বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আমার লিডার ইমরান খান, অন্য কেউ না : পিটিআই নেতা

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের সাবেক চেয়ারম্যান গহর আলি খানকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে শোকজ নোটিশ পেয়েছেন দলটির নেতা শের আফজাল মারওয়াত। শোকজ নোটিশের প্রতিক্রিয়ায় আফজাল বলেছেন, তার লিডার ইমরান খান, অন্য কেউ না। খবর জিও নিউজের।

পিটিআই নেতা আফজাল বলেন, যদি ইমরান খান আমাকে ক্ষমা চাইতে বলেন, আমি চাইব। ওমর আইয়ুবের জন্য একটি শালীন উপায় ছিল যে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমাকে ফোন করে ক্ষমা চাইতে বলতে পারতেন।

সম্প্রতি পিটিআইয়ের দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনকে অবৈধ ঘোষণা করেন পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট। অভ্যন্তরীণ নির্বাচন বাতিল করার কারণে গহর আলি খান আর পিটিআই চেয়ারম্যান পদে ছিলেন না। এক মাসের বেশি সময় ধরে পিটিআইয়ের শীর্ষ পদটি শূন্য পড়ে ছিল। এমন পরিস্থিতিতে দলের নতুন নেতা নির্বাচন করতে চেয়ারম্যান হিসেবে আলি জাফর এবং মহাসচিব হিসেবে ওমর আইয়ুবকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

তাদের মনোনয়ন দেওয়ার পর জিও নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পিটিআই নেতা আফজাল মারওয়াত বলেন, ‘অসন্তোষজনক’ ভূমিকার কারণে গহর আলি খানকে দলীয় চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অদক্ষতা ও দুর্বল ভূমিকা গহর খানকে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণের কারণ। ব্যারিস্টার গহর ভদ্রলোক হলেও তার কার্যক্ষমতা সন্তোষজনক নয়।

পিটিআইয়ের এই নেতা আরও বলেন, দলীয় কর্মীদের প্রত্যাশা পূরণে গহর খান ব্যর্থ হয়েছেন। একটি দলীয় কার্যালয় পরিচালনার দায়িত্ব সামলাতে গেলে ওই ব্যক্তিকে সব সময় সক্রিয় থাকতে হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। সাধারণ নির্বাচনের পর দলীয় নেতৃত্বে গহর খান কোনো প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখতে পারেননি। নির্বাচনের পর তারই দলের নেতৃত্বে থাকা উচিত ছিল। কিন্তু তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।

আমার লিডার ইমরান খান, অন্য কেউ না : পিটিআই নেতা

প্রকাশের সময় : ০১:৫১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের সাবেক চেয়ারম্যান গহর আলি খানকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে শোকজ নোটিশ পেয়েছেন দলটির নেতা শের আফজাল মারওয়াত। শোকজ নোটিশের প্রতিক্রিয়ায় আফজাল বলেছেন, তার লিডার ইমরান খান, অন্য কেউ না। খবর জিও নিউজের।

পিটিআই নেতা আফজাল বলেন, যদি ইমরান খান আমাকে ক্ষমা চাইতে বলেন, আমি চাইব। ওমর আইয়ুবের জন্য একটি শালীন উপায় ছিল যে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমাকে ফোন করে ক্ষমা চাইতে বলতে পারতেন।

সম্প্রতি পিটিআইয়ের দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনকে অবৈধ ঘোষণা করেন পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট। অভ্যন্তরীণ নির্বাচন বাতিল করার কারণে গহর আলি খান আর পিটিআই চেয়ারম্যান পদে ছিলেন না। এক মাসের বেশি সময় ধরে পিটিআইয়ের শীর্ষ পদটি শূন্য পড়ে ছিল। এমন পরিস্থিতিতে দলের নতুন নেতা নির্বাচন করতে চেয়ারম্যান হিসেবে আলি জাফর এবং মহাসচিব হিসেবে ওমর আইয়ুবকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

তাদের মনোনয়ন দেওয়ার পর জিও নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পিটিআই নেতা আফজাল মারওয়াত বলেন, ‘অসন্তোষজনক’ ভূমিকার কারণে গহর আলি খানকে দলীয় চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অদক্ষতা ও দুর্বল ভূমিকা গহর খানকে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণের কারণ। ব্যারিস্টার গহর ভদ্রলোক হলেও তার কার্যক্ষমতা সন্তোষজনক নয়।

পিটিআইয়ের এই নেতা আরও বলেন, দলীয় কর্মীদের প্রত্যাশা পূরণে গহর খান ব্যর্থ হয়েছেন। একটি দলীয় কার্যালয় পরিচালনার দায়িত্ব সামলাতে গেলে ওই ব্যক্তিকে সব সময় সক্রিয় থাকতে হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। সাধারণ নির্বাচনের পর দলীয় নেতৃত্বে গহর খান কোনো প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখতে পারেননি। নির্বাচনের পর তারই দলের নেতৃত্বে থাকা উচিত ছিল। কিন্তু তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।