বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বেইলি রোডের আগুনে মারা গেল যশোরের রকি

  • যশোর অফিস।।
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪
  • ১৩

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবনে লাগা আগুনের ঘটনায় সাততলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় ‘কাচ্চি ভাই’ নামের খাবারের দোকানে ক্যাশিয়ার ছিল নিহত কামরুল হাবিব রকি। তিনি যশোর সদর উপজেলার ধোপাখোলা গ্রামের কবির হোসেনের ছেলে।

শুক্রবার (১ মার্চ) সকালে তার গ্রামের বাড়িতে মরদেহ নিয়ে আসা হয়। এরপর থেকে রকিকে এক পলক শেষ দেখা দেখতে বাড়িতে ভিড় করে প্রতিবেশী এবং আত্মীয় স্বজনরা। স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে গোটা পরিবেশ।

নিহতের প্রতিবেশী এবং স্বজনরা জানান, অগ্নিকাণ্ডে নিহত কামরুল হাবিব রকির পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। তার বাবা কবির হোসেন পেশায় ইজিবাইক চালক। পার্শবর্তী গাজির দরগাহ কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে আড়াই মাস আগে ঢাকায় ‘কাচ্চি ভাই’ হোটেলে ক্যাশিয়ার পদে যোগদান করেন তিনি। অগ্নিকাণ্ডের ধোয়ায় রকি অক্সিজেন ফেল করে মারা যান বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।

নিহতের বাবা কবির হোসেন বলেন’১৫ দিন আগে রকি বাড়িতে এসেছিল। ডিগ্রিতে ভর্তি হওয়ার জন্য ফরম তুলে আবার ঢাকায় ফিরে যায়। আমার ছেলেকে আমি এভাবে হারাবো আমি কোনদিন ভাবতে পারিনি। আমার ছেলে আমার সাথে সংসারের হাল ধরতে গিয়ে আজ লাশ হয়ে ফিরে আসলো।’

নিহতের প্রতিবেশী মোঃ পলাশ হোসেন বলেন,কামরুল হাবিব রকি ছেলে হিসেবে অনেক ভালো এবং ভদ্র। গ্রামের সকলেই তাকে অনেক স্নেহ করতো। পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। যেকারণে অল্প বয়সে উপার্জনের রাস্তায় নেমেছিল সে।’

শুক্রবার দুপুরে জুম্মার নামাজের পর রকি’র জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

যশোরে পুলিশের আলাদা অভিযান ইয়াবা ও গাঁজাসহ গ্রেফতার-৫

যশোর পুলিশের আলাদা কয়েকটি অভিযানে ৭৬পিস ইয়াবা ও ২শ’ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার  ও ৫জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে,যশোর সদর উপজেলার হাটবিলা (আফিল ব্রিকস) ইব্রাহীম মেম্বরের বাড়ির পাশের্^ ওমর আলীর ছেলে মিলন গাজী,একই উপজেলার মুড়লী খাঁ পাড়ার লুৎফর রহমানের ছেলে রনি, একই এলাকার রমজান আলীর ছেলে ইমন হোসেন,মুড়লী মাঠপাড়ার মৃত এরফান চৌধুরীর ছেলে সাগর হোসেন ও সদর উপজেলার বালিয়া ভেকুটিয়া কলোনী মোড়ের বিপুল হাসানের ছেলে লাবিব হাসান। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আলাদা মাদক আইনে মামলা হয়েছে। তাদেরকে শুক্রবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

কোতয়ালি থানার পুলিশ গত বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার বালিয়া ভেকুটিয়া গ্রাম থেকে মাদকদ্রব্য ইয়াবা বেচাকেনার অভিযোগে লাবিব হাসানকে আটক করে। পরে তার কাছ থেকে ১১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। সদর পুলিশ জানিয়েছে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শহরতলীর মুড়লী স্কুল গেটের সামনে থেকে সাগর হোসেনকে ১৫পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে।

যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ জানিয়েছে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ডিবি’র সদস্যরা গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শহরের বকচার এলাকা থেকে রনি ও ইমন হোসেনকে ৫০পিস ইয়াবাসহ গ্রেফাতার করে। এছাড়া, বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা গত বৃহস্পতিবার পদ্মবিলা গ্রাম থেকে গাঁজা বিক্রির সময় মিলন গাজী নামে এক গাঁজা বিক্রেতাকে গ্রেফতার করে। পরে তার কাছ থেকে থাকা ২শ’ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে। #

