রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পৌর কান্সিউলর মিলনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা

  • যশোর অফিস।।
  • প্রকাশের সময় : ১১:০৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ২৯

যশোরে ঘের ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা নেয়ার ঘটনায় পৌর কান্সিউলর জাহিদ হোসেন মিলনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ এই মামলায় সন্দেহজনকভাবে মাহবুবুল আলম বিদ্যুৎ নামে একজনকে আটক করেছে।
২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট সদর উপজেলার মোবারককাটি গ্রামে এই চাঁদাবাজির ঘটনায় শনিবার ভুক্তভোগী একই উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামের গোলাম মোস্তফা কোতোয়ালি থানায় এই মামলাটি করেছেন। আটক মাহবুবুল আলম বিদ্যুৎ সদর উপজেলার ডাকাতিয়া গ্রামের মধ্যপাড়ার আশরাফুল আলমের ছেলে।
বাদী জানিয়েছেন, ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারি একই উপজেলার মোবারককাটি গ্রামে একটি পুকুরসহ জমি কিনে মাছের ঘেরে চাষাবাদ করে আসছিলেন। আসামি জাহিদ হোসেন মিলনের নেতৃত্বে অন্য আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বাদীর কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছিলেন। রাজি না হওয়ায় তাকে খুন জখমের হুমকি দেয়া হয়। এরপরও পূর্বের দাবিকৃত দুই লাখ টাকার জন্য বাদী গোলাম মোস্তফাকে খুন জখমের হুমকি দেয়া হয়।
তিনি জানান, ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট কাউন্সিলর মিলনের নেতৃত্বে অন্য আসামিরা তার ঘেরে যান। এসময় পূর্বে দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় তাকে এলোপাতাড়ি মারপিটের পর হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যান তারা। বাধ্য হয়ে কয়েক মাস আগে যশোর শহরের পুরাতন কসবা কাজীপাড়া কাঁঠালতলায় গিয়ে জাহিদ হোসেন মিলনের বাড়িতে বসে চাঁদা স্বরূপ ৫০ হাজার টাকা দেন। তারপরও পূর্বের দাবিকৃত দুই লাখ টাকা না দিলে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। এই ঘটনায় বাদী কোতোয়ালি থানায় কাউন্সিলর মিলনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন। পুলিশ নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে বাড়ি থেকে এই মামলার সন্দেহজনক আসামি মাহবুবুল আলম বিদ্যুৎকে আটকের পর শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এসআই তাপস কুমার আঢ্য জানিয়েছেন, আসামি আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পৌর কান্সিউলর মিলনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা

প্রকাশের সময় : ১১:০৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

যশোরে ঘের ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা নেয়ার ঘটনায় পৌর কান্সিউলর জাহিদ হোসেন মিলনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ এই মামলায় সন্দেহজনকভাবে মাহবুবুল আলম বিদ্যুৎ নামে একজনকে আটক করেছে।
২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট সদর উপজেলার মোবারককাটি গ্রামে এই চাঁদাবাজির ঘটনায় শনিবার ভুক্তভোগী একই উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামের গোলাম মোস্তফা কোতোয়ালি থানায় এই মামলাটি করেছেন। আটক মাহবুবুল আলম বিদ্যুৎ সদর উপজেলার ডাকাতিয়া গ্রামের মধ্যপাড়ার আশরাফুল আলমের ছেলে।
বাদী জানিয়েছেন, ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারি একই উপজেলার মোবারককাটি গ্রামে একটি পুকুরসহ জমি কিনে মাছের ঘেরে চাষাবাদ করে আসছিলেন। আসামি জাহিদ হোসেন মিলনের নেতৃত্বে অন্য আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বাদীর কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছিলেন। রাজি না হওয়ায় তাকে খুন জখমের হুমকি দেয়া হয়। এরপরও পূর্বের দাবিকৃত দুই লাখ টাকার জন্য বাদী গোলাম মোস্তফাকে খুন জখমের হুমকি দেয়া হয়।
তিনি জানান, ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট কাউন্সিলর মিলনের নেতৃত্বে অন্য আসামিরা তার ঘেরে যান। এসময় পূর্বে দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় তাকে এলোপাতাড়ি মারপিটের পর হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যান তারা। বাধ্য হয়ে কয়েক মাস আগে যশোর শহরের পুরাতন কসবা কাজীপাড়া কাঁঠালতলায় গিয়ে জাহিদ হোসেন মিলনের বাড়িতে বসে চাঁদা স্বরূপ ৫০ হাজার টাকা দেন। তারপরও পূর্বের দাবিকৃত দুই লাখ টাকা না দিলে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। এই ঘটনায় বাদী কোতোয়ালি থানায় কাউন্সিলর মিলনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন। পুলিশ নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে বাড়ি থেকে এই মামলার সন্দেহজনক আসামি মাহবুবুল আলম বিদ্যুৎকে আটকের পর শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এসআই তাপস কুমার আঢ্য জানিয়েছেন, আসামি আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।