মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যশোরে প্রতিপক্ষের হামলায় জখম, ১৮ দিন পর যুবকের মৃত্যু

  • যশোর অফিস 
  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪
  • ২২

প্রতীকী ছবি

যশোরে মাছের ঘের দখল করাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হাতে আহত মেজবাহ উদ্দিন(৩৫) ১৮ দিন পরে মারা গিয়েছেন। গতকাল সোমবার বিকালে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মেজবাহ উদ্দিন ঝিকরগাছা উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের চাঁন্দা গ্রামের সামছুর রহমানের ছেলে।

মৃতের ছোটভাই আজিম উদ্দিন জানান, গত ১৩মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কায়েমকোলা বাজারে মাছের ঘের দখল করাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ রাসেল, বাবু, ছব্বাত, মিলন, রফিসহ ৫/৬জন তাকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে বাজারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে একটু সুস্থ্য হয়ে উঠলে চিকিৎসক গত ১৭মার্চ দুপুরে তাকে ছাড়পত্র প্রদান করেন। তখন স্বজনরা তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বাড়িতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ১ এপ্রিল সোমবার দুপুরে আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা তাকে দুপুর ৩টার দিকে পুনরায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সার্জারি বিভাগের ডাক্তার ঈমন হোসেন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ডাক্তার ঈমন হোসেন জানিয়েছেন, মৃত মেজবাহর শরীর একাধিক ক্ষত ছিল। ইনফেকশনের বিষক্রিয়া শরীরে ছড়িয়ে পড়ায় তার মৃত্যু হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তর জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

যশোরে প্রতিপক্ষের হামলায় জখম, ১৮ দিন পর যুবকের মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০২:৩৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪

যশোরে মাছের ঘের দখল করাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হাতে আহত মেজবাহ উদ্দিন(৩৫) ১৮ দিন পরে মারা গিয়েছেন। গতকাল সোমবার বিকালে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মেজবাহ উদ্দিন ঝিকরগাছা উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের চাঁন্দা গ্রামের সামছুর রহমানের ছেলে।

মৃতের ছোটভাই আজিম উদ্দিন জানান, গত ১৩মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কায়েমকোলা বাজারে মাছের ঘের দখল করাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ রাসেল, বাবু, ছব্বাত, মিলন, রফিসহ ৫/৬জন তাকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে বাজারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে একটু সুস্থ্য হয়ে উঠলে চিকিৎসক গত ১৭মার্চ দুপুরে তাকে ছাড়পত্র প্রদান করেন। তখন স্বজনরা তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বাড়িতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ১ এপ্রিল সোমবার দুপুরে আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা তাকে দুপুর ৩টার দিকে পুনরায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সার্জারি বিভাগের ডাক্তার ঈমন হোসেন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ডাক্তার ঈমন হোসেন জানিয়েছেন, মৃত মেজবাহর শরীর একাধিক ক্ষত ছিল। ইনফেকশনের বিষক্রিয়া শরীরে ছড়িয়ে পড়ায় তার মৃত্যু হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তর জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।