যশোরে পুলিশ প্লাজা থেকে পন্য কিনে সোনারবালা জিতলেন বকচরের নাদিয়া

৩০ টাকায় পুলিশ প্লাজা থেকে কসমেটিক্স পণ্য কিনে সোনার বালা জিতে নিয়েছেন শহরের বকচর এলাকার নাদিয়া । শুধুই নাদিয়ায় নয়, পুলিশ প্লাজা থেকে বিভিন্ন পণ্য কিনে কুপনের মাধ্যমে জিতেছেন কানের দুল, আঙটি, নাকফুল, পায়েলসহ নানা উপহার। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টায় পুলিশ প্লাজা মাঠে কুপনের এ ড্র অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার বিকেলে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন যশোর কোতয়ালী থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত শফিকুল আলম চৌধুরী ও পুরাতন কসবা ফাঁড়ির ইনচার্জ রেজাউল করীম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পুলিশ প্লাজার পরিচালক শিমুল ভুইয়া।

সোনার বালা জিতে নেয়া নাদিয়ার কুপন নম্বর ৫১০৩৫। সোনার কানের দুল জিতেছেন আঃ খালেক। তার কুপন নম্বর ৩৭৭৯৩। সোনার আংটির জিতেছেন আরিফ। তার কুপন নম্বর ১৯৬০৭। এছাড়া বিজয়ীদের অন্যান্য কুপন নম্বরগুলো হচ্ছে, ১৮৭৩১, ৩৭৩৮৪, ৭২৬০৪, ৪৬৫০৮, ৮৫৭৫০, ৩৭২০৩, ২৬৫৭২, ২০৯৭১, ৮৮১৬৯, ৬৫৬৯০, ৮৮৫৮৪, ৬৫০৮৫, ২২৯৫৯, ৮৭৭৩৫, ৩২৭৬৪, ৫২৮২৩, ১৪৭৭৮, ১৩২৯২, ১১৪৪৫, ৬০১২, ৬৬৫১, ৩২৭৯১, ৫৫২৩৬, ৩৩৭৫, ২৮৫৯৯, ৮২৩৩৮।

পুলিশ প্লাজা কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের সার্বিক আয়োজন সফলভাবে শেষ হয়েছে। এ আয়োজন ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। আগামীতেও এ ধরনের আয়োজন করা হবে বলে তিনি জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ প্লাজার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এনএস ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কর্মকর্তা রিকি খান, নিয়ামুল হাসান বাবু, নান্টু হোসেন, অচিন্ত্য বর্মণ, ব্যবসায়ী জামিল হোসেন, আকাশ হোসেন, মোহাম্মদ হান্নান, ফারুক হোসেন, মাহাবুব, অনিক, বাবু, সাজ্জাদ প্রমুখ।#

যশোরে সোনা পাচারের চেষ্টা দুই পাচারকারীর বিরুদ্ধে চার্জশিট

যশোরে সোনা পাচারের সময় বিজিবির হাতে আটক হওয়া দুই পাচারকারীর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে চৌগাছা থানা পুলিশ।

অভিযুক্তরা হলেন, যশোর সদর উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের শাওন হোসাইন ও মাগুরার শালিখা উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা চৌগাছা থানার ইনসপেক্টর (তদন্ত) মো. জেল্লাল হোসেন এ চার্জশিট জমা দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট বিকেলে হিজলি বিওপি’র বিজিবি সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌগাছা উপজেলার বড় আন্দুলিয়া গ্রামে অবস্থান নেন। তারা এ সময় একটি মোটরসাইকেলে দুইজনকে আসতে দেখে সংকেত দেয় বিজিবি। ওই দুইজন মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে বিজিবি সদস্যরা তাদের কাছে থাকা ব্যাগ থেকে ৪৩টি সোনার বার উদ্ধার করে। যার ওজন ১৩ কেজি ৪৬৪ গ্রাম। এঘটনায় চৌগাছা থানায় মামলা করা হয়। #

