মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শানে হযরত আলী মুরত্বাদা কনফারেন্স ও ইফতার মাহফিল

২০০৮ বন্ধু ফোরামের পক্ষ থেকে শানে হযরত আলী মুরত্বাদা কনফারেন্স ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত।

জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা  কামিল ২০০৮ বন্ধু ফোরামের পক্ষ থেকে শানে হযরত আলী মুরত্বাদা কনফারেন্স ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত।
সোমবার (১ এপ্রিল ) মুরাদপুরস্থ জামান হোটেল হলরুমে বিকাল ৪টায়   অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সদস্য সচিব মাওলানা সৈয়দ আবু নওশাদ নঈমী।
শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত করেন মাওলানা সৈয়দ ফরমান উলাহ। নাত পরিবেশন করেন মোহামদ হেলাল উদ্দিন।
মাওলানা আবদুস শাকুরের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মাওলানা মোহাম্মদ শফিউল আলম,
মাওলানা মাসউদ আত্তারী, মাওলানা কাজী মামুনুল ইসলাম, ব্যাংকার মুহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম, আশরাফুল আলম, কাজী মিজানুল কাদের, আবু বকর সিদ্দিক, মাওলানা সৈয়দ ফরমান উল্লাহ,  মোহাম্মদ রেজাউল, মোহাম্মদ আরিফ, কুতুব উদ্দিন, বদিউল আলম,কবি কাজী নিজাম, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন,হেলাল উদ্দিন
সহ আরো অনেকে।
বক্তারা বলেন, ইসলামের চতুর্থ খলিফা মওলা আলী শেরে খোদা আমাদের জন্য এক অনুপম আদর্শ।
আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অনুসরনীয়। হজরত আলী (রা.) মুসলিম জাহানে একটি অবিস্মরণীয় নাম।
হজরত আলী (রা.) ছিলেন নবী করিম (সা.)-এর আপন চাচাতো ভাই ও জামাতা। তার পিতার নাম আবু তালিব। মায়ের নাম ফাতিমা বিনতে আসাদ ইবনে হাশিম। হজরত আলী (রা.)-এর ডাক নাম আবু তুরাব। তিনি ৬০০ খ্রিস্টাব্দের রজবের ২৩ তারিখ মক্কার ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।
হুজুর (সা.) নবুয়তপ্রাপ্ত হলে মাত্র ৯-১০ বছর বয়সে বালক আলী পুরুষের মধ্যে প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন।
তিনি বদর, ওহুদ, খন্দক, বনু কোরায়জা যুদ্ধ, হোদায়বিয়ার সন্ধি, খায়বর বিজয়, হুনাইনের যুদ্ধ, আদিউসের যুদ্ধ ও ইয়ামিনের যুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শন করে সবার শ্রদ্ধাভাজন হয়ে ইসলামের ইতিহাসে শেরে খোদা উপাধি লাভ করেন।বদর যুদ্ধে বিশেষ বীরত্বের জন্য হযরত মুহাম্মদ ﷺ তাঁকে “জুলফিকার” নামক তরবারি উপহার দিয়েছিলেন। খাইবারের সুরক্ষিত কামূস দুর্গ জয় করলে মহানবী (ﷺ) তাঁকে “আসাদুল্লাহ” বা আল্লাহর সিংহ উপাধী দেন।
হযরত আলী (রাঃ) সম্পর্কে রাসুল ﷺ এরশাদ করেছেন, আলী সব সময়ই হকের পথে থাকবে। “আলী (রা.)-কে মহব্বত করা ঈমান, আর আলী(রা.)’র সঙ্গে শত্রুতা করা মুনাফেকী”  (মুসলিম, ১ম খণ্ড, পৃ-৪৮)
“আমি জ্ঞানের শহর, আলী তার দরজা” (সহি তিরমিজি, ৫ম খণ্ড, পৃ;২০১)
“যে আলীকে দোষারোপ করল, সে আমাকে দোষারোপ করল, আর যে আমাকে দোষারোপ করল সে খোদাকে দোষারোপ করল। আল্লাহ তাকে মুখ নিচু করে দোজখে নিক্ষেপ করবেন।” (সহি বুখারী-দ্বিতীয় খণ্ড, সহি মুসলিম- দ্বিতীয় খণ্ড, সহি তিরমিজি, ৫ম খণ্ড)।
আমি যার মাওলা আলীও তার মাওলা। হে খোদা যে আলীর সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখে তুমিও তার সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখ, যে আলীর সাথে শত্রুতা রাখে তুমিও তার সাথে শত্রুতা রাখ।”(সহিহ মুসলিম, ২য় খণ্ড, পৃ-৩৬২, মুসনাদে ইমাম হাম্বল, ৪র্থ খণ্ড, পৃ-২৮১)
নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছন, আমি যার বন্ধু,  আলীও তার বন্ধু। (তিরমিযীঃ৩৭১৩)
১৯ শে রমজান সালাতরত অবস্থায় আবদুর রহমান ইবনে মুলজিম নামক এক খারেজীর আক্রমনে তিনি মারাত্মক ভাবে আহত হয়ে তিন দিন পর ২১ শে রমজান ৪০ হিজরি মোতাবেক ২৭ জানুয়ারী শাহাদাত বরণ করেন।
পরিশেষে মিলাদ কিয়াম ও  মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা সৈয়দ আবু নওশাদ নঈমী।

পঞ্চগড়ের জগদল বাজারের জবাইখানা তালাবদ্ধ, ক্রেতা-বিক্রেতা বিপাকে 

শানে হযরত আলী মুরত্বাদা কনফারেন্স ও ইফতার মাহফিল

প্রকাশের সময় : ১০:৩০:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪
জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা  কামিল ২০০৮ বন্ধু ফোরামের পক্ষ থেকে শানে হযরত আলী মুরত্বাদা কনফারেন্স ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত।
সোমবার (১ এপ্রিল ) মুরাদপুরস্থ জামান হোটেল হলরুমে বিকাল ৪টায়   অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সদস্য সচিব মাওলানা সৈয়দ আবু নওশাদ নঈমী।
শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত করেন মাওলানা সৈয়দ ফরমান উলাহ। নাত পরিবেশন করেন মোহামদ হেলাল উদ্দিন।
মাওলানা আবদুস শাকুরের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মাওলানা মোহাম্মদ শফিউল আলম,
মাওলানা মাসউদ আত্তারী, মাওলানা কাজী মামুনুল ইসলাম, ব্যাংকার মুহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম, আশরাফুল আলম, কাজী মিজানুল কাদের, আবু বকর সিদ্দিক, মাওলানা সৈয়দ ফরমান উল্লাহ,  মোহাম্মদ রেজাউল, মোহাম্মদ আরিফ, কুতুব উদ্দিন, বদিউল আলম,কবি কাজী নিজাম, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন,হেলাল উদ্দিন
সহ আরো অনেকে।
বক্তারা বলেন, ইসলামের চতুর্থ খলিফা মওলা আলী শেরে খোদা আমাদের জন্য এক অনুপম আদর্শ।
আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অনুসরনীয়। হজরত আলী (রা.) মুসলিম জাহানে একটি অবিস্মরণীয় নাম।
হজরত আলী (রা.) ছিলেন নবী করিম (সা.)-এর আপন চাচাতো ভাই ও জামাতা। তার পিতার নাম আবু তালিব। মায়ের নাম ফাতিমা বিনতে আসাদ ইবনে হাশিম। হজরত আলী (রা.)-এর ডাক নাম আবু তুরাব। তিনি ৬০০ খ্রিস্টাব্দের রজবের ২৩ তারিখ মক্কার ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।
হুজুর (সা.) নবুয়তপ্রাপ্ত হলে মাত্র ৯-১০ বছর বয়সে বালক আলী পুরুষের মধ্যে প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন।
তিনি বদর, ওহুদ, খন্দক, বনু কোরায়জা যুদ্ধ, হোদায়বিয়ার সন্ধি, খায়বর বিজয়, হুনাইনের যুদ্ধ, আদিউসের যুদ্ধ ও ইয়ামিনের যুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শন করে সবার শ্রদ্ধাভাজন হয়ে ইসলামের ইতিহাসে শেরে খোদা উপাধি লাভ করেন।বদর যুদ্ধে বিশেষ বীরত্বের জন্য হযরত মুহাম্মদ ﷺ তাঁকে “জুলফিকার” নামক তরবারি উপহার দিয়েছিলেন। খাইবারের সুরক্ষিত কামূস দুর্গ জয় করলে মহানবী (ﷺ) তাঁকে “আসাদুল্লাহ” বা আল্লাহর সিংহ উপাধী দেন।
হযরত আলী (রাঃ) সম্পর্কে রাসুল ﷺ এরশাদ করেছেন, আলী সব সময়ই হকের পথে থাকবে। “আলী (রা.)-কে মহব্বত করা ঈমান, আর আলী(রা.)’র সঙ্গে শত্রুতা করা মুনাফেকী”  (মুসলিম, ১ম খণ্ড, পৃ-৪৮)
“আমি জ্ঞানের শহর, আলী তার দরজা” (সহি তিরমিজি, ৫ম খণ্ড, পৃ;২০১)
“যে আলীকে দোষারোপ করল, সে আমাকে দোষারোপ করল, আর যে আমাকে দোষারোপ করল সে খোদাকে দোষারোপ করল। আল্লাহ তাকে মুখ নিচু করে দোজখে নিক্ষেপ করবেন।” (সহি বুখারী-দ্বিতীয় খণ্ড, সহি মুসলিম- দ্বিতীয় খণ্ড, সহি তিরমিজি, ৫ম খণ্ড)।
আমি যার মাওলা আলীও তার মাওলা। হে খোদা যে আলীর সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখে তুমিও তার সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখ, যে আলীর সাথে শত্রুতা রাখে তুমিও তার সাথে শত্রুতা রাখ।”(সহিহ মুসলিম, ২য় খণ্ড, পৃ-৩৬২, মুসনাদে ইমাম হাম্বল, ৪র্থ খণ্ড, পৃ-২৮১)
নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছন, আমি যার বন্ধু,  আলীও তার বন্ধু। (তিরমিযীঃ৩৭১৩)
১৯ শে রমজান সালাতরত অবস্থায় আবদুর রহমান ইবনে মুলজিম নামক এক খারেজীর আক্রমনে তিনি মারাত্মক ভাবে আহত হয়ে তিন দিন পর ২১ শে রমজান ৪০ হিজরি মোতাবেক ২৭ জানুয়ারী শাহাদাত বরণ করেন।
পরিশেষে মিলাদ কিয়াম ও  মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা সৈয়দ আবু নওশাদ নঈমী।