মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যশোরে এ বছর ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা

ছবি-সংগৃহীত

যশোরে এ বছর ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা। সোমবার জেলা ইমাম পরিষদ যশোরের অস্থায়ী কার্যালয় বায়তুচ্ছালাম জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত ফতোয়া বোর্ডের এক সভায় এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়। জেলা ইমাম পরিষদ যশোরের উপদেষ্টা ও যশোর জেলা ফতোয়া বোর্ডের সভাপতি মুফতি মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে জেলা ইমাম পরিষদ যশোর ও যশোর জেলা ফতোয়া বোর্ডের যৌথ পরামর্শ সভায় আটা হিসেবে ১০০, খুরমা হিসেবে এক হাজার ১৬০, কিশমিশ হিসেবে দু’হাজার ১২০ ও পনির হিসেবে দু’হাজার ৬৪০ টাকা ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লিখিত ফিদয়াহ-এর সর্বনিম্ন পরিমাণ প্রতি রোজার পরিবর্তে কেবলমাত্র মা’জুর ব্যক্তি যে বার্ধক্য অথবা অসুস্থতার কারণে রোজা রাখতে পুরোপুরি অক্ষম এমনকি পরবর্তীতেও রোজা রাখার সক্ষমতা অর্জনের সম্ভাবনা নেয়, তার জন্য প্রযোজ্য। এক্ষেত্রে প্রতি রোজার জন্য ১০০ টাকা করে দান করতে হবে। যাকাতের নিসাব ধার্য করা হয়েছে ৯০ হাজার টাকা।

৯০ হাজার টাকা অথবা সমমূল্যের যাকাতযোগ্য সম্পদের মালিক হলে এবং এই সম্পদ এক বছরকাল স্থায়ী থাকলে তার জন্য যাকাত আদায় করা ফরয।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা ইমাম পরিষদের সেক্রেটারি মাওলানা বেলায়েত হোসেন, মাওলানা আব্দুল মান্নান, মাওলানা রুহুল আমিন, মাওলানা হামিদুল ইসলাম, মাওলানা নাসীরুল্লাহ, মুফতি সামসুর রহমান, মাওলানা নাজিরুদ্দীন, মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, মুফতি হাফিজুর রহমান, মুফতি কামরুল আনওয়ার নাঈম, মুফতি আব্দুর রহীম, মুফতি মাহমুদুল হাসান, মুফতি হাবিবুল্লাহ, মাওলানা আবু হুরায়রা, মুফতি কবিরুল ইসলাম, মুফতি আব্দুল হান্নান, মুফতি শরীফ মাহমুদ, মাওলানা মুহিববুল্লাহ হাবিবী প্রমুখ।

যশোরে এ বছর ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা

প্রকাশের সময় : ০৪:৩২:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪

যশোরে এ বছর ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা। সোমবার জেলা ইমাম পরিষদ যশোরের অস্থায়ী কার্যালয় বায়তুচ্ছালাম জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত ফতোয়া বোর্ডের এক সভায় এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়। জেলা ইমাম পরিষদ যশোরের উপদেষ্টা ও যশোর জেলা ফতোয়া বোর্ডের সভাপতি মুফতি মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে জেলা ইমাম পরিষদ যশোর ও যশোর জেলা ফতোয়া বোর্ডের যৌথ পরামর্শ সভায় আটা হিসেবে ১০০, খুরমা হিসেবে এক হাজার ১৬০, কিশমিশ হিসেবে দু’হাজার ১২০ ও পনির হিসেবে দু’হাজার ৬৪০ টাকা ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লিখিত ফিদয়াহ-এর সর্বনিম্ন পরিমাণ প্রতি রোজার পরিবর্তে কেবলমাত্র মা’জুর ব্যক্তি যে বার্ধক্য অথবা অসুস্থতার কারণে রোজা রাখতে পুরোপুরি অক্ষম এমনকি পরবর্তীতেও রোজা রাখার সক্ষমতা অর্জনের সম্ভাবনা নেয়, তার জন্য প্রযোজ্য। এক্ষেত্রে প্রতি রোজার জন্য ১০০ টাকা করে দান করতে হবে। যাকাতের নিসাব ধার্য করা হয়েছে ৯০ হাজার টাকা।

৯০ হাজার টাকা অথবা সমমূল্যের যাকাতযোগ্য সম্পদের মালিক হলে এবং এই সম্পদ এক বছরকাল স্থায়ী থাকলে তার জন্য যাকাত আদায় করা ফরয।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা ইমাম পরিষদের সেক্রেটারি মাওলানা বেলায়েত হোসেন, মাওলানা আব্দুল মান্নান, মাওলানা রুহুল আমিন, মাওলানা হামিদুল ইসলাম, মাওলানা নাসীরুল্লাহ, মুফতি সামসুর রহমান, মাওলানা নাজিরুদ্দীন, মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, মুফতি হাফিজুর রহমান, মুফতি কামরুল আনওয়ার নাঈম, মুফতি আব্দুর রহীম, মুফতি মাহমুদুল হাসান, মুফতি হাবিবুল্লাহ, মাওলানা আবু হুরায়রা, মুফতি কবিরুল ইসলাম, মুফতি আব্দুল হান্নান, মুফতি শরীফ মাহমুদ, মাওলানা মুহিববুল্লাহ হাবিবী প্রমুখ।