যশোরে ঝিকরগাছায় জমি নিয়ে ভাই ভাই দ্বন্দ্ব, স্বজন প্রীতিতে পুলিশ

যশোরের ঝিকরগাছায় জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ভাইদের মধ্যে দ্বন্দ্বতে কোতোয়ালি থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা ব্যাপক প্রভাব খাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব বিষয়ে ঝাউদিয়া গ্রামের ইকবাল হোসেন মোল্লা তারভাইসহ ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঝিকরগাছা থানায় লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন । কিন্তু কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন ইকবাল। বৃহস্পতিবার গ্রামেরকাগজ দপ্তরে এসে এসব অভিযোগ দেন ইকবাল হোসেন। তিনি আরও বলেন, নিজেই পুলিশের ভয়ে এলাকায় থাকতে পারছেন না। কোতোয়ালি থানায় কর্মরত ওই পুলিশ সদস্য বিভিন্ন ভাবে তাকে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন।

ঝিকরগাছা থানায় দেয়া অভিযোগে ইকবাল উল্লেখ করেন, ইকবালের বাবা মোটা অংকের টাকা ঋন রেখে মৃত্যুবরণ করেন। পাওনা টাকা বাবার সম্পত্তি বিক্রি করে পরিশোধ করার কথা ছিলো। পরবর্তিতে বাবার ঋনের ১২ লাখ টাকা তিনি ও আরেকভাই পরিশোধ করে বাবার রেখে যাওয়া কিছু জমি ভোগদখল করতে থাকেন। এরমাঝে ভাই বোনেরা বাবার জমি ভাগাভাগির সময় ঋনের টাকা পরিশোধের কোনো দায়িত্ব নেবেনা বলে জানান। এমনকি ভাগ্নে মিনহাজুল আবেদিন তাকে হত্যার হুমকি দেয়। অন্যদিকে ইকবালের ভাই ফারুকের দুসম্পর্কের আত্মিয় হচ্ছেন যশোর কোতোয়ালি থানার কর্মরত এসআই রফিকুল ইসলাম। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রফিকুল ঝিকরগাছায় যেয়ে ইকবাল ও তার পরিবারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। মিথ্যা মামলায় ফাসানো সহ নানা ধরণের হুমকি ধামকি দিয়ে চলে আসে। পরে ইকবাল এ বিষয়ে ঝিকরগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন কিন্তু কোনো প্রতিকার পাননা। বাধ্য হয়ে বিভিন্নপত্রিকা দপ্তরে যেয়ে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। #

বেইলি রোডের আগুনে মারা গেল যশোরের রকি

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবনে লাগা আগুনের ঘটনায় সাততলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় ‘কাচ্চি ভাই’ নামের খাবারের দোকানে ক্যাশিয়ার ছিল নিহত কামরুল হাবিব রকি। তিনি যশোর সদর উপজেলার ধোপাখোলা গ্রামের কবির হোসেনের ছেলে।

শুক্রবার (১ মার্চ) সকালে তার গ্রামের বাড়িতে মরদেহ নিয়ে আসা হয়। এরপর থেকে রকিকে এক পলক শেষ দেখা দেখতে বাড়িতে ভিড় করে প্রতিবেশী এবং আত্মীয় স্বজনরা। স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে গোটা পরিবেশ।

নিহতের প্রতিবেশী এবং স্বজনরা জানান, অগ্নিকাণ্ডে নিহত কামরুল হাবিব রকির পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। তার বাবা কবির হোসেন পেশায় ইজিবাইক চালক। পার্শবর্তী গাজির দরগাহ কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে আড়াই মাস আগে ঢাকায় ‘কাচ্চি ভাই’ হোটেলে ক্যাশিয়ার পদে যোগদান করেন তিনি। অগ্নিকাণ্ডের ধোয়ায় রকি অক্সিজেন ফেল করে মারা যান বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।

নিহতের বাবা কবির হোসেন বলেন’১৫ দিন আগে রকি বাড়িতে এসেছিল। ডিগ্রিতে ভর্তি হওয়ার জন্য ফরম তুলে আবার ঢাকায় ফিরে যায়। আমার ছেলেকে আমি এভাবে হারাবো আমি কোনদিন ভাবতে পারিনি। আমার ছেলে আমার সাথে সংসারের হাল ধরতে গিয়ে আজ লাশ হয়ে ফিরে আসলো।’

নিহতের প্রতিবেশী মোঃ পলাশ হোসেন বলেন,কামরুল হাবিব রকি ছেলে হিসেবে অনেক ভালো এবং ভদ্র। গ্রামের সকলেই তাকে অনেক স্নেহ করতো। পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। যেকারণে অল্প বয়সে উপার্জনের রাস্তায় নেমেছিল সে।’

