বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভবন মালিকসহ অনুমোদনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে: ড. কামাল

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতার অভাব ও ম্যানেজ হওয়ার কারণেই দেশে বারবার আগুনের ঘটনায় প্রাণহানি ঘটছে। শুধু ভবন মালিক নয়, যারা অনুমোদন দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

রোববার (০৩ মার্চ) ঢাকায় ‘অগ্নি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির শেষ কোথায়’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

 
চেয়ারম্যান বলেন, ঢাকায় আরও জলাধার স্থাপন করতে হবে এবং যেগুলো দখল হয়ে আছে, সেগুলো উদ্ধার করতে হবে।
 
 
তিনি আরও বলেন, কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতার অভাব ও ম্যানেজ হওয়ার কারণেই বারবার আগুনের ঘটনায় প্রাণহানি ঘটছে। শুধু ভবন মালিক নয়, যারা অনুমোদন দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান আরও বলেন, আটটি সংস্থার অনুমোদন নিয়ে রাজধানীতে ভবন নির্মাণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-জেলা প্রশাসন, রাজউক, সিটি করপোরেশন, পরিবেশ অধিদফতর, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও বিস্ফোরক অধিদফতর। সুতরাং প্রতিটি সংস্থার অবহেলার কারণে হত্যার অভিযোগ আনা যেতেই পারে।

 

এদিকে শনিবার (২ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চায়ের চুমুক রেস্টুরেন্টের মালিকসহ চার জনের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ডে নেয়া চারজন হলেন: কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার জিসান, চায়ের চুমুক রেস্টুরেন্টের মালিক আনোয়ারুল হক, শাকিল আহমেদ রিমন ও গ্রিন কোজি কটেজের ম্যানেজার হামিদুল হক বিপুল।
 
 
এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উৎপল বড়ুয়া জানান, রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়।
 
উল্লেখ্য, বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতের ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারানো ৪৬ জনের মধ্যে ৪৪ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। আহত ১৩ জনের মধ্যে ৬ জনকে ছাড়পত্র দেন চিকিৎসকরা। বাকিদের চিকিৎসায় গঠন করা হয়েছে ১৭ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড।

ভবন মালিকসহ অনুমোদনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে: ড. কামাল

প্রকাশের সময় : ০৫:০৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতার অভাব ও ম্যানেজ হওয়ার কারণেই দেশে বারবার আগুনের ঘটনায় প্রাণহানি ঘটছে। শুধু ভবন মালিক নয়, যারা অনুমোদন দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

রোববার (০৩ মার্চ) ঢাকায় ‘অগ্নি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির শেষ কোথায়’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

 
চেয়ারম্যান বলেন, ঢাকায় আরও জলাধার স্থাপন করতে হবে এবং যেগুলো দখল হয়ে আছে, সেগুলো উদ্ধার করতে হবে।
 
 
তিনি আরও বলেন, কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতার অভাব ও ম্যানেজ হওয়ার কারণেই বারবার আগুনের ঘটনায় প্রাণহানি ঘটছে। শুধু ভবন মালিক নয়, যারা অনুমোদন দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান আরও বলেন, আটটি সংস্থার অনুমোদন নিয়ে রাজধানীতে ভবন নির্মাণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-জেলা প্রশাসন, রাজউক, সিটি করপোরেশন, পরিবেশ অধিদফতর, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও বিস্ফোরক অধিদফতর। সুতরাং প্রতিটি সংস্থার অবহেলার কারণে হত্যার অভিযোগ আনা যেতেই পারে।

 

এদিকে শনিবার (২ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চায়ের চুমুক রেস্টুরেন্টের মালিকসহ চার জনের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ডে নেয়া চারজন হলেন: কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার জিসান, চায়ের চুমুক রেস্টুরেন্টের মালিক আনোয়ারুল হক, শাকিল আহমেদ রিমন ও গ্রিন কোজি কটেজের ম্যানেজার হামিদুল হক বিপুল।
 
 
এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উৎপল বড়ুয়া জানান, রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়।
 
উল্লেখ্য, বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতের ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারানো ৪৬ জনের মধ্যে ৪৪ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। আহত ১৩ জনের মধ্যে ৬ জনকে ছাড়পত্র দেন চিকিৎসকরা। বাকিদের চিকিৎসায় গঠন করা হয়েছে ১৭ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড।