মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মানুষ মনের দুঃখ লুকিয়ে রাখে কেন?

ছবি-সংগৃহীত

মানুষের মনের মধ্যে অনেক সময় কষ্ট জমে থাকে। বিশেষ করে যারা অন্তর্মুখী(ইন্ট্রোভার্ট) স্বভাবের, তারা নিজেদের মনের কষ্ট সচরাচর প্রকাশ করতে পারে না। আবার জীবনের কিছু পর্যায়ে দেখা যায়, বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে ছোট ছোট কিছু কষ্ট প্রতিনিয়ত জমতে থাকে। সেগুলোই ভেতর থেকে বড় ক্ষতি করে ফেলতে পারে।

সবার আগে নিজের দুঃখটাকে বুঝতে হবে। তারপর তার সাথে নিজেকেই মোকাবেলা করতে হবে। নয়তো মানসিক স্বাস্থ্যে বড় ধরণের প্রভাব পড়তে পারে। দুঃখ লুকিয়ে রাখা, একপ্রকার নীরব ঘাতক হতে পারে। তবে কেন মানুষ দুঃখ লুকিয়ে রাখে?

দ্বিধা: অনেকে দুঃখ প্রকাশ করতেই পারেনা। ছোট থেকেই শেখানো হয় নিজের দুঃখকে নিজের ভেতর দমন করে ফেলতে হবে। দুর্বলরা কাঁদে, আর দুর্বলদের সকলে পেয়ে বসে। তাই কষ্ট ভুলে শক্ত হতে হবে। প্রতিবার এভাবে কষ্ট লুকিয়ে রাখলে একসময় মানুষ কষ্ট প্রকাশ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেনা।

তুলনা করা: অনেক সময় আমরা নিজেদের দুঃখকে অন্যদের প্রতিক্রিয়ার কারণে গুরুত্ব দেই না। সমাজে অনেকে হয়তো আমাদের দুঃখটাকে খেয়াল করে না বা গুরুত্ব দেয় না। তখন আমরা ভাবি, হয়তো ছোট দুঃখকে আমরাই বড় করে দেখছি।

অনুভূতি: অনেকে ভাবে অনুভূতিহীনতাই কঠিন ব্যক্তিত্বের পরিচয়। তাই দুঃখ লুকিয়ে রেখে শক্ত হওয়ার চেষ্টা করে। তারা বোঝে না, দুঃখটা প্রকাশ করাই দুঃখ থেকে পরিত্রাণের উপায়।

ভয়: অনেকে ভয়ে দুঃখ প্রকাশ করতে পারেনা। তারা মনে করে, দুঃখ বাইরে আনলে হয়তো সকলে তাকে ভুল বুঝবে। তার কষ্ট বুঝতে পারবে না। হতে পারে সে দুঃখিত হচ্ছে এটা নিয়ে হাসাহাসি বা অবহেলা করবে। এতে দুঃখের মাত্রা কমার বদলে বাড়বে।

ইতিবাচক আচরণ: একটি গ্লাসের মাঝামাঝি ভর্তি করে পানি নিলে; কেউ বলবে গ্লাসটি অর্ধেক ভর্তি, কেউ বলবে গ্লাসটি অর্ধেক খালি। অনেকেই ইতিবাচক ব্যক্তিত্বের হয়ে থাকে, যা একটি ভালো দিক। তবে সবক্ষেত্র ইতিবাচক ভাবে নেওয়া নিজের জন্য ভালো নাও হতে পারে। দেখা যায়, এরকম মানুষ অনেক খারাপ কোনো আচরণকেও সাধারণ গণ্য করতে থাকে। অথবা তার সাথে হওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করে না।

সূত্র- এব্রেসিং দ্য আনএক্সপেক্টেড

পরপর ৮০ বার কাঁপল তাইওয়ান

মানুষ মনের দুঃখ লুকিয়ে রাখে কেন?

প্রকাশের সময় : ০১:৫২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মার্চ ২০২৪

মানুষের মনের মধ্যে অনেক সময় কষ্ট জমে থাকে। বিশেষ করে যারা অন্তর্মুখী(ইন্ট্রোভার্ট) স্বভাবের, তারা নিজেদের মনের কষ্ট সচরাচর প্রকাশ করতে পারে না। আবার জীবনের কিছু পর্যায়ে দেখা যায়, বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে ছোট ছোট কিছু কষ্ট প্রতিনিয়ত জমতে থাকে। সেগুলোই ভেতর থেকে বড় ক্ষতি করে ফেলতে পারে।

সবার আগে নিজের দুঃখটাকে বুঝতে হবে। তারপর তার সাথে নিজেকেই মোকাবেলা করতে হবে। নয়তো মানসিক স্বাস্থ্যে বড় ধরণের প্রভাব পড়তে পারে। দুঃখ লুকিয়ে রাখা, একপ্রকার নীরব ঘাতক হতে পারে। তবে কেন মানুষ দুঃখ লুকিয়ে রাখে?

দ্বিধা: অনেকে দুঃখ প্রকাশ করতেই পারেনা। ছোট থেকেই শেখানো হয় নিজের দুঃখকে নিজের ভেতর দমন করে ফেলতে হবে। দুর্বলরা কাঁদে, আর দুর্বলদের সকলে পেয়ে বসে। তাই কষ্ট ভুলে শক্ত হতে হবে। প্রতিবার এভাবে কষ্ট লুকিয়ে রাখলে একসময় মানুষ কষ্ট প্রকাশ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেনা।

তুলনা করা: অনেক সময় আমরা নিজেদের দুঃখকে অন্যদের প্রতিক্রিয়ার কারণে গুরুত্ব দেই না। সমাজে অনেকে হয়তো আমাদের দুঃখটাকে খেয়াল করে না বা গুরুত্ব দেয় না। তখন আমরা ভাবি, হয়তো ছোট দুঃখকে আমরাই বড় করে দেখছি।

অনুভূতি: অনেকে ভাবে অনুভূতিহীনতাই কঠিন ব্যক্তিত্বের পরিচয়। তাই দুঃখ লুকিয়ে রেখে শক্ত হওয়ার চেষ্টা করে। তারা বোঝে না, দুঃখটা প্রকাশ করাই দুঃখ থেকে পরিত্রাণের উপায়।

ভয়: অনেকে ভয়ে দুঃখ প্রকাশ করতে পারেনা। তারা মনে করে, দুঃখ বাইরে আনলে হয়তো সকলে তাকে ভুল বুঝবে। তার কষ্ট বুঝতে পারবে না। হতে পারে সে দুঃখিত হচ্ছে এটা নিয়ে হাসাহাসি বা অবহেলা করবে। এতে দুঃখের মাত্রা কমার বদলে বাড়বে।

ইতিবাচক আচরণ: একটি গ্লাসের মাঝামাঝি ভর্তি করে পানি নিলে; কেউ বলবে গ্লাসটি অর্ধেক ভর্তি, কেউ বলবে গ্লাসটি অর্ধেক খালি। অনেকেই ইতিবাচক ব্যক্তিত্বের হয়ে থাকে, যা একটি ভালো দিক। তবে সবক্ষেত্র ইতিবাচক ভাবে নেওয়া নিজের জন্য ভালো নাও হতে পারে। দেখা যায়, এরকম মানুষ অনেক খারাপ কোনো আচরণকেও সাধারণ গণ্য করতে থাকে। অথবা তার সাথে হওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করে না।

সূত্র- এব্রেসিং দ্য আনএক্সপেক্টেড