প্রিন্ট এর তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ২০, ২০২৬, ৩:৩৭ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মার্চ ৫, ২০২৪, ৬:৪০ পি.এম
ছুটিতে পর্যটকে মুখরিত হয়ে উঠেছে ’দেবতাখুম’

শুভ তংচংগ্যা, জেলা প্রতিনিধি বান্দরবান
ভোর ভোর সকালের সূর্যের আলো ঝড়নার জলের সাথে আটকে আছে- ফেসবুকে শ’খানেক লাইক পড়া বাঙালি এক পর্যটকের দেবতাখুমে তোলা এমনই এক ছবির ক্যাপশন ছিল ‘এই সবুজ, এই মেঘ, এই ঝড়না, এই আলো- শুধু আমার, আমার বাংলার।
বান্দরবান জেলা রোয়াংছড়ি উপজেয়ায় দেবতাখুমের ঝরনার জলে ভেলায় চড়ে অন্যরকম অনুভূতিতে ভেসে যান পর্যটকেরা দেবতাখুমের ঝরনার জলে ভেলায় চড়ে অন্যরকম অনুভূতিতে ভেসে যান পর্যটকেরা।
আজ ( ৫ মার্চ মঙ্গলবার ) দেবতাখুমে গিয়ে দেখা যায়, সবখানে পর্যটকের ভিড়। পর্যটকেরা কেউ নৌকায় ঘুরছেন, কেউ বাঁশের ভেলায় চড়ে বেড়াচ্ছেন, কেউ সাঁতার কাটছেন। দলে দলে কেউ ফিরে যাচ্ছেন, কেউ আসছেন।
বান্দরবানের নতুন সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক নিরাপত্তায় ২০২২ সালের অক্টোবর মাস থেক এক বছরের বেশি সময় ধরে দেবতাখুমে দেশি-বিদেশি পর্যটক ভ্রমণে প্রশাসন থেকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। ২২ জানুয়ারি থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে বান্দরবানে রুমার কেওক্রাডং, রিঝুক ঝরনা, বগালেক। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার পর থেকে রোয়াংছড়ি উপজেলা সদর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দেবতাখুমে পর্যটকেরা এখন ভ্রমণে বেশি আগ্রহী বলে বলে জানিয়েছেন জয়নাল নামে এক যুবক।
এলাকার পর্যটন ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা অংচিংনু মার্মা জানান, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে প্রতিদিন ১ হাজার কাছাকাছি পর্যটক আসেন। দেবতাখুমে ঘুরে বেড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত বাঁশের ভেলা, নৌকা ও লাইফ জ্যাকেট রয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দেবতাখুমের সৌন্দর্য উপভোগের সময়সীমা রাখা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho