বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জুনেই আড়াইশ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা: মাশরাফি

আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এবং জাতীয় সংসদের হুইপ মাশরাফি বিন মুর্তজা এমপি বলেছেন চিকিৎসা খাতে জনবল সংকট রয়েছে এটা যেমন সত্য, পাশাপাশি আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে সে সংকটের কিছুটা হলেও পূরণ করা সম্ভব।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নড়াইল সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে মাশরাফি আরও বলেন, হাসপাতালে বেডের সংখ্যা ১০০ হলেও রোগী আছে তিন শতাধিক। শিশু বেডের সংখ্যা ১৫টি থাকলেও ভর্তি আছে শতাধিক শিশু। রোগীর স্বজনসহ সব মিলিয়ে এক হাজারের বেশি লোক হাসপাতালে অবস্থান করছেন। আগামী জুনে নির্মাণাধীন ২৫০ শয্যার ভবনটি হস্তান্তরের কথা আছে, সেটি চালু হলেও জেলার রোগীর চাপ সামলাতে যথেষ্ট হবে না। তবে সমস্যা কিছুটা লাঘব হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, নড়াইল সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আব্দুল গাফফার, সহকারী পরিচালক ডা. আসাদ উজ জামান মুন্সী, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. সুজল কুমার বকশী প্রমুখ।

মাশরাফি বলেন, নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রোগীদের বেড সমস্যা। মৌলিক যে সমস্যাগুলো রয়েছে সেগুলো সমাধানের মাধ্যমে দ্রুত রোগীদের চিকিৎসাসেবার মান নিশ্চিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পরিবেশ শুধু চিকিৎসক ও স্টাফদের ওপর ছেড়ে দিলেই ঠিক থাকে না। রোগী ও স্বজন যারা হাসপাতালে অবস্থান করেন, নিজের বাড়ি ও নিজের জিনিস মনে করে ব্যবহার করলে এসব সংকট দূর হবে। এ ছাড়া রোগীদের ওষুধসহ মৌলিক যেসব সমস্যা হচ্ছে, তা সমাধানে যত গ্রুত সম্ভব সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

জুনেই আড়াইশ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা: মাশরাফি

প্রকাশের সময় : ০১:৪২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এবং জাতীয় সংসদের হুইপ মাশরাফি বিন মুর্তজা এমপি বলেছেন চিকিৎসা খাতে জনবল সংকট রয়েছে এটা যেমন সত্য, পাশাপাশি আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে সে সংকটের কিছুটা হলেও পূরণ করা সম্ভব।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নড়াইল সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে মাশরাফি আরও বলেন, হাসপাতালে বেডের সংখ্যা ১০০ হলেও রোগী আছে তিন শতাধিক। শিশু বেডের সংখ্যা ১৫টি থাকলেও ভর্তি আছে শতাধিক শিশু। রোগীর স্বজনসহ সব মিলিয়ে এক হাজারের বেশি লোক হাসপাতালে অবস্থান করছেন। আগামী জুনে নির্মাণাধীন ২৫০ শয্যার ভবনটি হস্তান্তরের কথা আছে, সেটি চালু হলেও জেলার রোগীর চাপ সামলাতে যথেষ্ট হবে না। তবে সমস্যা কিছুটা লাঘব হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, নড়াইল সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আব্দুল গাফফার, সহকারী পরিচালক ডা. আসাদ উজ জামান মুন্সী, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. সুজল কুমার বকশী প্রমুখ।

মাশরাফি বলেন, নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রোগীদের বেড সমস্যা। মৌলিক যে সমস্যাগুলো রয়েছে সেগুলো সমাধানের মাধ্যমে দ্রুত রোগীদের চিকিৎসাসেবার মান নিশ্চিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পরিবেশ শুধু চিকিৎসক ও স্টাফদের ওপর ছেড়ে দিলেই ঠিক থাকে না। রোগী ও স্বজন যারা হাসপাতালে অবস্থান করেন, নিজের বাড়ি ও নিজের জিনিস মনে করে ব্যবহার করলে এসব সংকট দূর হবে। এ ছাড়া রোগীদের ওষুধসহ মৌলিক যেসব সমস্যা হচ্ছে, তা সমাধানে যত গ্রুত সম্ভব সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।