শুক্রবার দুপুরে জুম্মার নামাজের পর রকি’র জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

যশোরে পুলিশের আলাদা অভিযান ইয়াবা ও গাঁজাসহ গ্রেফতার-৫

যশোর পুলিশের আলাদা কয়েকটি অভিযানে ৭৬পিস ইয়াবা ও ২শ’ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার  ও ৫জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে,যশোর সদর উপজেলার হাটবিলা (আফিল ব্রিকস) ইব্রাহীম মেম্বরের বাড়ির পাশের্^ ওমর আলীর ছেলে মিলন গাজী,একই উপজেলার মুড়লী খাঁ পাড়ার লুৎফর রহমানের ছেলে রনি, একই এলাকার রমজান আলীর ছেলে ইমন হোসেন,মুড়লী মাঠপাড়ার মৃত এরফান চৌধুরীর ছেলে সাগর হোসেন ও সদর উপজেলার বালিয়া ভেকুটিয়া কলোনী মোড়ের বিপুল হাসানের ছেলে লাবিব হাসান। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আলাদা মাদক আইনে মামলা হয়েছে। তাদেরকে শুক্রবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

কোতয়ালি থানার পুলিশ গত বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার বালিয়া ভেকুটিয়া গ্রাম থেকে মাদকদ্রব্য ইয়াবা বেচাকেনার অভিযোগে লাবিব হাসানকে আটক করে। পরে তার কাছ থেকে ১১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। সদর পুলিশ জানিয়েছে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শহরতলীর মুড়লী স্কুল গেটের সামনে থেকে সাগর হোসেনকে ১৫পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে।

যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ জানিয়েছে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ডিবি’র সদস্যরা গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শহরের বকচার এলাকা থেকে রনি ও ইমন হোসেনকে ৫০পিস ইয়াবাসহ গ্রেফাতার করে। এছাড়া, বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা গত বৃহস্পতিবার পদ্মবিলা গ্রাম থেকে গাঁজা বিক্রির সময় মিলন গাজী নামে এক গাঁজা বিক্রেতাকে গ্রেফতার করে। পরে তার কাছ থেকে থাকা ২শ’ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে। #

যশোরে পুলিশ প্লাজা থেকে পন্য কিনে সোনারবালা জিতলেন বকচরের নাদিয়া

৩০ টাকায় পুলিশ প্লাজা থেকে কসমেটিক্স পণ্য কিনে সোনার বালা জিতে নিয়েছেন শহরের বকচর এলাকার নাদিয়া । শুধুই নাদিয়ায় নয়, পুলিশ প্লাজা থেকে বিভিন্ন পণ্য কিনে কুপনের মাধ্যমে জিতেছেন কানের দুল, আঙটি, নাকফুল, পায়েলসহ নানা উপহার। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টায় পুলিশ প্লাজা মাঠে কুপনের এ ড্র অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার বিকেলে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন যশোর কোতয়ালী থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত শফিকুল আলম চৌধুরী ও পুরাতন কসবা ফাঁড়ির ইনচার্জ রেজাউল করীম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পুলিশ প্লাজার পরিচালক শিমুল ভুইয়া।

সোনার বালা জিতে নেয়া নাদিয়ার কুপন নম্বর ৫১০৩৫। সোনার কানের দুল জিতেছেন আঃ খালেক। তার কুপন নম্বর ৩৭৭৯৩। সোনার আংটির জিতেছেন আরিফ। তার কুপন নম্বর ১৯৬০৭। এছাড়া বিজয়ীদের অন্যান্য কুপন নম্বরগুলো হচ্ছে, ১৮৭৩১, ৩৭৩৮৪, ৭২৬০৪, ৪৬৫০৮, ৮৫৭৫০, ৩৭২০৩, ২৬৫৭২, ২০৯৭১, ৮৮১৬৯, ৬৫৬৯০, ৮৮৫৮৪, ৬৫০৮৫, ২২৯৫৯, ৮৭৭৩৫, ৩২৭৬৪, ৫২৮২৩, ১৪৭৭৮, ১৩২৯২, ১১৪৪৫, ৬০১২, ৬৬৫১, ৩২৭৯১, ৫৫২৩৬, ৩৩৭৫, ২৮৫৯৯, ৮২৩৩৮।

পুলিশ প্লাজা কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের সার্বিক আয়োজন সফলভাবে শেষ হয়েছে। এ আয়োজন ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। আগামীতেও এ ধরনের আয়োজন করা হবে বলে তিনি জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ প্লাজার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এনএস ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কর্মকর্তা রিকি খান, নিয়ামুল হাসান বাবু, নান্টু হোসেন, অচিন্ত্য বর্মণ, ব্যবসায়ী জামিল হোসেন, আকাশ হোসেন, মোহাম্মদ হান্নান, ফারুক হোসেন, মাহাবুব, অনিক, বাবু, সাজ্জাদ প্রমুখ।#

যশোরে সোনা পাচারের চেষ্টা দুই পাচারকারীর বিরুদ্ধে চার্জশিট

যশোরে সোনা পাচারের সময় বিজিবির হাতে আটক হওয়া দুই পাচারকারীর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে চৌগাছা থানা পুলিশ।

অভিযুক্তরা হলেন, যশোর সদর উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের শাওন হোসাইন ও মাগুরার শালিখা উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা চৌগাছা থানার ইনসপেক্টর (তদন্ত) মো. জেল্লাল হোসেন এ চার্জশিট জমা দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট বিকেলে হিজলি বিওপি’র বিজিবি সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌগাছা উপজেলার বড় আন্দুলিয়া গ্রামে অবস্থান নেন। তারা এ সময় একটি মোটরসাইকেলে দুইজনকে আসতে দেখে সংকেত দেয় বিজিবি। ওই দুইজন মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে বিজিবি সদস্যরা তাদের কাছে থাকা ব্যাগ থেকে ৪৩টি সোনার বার উদ্ধার করে। যার ওজন ১৩ কেজি ৪৬৪ গ্রাম। এঘটনায় চৌগাছা থানায় মামলা করা হয়। #

যশোরে ঝিকরগাছায় জমি নিয়ে ভাই ভাই দ্বন্দ্ব, স্বজন প্রীতিতে পুলিশ

যশোরের ঝিকরগাছায় জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ভাইদের মধ্যে দ্বন্দ্বতে কোতোয়ালি থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা ব্যাপক প্রভাব খাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব বিষয়ে ঝাউদিয়া গ্রামের ইকবাল হোসেন মোল্লা তারভাইসহ ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঝিকরগাছা থানায় লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন । কিন্তু কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন ইকবাল। বৃহস্পতিবার গ্রামেরকাগজ দপ্তরে এসে এসব অভিযোগ দেন ইকবাল হোসেন। তিনি আরও বলেন, নিজেই পুলিশের ভয়ে এলাকায় থাকতে পারছেন না। কোতোয়ালি থানায় কর্মরত ওই পুলিশ সদস্য বিভিন্ন ভাবে তাকে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন।

ঝিকরগাছা থানায় দেয়া অভিযোগে ইকবাল উল্লেখ করেন, ইকবালের বাবা মোটা অংকের টাকা ঋন রেখে মৃত্যুবরণ করেন। পাওনা টাকা বাবার সম্পত্তি বিক্রি করে পরিশোধ করার কথা ছিলো। পরবর্তিতে বাবার ঋনের ১২ লাখ টাকা তিনি ও আরেকভাই পরিশোধ করে বাবার রেখে যাওয়া কিছু জমি ভোগদখল করতে থাকেন। এরমাঝে ভাই বোনেরা বাবার জমি ভাগাভাগির সময় ঋনের টাকা পরিশোধের কোনো দায়িত্ব নেবেনা বলে জানান। এমনকি ভাগ্নে মিনহাজুল আবেদিন তাকে হত্যার হুমকি দেয়। অন্যদিকে ইকবালের ভাই ফারুকের দুসম্পর্কের আত্মিয় হচ্ছেন যশোর কোতোয়ালি থানার কর্মরত এসআই রফিকুল ইসলাম। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রফিকুল ঝিকরগাছায় যেয়ে ইকবাল ও তার পরিবারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। মিথ্যা মামলায় ফাসানো সহ নানা ধরণের হুমকি ধামকি দিয়ে চলে আসে। পরে ইকবাল এ বিষয়ে ঝিকরগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন কিন্তু কোনো প্রতিকার পাননা। বাধ্য হয়ে বিভিন্নপত্রিকা দপ্তরে যেয়ে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। #