রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজবাড়ী বালিয়াকান্দিতে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে  আজাদ 

রাজবাড়ী বালিয়াকান্দিতে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কেন্দ্র করে রাস্তা -ঘাট, হাট-বাজার ,  চায়ের দোকান সর্বত্র চলছে নির্বাচনী  আলোচনা। এই নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না দেয়ার সিন্ধান্তে আ.লীগের  একাধিক প্রার্থীর অংশগ্রহণের গুঞ্জন শোনা গেলেও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান  জেলা আ.লীগ সদস্য ও উপজেলা আ.লীগ সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আছেন।
কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ এরই মধ্যে তিনি পেয়েছেন স্বর্ণপদক, শিক্ষা খাতে ব্যাপক উন্নয়নের ফলে তিনি ২০১৪ সালে শিক্ষা বিভাগে রাজবাড়ী জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হয়েছেন এবং ২০১৪ সালের আগস্টে  ১৫ দিনের সরকারী সফরে অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে প্রশিক্ষণে যান। সবাই তাকে পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে জানেন।
আ.লীগের দলীয় নেতাকর্মীরা জানান আজাদ ভাই অত্যান্ত সাংগঠনিক ও কর্মীবান্ধব নেতা। দলীয় সকল কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ লক্ষ্যনীয়। তার কর্ম দক্ষতার মাধ্যমে তিনি অপ্রতিদ্বন্দী হয়ে উঠেছেন।
বালিয়াকান্দি উপজেলা ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার  মানুষ জানান, আবুল কালাম আজাদ অত্যান্ত পরিশ্রমী ও জনবান্ধব মানুষ। সমগ্র উপজেলায় তার উন্নয়নের ছোয়া রয়েছে। মানুষের সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।আগামী নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তিনিই যোগ্য। এবিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বলেন ১৯৮৮-২০০৯ পর্যন্ত টানা ৪বার নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান ছিলাম। ২০০৯ থেকে ৩মেয়াদে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছি। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন ও অনেক রাস্তা ঘাট নির্মাণ করেছি। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নামফলক নির্মাণ করেছি। সর্বপরি এই উপজেলার উন্নয়নে আমি ব্যপক ভূমিকা  রেখেছি। কর্মের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছি।
 নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে  তিনি বলেন তফসিল ঘোষণার এখনও সময় বাকি আছে। আমার রাজনৈতিক অভিভাবক  রেলপথ মন্ত্রী জেলা আ.লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুল হাকিম এমপি সাথে পরামর্শ করে অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে পুনঃ বিজয়ী হবো।

বিএনপি সাম্প্রদায়িকতার বিশ্বস্ত ঠিকানা, জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক–সেতুমন্ত্রী 

রাজবাড়ী বালিয়াকান্দিতে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে  আজাদ 

প্রকাশের সময় : ০৬:৫২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
রাজবাড়ী বালিয়াকান্দিতে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কেন্দ্র করে রাস্তা -ঘাট, হাট-বাজার ,  চায়ের দোকান সর্বত্র চলছে নির্বাচনী  আলোচনা। এই নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না দেয়ার সিন্ধান্তে আ.লীগের  একাধিক প্রার্থীর অংশগ্রহণের গুঞ্জন শোনা গেলেও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান  জেলা আ.লীগ সদস্য ও উপজেলা আ.লীগ সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আছেন।
কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ এরই মধ্যে তিনি পেয়েছেন স্বর্ণপদক, শিক্ষা খাতে ব্যাপক উন্নয়নের ফলে তিনি ২০১৪ সালে শিক্ষা বিভাগে রাজবাড়ী জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হয়েছেন এবং ২০১৪ সালের আগস্টে  ১৫ দিনের সরকারী সফরে অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে প্রশিক্ষণে যান। সবাই তাকে পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে জানেন।
আ.লীগের দলীয় নেতাকর্মীরা জানান আজাদ ভাই অত্যান্ত সাংগঠনিক ও কর্মীবান্ধব নেতা। দলীয় সকল কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ লক্ষ্যনীয়। তার কর্ম দক্ষতার মাধ্যমে তিনি অপ্রতিদ্বন্দী হয়ে উঠেছেন।
বালিয়াকান্দি উপজেলা ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার  মানুষ জানান, আবুল কালাম আজাদ অত্যান্ত পরিশ্রমী ও জনবান্ধব মানুষ। সমগ্র উপজেলায় তার উন্নয়নের ছোয়া রয়েছে। মানুষের সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।আগামী নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তিনিই যোগ্য। এবিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বলেন ১৯৮৮-২০০৯ পর্যন্ত টানা ৪বার নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান ছিলাম। ২০০৯ থেকে ৩মেয়াদে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছি। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন ও অনেক রাস্তা ঘাট নির্মাণ করেছি। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নামফলক নির্মাণ করেছি। সর্বপরি এই উপজেলার উন্নয়নে আমি ব্যপক ভূমিকা  রেখেছি। কর্মের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছি।
 নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে  তিনি বলেন তফসিল ঘোষণার এখনও সময় বাকি আছে। আমার রাজনৈতিক অভিভাবক  রেলপথ মন্ত্রী জেলা আ.লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুল হাকিম এমপি সাথে পরামর্শ করে অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে পুনঃ বিজয়ী হবো।