্ত্রী ও ৩ পুত্র সন্তানসহ আত্নীয় স্বজন রেখে যান তিনি। তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
পরিবারের সাথে কথা বলে জানাগেছে, নিহত আজিজুর রহমানের লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে স্বজনরা। তবে  লাশ দেশে আসতে কিছুটা দেড়ি হতে পারে বলে মনে করছে তারা।
উল্লেখ্য, আগামী ৩ মার্চ মাতৃভুমির টানে দেশে আসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন ছিল আজিজুর রহমানের। তবে- নিয়তির নির্মমতায়
তিনি ৯ দিন আগেই পৃথীবীর মায়া ছেলে পাড়ি দিলেন না ফেরার দেশে। হয়তো আসা হবে নিজ ভুমিতে তবে জীবিত নয় কপিনে নিথর দেহ নিয়ে।

মালয়েশিয়ায় সড়কে প্রাণ গেল রাউজান প্রবাসীর!

প্রকাশের সময় : ০৯:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
মালয়েশিয়ায় লড়ির (ট্রাকের) ধাক্কায় রাউজানের এক প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত ওই রেমিটেন্স যোদ্ধার নাম মোহাম্মদ আজিজুর রহমান (৫৪)। তিনি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তরসর্তা এলাকার গফুর মোহাম্মদ তালুকদার বাড়ীর বাসিন্ধা।
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় এ দূর্ঘটনার খবর পায় পরিবার। নিহত আজিজুর রহমান ৩ সন্তানের জনক। দু-সন্তান সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত।
জানাগেছে, সকালে নাস্তা করার জন্য রেস্টুরেন্টে হেঁটে যাওয়ার পথে লড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলে প্রান হারাণ আজিজুর রহমান। বর্তমানে মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে তার মরদেহ রয়েছে বলে জানাগেছে।
এদিকে তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবারে চলছে শোকের মাতম। ঘরে বৃদ্ধ মা ও স্ত্রীর আহাজারীতে কান্নার রোল পড়ছে। আমিরাতে থাকা দুই সন্তানও ভেঙ্গে পড়েছেন বাবার মৃত্যুর খবরে।
মৃত্যুকালে মা, স্ত্রী ও ৩ পুত্র সন্তানসহ আত্নীয় স্বজন রেখে যান তিনি। তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
পরিবারের সাথে কথা বলে জানাগেছে, নিহত আজিজুর রহমানের লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে স্বজনরা। তবে  লাশ দেশে আসতে কিছুটা দেড়ি হতে পারে বলে মনে করছে তারা।
উল্লেখ্য, আগামী ৩ মার্চ মাতৃভুমির টানে দেশে আসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন ছিল আজিজুর রহমানের। তবে- নিয়তির নির্মমতায়
তিনি ৯ দিন আগেই পৃথীবীর মায়া ছেলে পাড়ি দিলেন না ফেরার দেশে। হয়তো আসা হবে নিজ ভুমিতে তবে জীবিত নয় কপিনে নিথর দেহ নিয়ে।