মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কর্মক্ষেত্রে ভালো করতে চান? উপায় জেনে নিন

ছবি সংগৃহীত

সাম্প্রতিক গবেষণা অনুসারে, কিছু কার্যকরী কৌশল আপনার কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করতে কাজকে গতিশীল করতে সাহায্য করে। করণীয় তালিকা তৈরি করা থেকে শুরু করে সময়সীমা মেনে চলার মতো স্মার্ট কৌশলগুলো আপনার ক্যারিয়ারে মাইলফলক অর্জন করতে সহায়তা করবে। আপনি যদি কর্মক্ষেত্রে আরও ভালো করতে চান, তাহলে কিছু উপায় জেনে নিতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

করণীয় তালিকা করুন

নির্বিঘ্নে কাজ করার জন্য আপনার দৈনন্দিন কাজগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের একটি করণীয় তালিকা তৈরি করুন। এটি যেকোনো কাজকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করে। দৈনন্দিন কাজের পরিকল্পনা করলে তা আপনার কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং কাজগুলো সময়মতো শেষ করতে পারবেন।

করণীয় তালিকা করুন

নির্বিঘ্নে কাজ করার জন্য আপনার দৈনন্দিন কাজগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের একটি করণীয় তালিকা তৈরি করুন। এটি যেকোনো কাজকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করে। দৈনন্দিন কাজের পরিকল্পনা করলে তা আপনার কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং কাজগুলো সময়মতো শেষ করতে পারবেন।

টাইম ম্যানেজমেন্ট

কর্মজীবনে সফল হওয়ার জন্য একটি মৌলিক নিয়ম হলো টাইম ম্যানেজমেন্ট বা সময় ব্যবস্থাপনার অভ্যাস আয়ত্ত করা। সঠিক সময়সূচীর অভাবে দেরি হয়ে যেতে পারে যা মানসিক চাপের মাত্রা বাড়ায়। বিভিন্ন প্রকল্প, কাজ এবং মিটিং-এর সময়সূচী ঠিক করে রাখলে তা সময়মতো কাজ জমা দিতে সাহায্য করবে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, যেসব কর্মী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেন তারা তুলনামূলক বেশি দক্ষ এবং উৎপাদনশীল।

বিরতি নিন

কাজের সঙ্গে সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বিরতি নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিরতি ছাড়া অবিরাম কাজ করা বা আপনার কাজের সময়ের চেয়ে বেশি কাজ করার অভ্যাস মানসিক চাপের মাত্রা বৃদ্ধি করে কর্মক্ষেত্রে দৈনন্দিন রুটিনকে ব্যাহত করতে পারে। হাঁটার জন্য বাইরে যাওয়া বা চা বিরতির সময় সহকর্মীদের সঙ্গে কিছুক্ষণ আড্ডা দেওয়ার মতো কাজগুলো আপনার ক্লান্তি অনেকটাই দূর করবে। এতে কাজে মনোযোগ বাড়ানো সহজ হবে।

লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

প্রকল্পগুলির জন্য দৈনিক লক্ষ্য নির্ধারণ করলে তা আপনাকে সময়মতো সেগুলো সম্পন্ন করতে সহায়তা করবে। উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য নির্ধারণ করা থাকলে তা আপনাকে গতিশীল রাখবে। লক্ষ্যমাত্রাগুলো স্মার্টভাবে সেট করা হলেই উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যায়। লক্ষ্যহীন মানুষ কখনো সর্বোত্তম ফলাফল তৈরি করতে পারে না। তাই আপনার কাজের একটি লক্ষ্য রাখুন। এতে আপনার জন্য কর্মক্ষেত্রে ভালো করা সহজ হবে।

-ঢাকা পোস্ট

কর্মক্ষেত্রে ভালো করতে চান? উপায় জেনে নিন

প্রকাশের সময় : ০১:৫৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪

সাম্প্রতিক গবেষণা অনুসারে, কিছু কার্যকরী কৌশল আপনার কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করতে কাজকে গতিশীল করতে সাহায্য করে। করণীয় তালিকা তৈরি করা থেকে শুরু করে সময়সীমা মেনে চলার মতো স্মার্ট কৌশলগুলো আপনার ক্যারিয়ারে মাইলফলক অর্জন করতে সহায়তা করবে। আপনি যদি কর্মক্ষেত্রে আরও ভালো করতে চান, তাহলে কিছু উপায় জেনে নিতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

করণীয় তালিকা করুন

নির্বিঘ্নে কাজ করার জন্য আপনার দৈনন্দিন কাজগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের একটি করণীয় তালিকা তৈরি করুন। এটি যেকোনো কাজকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করে। দৈনন্দিন কাজের পরিকল্পনা করলে তা আপনার কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং কাজগুলো সময়মতো শেষ করতে পারবেন।

করণীয় তালিকা করুন

নির্বিঘ্নে কাজ করার জন্য আপনার দৈনন্দিন কাজগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের একটি করণীয় তালিকা তৈরি করুন। এটি যেকোনো কাজকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করে। দৈনন্দিন কাজের পরিকল্পনা করলে তা আপনার কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং কাজগুলো সময়মতো শেষ করতে পারবেন।

টাইম ম্যানেজমেন্ট

কর্মজীবনে সফল হওয়ার জন্য একটি মৌলিক নিয়ম হলো টাইম ম্যানেজমেন্ট বা সময় ব্যবস্থাপনার অভ্যাস আয়ত্ত করা। সঠিক সময়সূচীর অভাবে দেরি হয়ে যেতে পারে যা মানসিক চাপের মাত্রা বাড়ায়। বিভিন্ন প্রকল্প, কাজ এবং মিটিং-এর সময়সূচী ঠিক করে রাখলে তা সময়মতো কাজ জমা দিতে সাহায্য করবে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, যেসব কর্মী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেন তারা তুলনামূলক বেশি দক্ষ এবং উৎপাদনশীল।

বিরতি নিন

কাজের সঙ্গে সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বিরতি নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিরতি ছাড়া অবিরাম কাজ করা বা আপনার কাজের সময়ের চেয়ে বেশি কাজ করার অভ্যাস মানসিক চাপের মাত্রা বৃদ্ধি করে কর্মক্ষেত্রে দৈনন্দিন রুটিনকে ব্যাহত করতে পারে। হাঁটার জন্য বাইরে যাওয়া বা চা বিরতির সময় সহকর্মীদের সঙ্গে কিছুক্ষণ আড্ডা দেওয়ার মতো কাজগুলো আপনার ক্লান্তি অনেকটাই দূর করবে। এতে কাজে মনোযোগ বাড়ানো সহজ হবে।

লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

প্রকল্পগুলির জন্য দৈনিক লক্ষ্য নির্ধারণ করলে তা আপনাকে সময়মতো সেগুলো সম্পন্ন করতে সহায়তা করবে। উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য নির্ধারণ করা থাকলে তা আপনাকে গতিশীল রাখবে। লক্ষ্যমাত্রাগুলো স্মার্টভাবে সেট করা হলেই উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যায়। লক্ষ্যহীন মানুষ কখনো সর্বোত্তম ফলাফল তৈরি করতে পারে না। তাই আপনার কাজের একটি লক্ষ্য রাখুন। এতে আপনার জন্য কর্মক্ষেত্রে ভালো করা সহজ হবে।

-ঢাকা পোস্ট