
আচ্ছা ভাবুন তো, আপনি বিশ্রাম নিচ্ছেন সামনে টিভিতে প্রোগ্রাম হচ্ছে তখন আপনার ইচ্ছে হলো খেলা দেখার। কিন্তু রিমোটটা দূরে, অথবা আপনার চলার শক্তি নেই। ওই সময় যদি এমন হয়, যা ভাবছেন তেমনই কাজ হচ্ছে। মানে আপনি ভাবছেন চ্যানেল পরিবর্তন করবেন আর অটো তা পরিবর্তন হয়ে গেল কোনো ডিভাইস ছাড়া। এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন, এমনটা কি হয় নাকি !
হ্যাঁ, এমনই একটি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক। আর তা বাস্তবয়ন করতে ইতেমধ্যে বড় একটি ধাপ তিনি পার করেছেন। মস্তিষ্কে বসানো ইলেকট্রনিক চিপ দিয়ে তিনি এই কল্পকাহিনী বাস্তবে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। আর তিনি এই প্রযুক্তির নাম দিয়েছেন- টেলিপ্যাথি।
সম্প্রতি মানুষের মস্তিষ্কে ওয়্যারলেস চিপসেট বসাতে সক্ষম হয়েছেন ইলন মাস্ক। আর এ কাজটি একটি রোবটের মাধ্যমে সম্পাদন করা হয়েছে।
এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য- টেলিপ্যাথির মাধ্যমে প্যারালাইজড, পক্ষাঘাত, পার্কিনস, মৃগীর মতো রোগের চিকিৎসায় প্রযুক্তি ব্যবহার করা চেষ্টায় আছে নিউরালিংক। এ ধরনের অসুস্থ মানুষ যেন শুধু মনের ইশারায় একাই অনেক কিছু করতে পারে বা কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন নিজের ইশারায় কন্ট্রোল করতে পারে।
এখন প্রশ্ন, এই ইমপ্ল্যান্টটি মানুষের মস্তিষ্কে কাজ করবে কিভাবে?
প্রথমে অপারেশন করে মাথার খুলির ভেতরে চিপ ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক্স রেখে দেয়া হয়। আশ্চর্যের বিষয় এগুলো তার ছাড়াই ফোনের মতো কাজ করে। ব্রেইনের তথ্য নিউরালিংক অ্যাপে পাঠিয়ে দেয়। এই অ্যাপে মানুষটি কী করতে চায় তার অনুবাদ হয়। যেসবে ইলেকট্রনিক্স মাথার খুলির ভেতরে রেখে দেয়া হয়, তা দূর থেকে ওয়্যারলেস বা তারবিহীন পদ্ধতিতে চার্জ করা যায়। পুরো ইমপ্ল্যান্ট প্রক্রিয়াটি করার জন্য এক ধরনের সার্জন রোবটও তৈরি করেছে ইলন মাস্কের কোম্পানি।
এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগতে পারে ব্রেইনের ভেতরে একটা কিছু রেখে দেওয়া তো মারাত্মক বিষয়। এবং এটা কতটা বৈধ?
শুরুতে বানর বা ভেড়ার উপর পরীক্ষা চালিয়ে সফলতা অর্জন করে নিউরালিংক। তারপর যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন নিউরালিংককে মানুষের উপরে পরীক্ষা করার অনুমতি দেয়। তবে এরপর অনেক সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে এই কোম্পানিকে। কারণ প্রানীদের দেহে কাঁটা ছেড়ার ব্যাপারে তারা বিশেষ যত্নশীল ছিলেন না।
দশ বছর ধরে এই কাজটি করে আসছে ইলন মাস্কের কোম্পানি। মানুষের এই সমস্যার সমাধান করতে অনেক কোম্পানিই কাজ করছে এবং তাদের মধ্যে ভালোই প্রতিযোগিতা চলছে। সূত্র-দ্য নিউজ
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho