
নতুন জীবনে প্রবেশ করেছেন কাঞ্চন মল্লিক-শ্রীময়ী চট্টরাজ। আইনি বিয়ে সেরেছিলেন আগেই। গত শনিবার শ্রীময়ীর সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়েছেন কাঞ্চন। বিয়ের পরেই নিজের নামের সঙ্গে স্বামীর পদবি জুড়ে নিয়েছেন শ্রীময়ী। এখন থেকে তিনি শ্রীময়ী চট্টরাজ মল্লিক। গত কাল ছিল কাঞ্চন-শ্রীময়ীর ঘরোয়া বৌভাত। অভিনেতা-বিধায়কের টালিগঞ্জের বাড়িতে সকাল থেকেই বৌভাতের নানা নিয়মকানুন পালন হয়েছে। শ্রীময়ীর হাতে ভাতকাপড়ের থালা তুলে দিয়েছেন কাঞ্চন। নিয়েছেন ভাতকাপড়ের দায়িত্ব। আনন্দবাজার অনলাইনকে শ্রীময়ী শ্বশুরবাড়ি থেকে জানিয়েছিলেন, কাঞ্চন তাঁকে কোনও কাজই করতে দিচ্ছে না। সারা ক্ষণই তাঁর দিকে তাকিয়ে আছেন। ঘরোয়া বৌভাতে কাঞ্চন স্ত্রীকে সোনার নোয়া বাঁধানো এবং সোনার চেন উপহার দিয়েছেন। ৬ মার্চ পার্ক স্ট্রিটের এক ব্যাঙ্কোয়েটে ঘটা করে রিসেপশন কাঞ্চন-শ্রীময়ীর। তবে সে দিন নাকি একে-অপরকে এক বিশেষ উপহার দেবেন নবদম্পতি।
প্রেমদিবসে সইসাবুদ করে বিয়ে করেন তাঁরা। সে দিন আংটিবদলও হয়। শ্রীময়ী জানিয়েছেন, কাঞ্চন তাঁকে উপহারে ভরিয়ে দিয়েছেন। আইবুড়োভাতের দিন যে হার পরেছিলেন শ্রীময়ী, সেটাও কাঞ্চনেরই উপহার দেওয়া। এক বার আংটিবদল হলেও একে-অপরকে আবার আংটি পরিয়ে দেবেন বলে ঠিক করেছেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী। সেটা নাকি বৌভাতেরই উপহার। কী দেবেন? আনন্দবাজার অনলাইনকে শ্রীময়ী জানিয়েছিলেন, কাঞ্চনকে তিনি একটি প্ল্যাটিনামের আংটি দেবেন। কাঞ্চনও নববধূর অনামিকায় পরিয়ে দেবেন প্ল্যাটিনামের আংটি। বিয়ের পরে দ্বিতীয় বার আংটিবদলের অনুষ্ঠানটাও সকলের সামনেই করবেন বলে ঠিক করেছেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho