মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ট্রাফিক পুলিশের পা ধরা সেই মোটরসাইকেল আরোহীর বিষয়ে পুলিশ সুপারের ব্রিফিং

পুলিশ সুপারের ব্রিফিং

ঠাকুরগাঁওয়ে মোটরসাইকেল আরোহীর  ট্রাফিক পুলিশের পা ধরা বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠকের সংবাদ সম্মেলন। জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সদস্যের ট্রাফিক আইনে নিবন্ধন ও হেলমেট বিহীন মোটরসাইকেলের জরিমানা বিষয়ক ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওর বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সকালে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।এসময় মায়ের চিকিৎসার জন্য ওষুধ কেনার বিষয়টি পুরোটাই সাজানো বলে জানান পুলিশ সুপার (এসপি) উত্তম প্রসাদ পাঠক।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক জানান, গত ৩১ মার্চ আনুমানিক ১টার দিকে কালিবাড়ি টিউবওয়েল কর্ণারে টিআই আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে সার্জেন্ট মাসুদ হাসান ও এটিএসআই মোকছেদুজ্জামানসহ অন্য ফোর্স নিয়ে চেকপোস্টের কার্যক্রম পরিচালনাকালে এক ব্যক্তির হেলমেট ও মোটরসাইকেলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় ট্র্যাফিক পুলিশ তাকে জরিমানা করেন। পরবর্তীতে মোটরসাইকেল চালক ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর অন্য এক ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে এসে তাকে (পুলিশ) জেরা করে এবং গোপনে ভিডিও ধারণ করতে থাকে। ভিডিওতে ওই ব্যক্তি কৌশলে টিআই আমজাদ হোসেনের পা ধরে মায়ের চিকিৎসার জন্য ওষুধ কিনতে যাচ্ছিলেন বলে অনুনয়-বিনয় করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে। যা পুরোটাই ছিল সাজানো। এ সময় ওই ব্যক্তি তার মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তির ধারণ করা ভিডিওর অংশবিশেষ শেয়ার করা হলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে প্রকৃতপক্ষে যা ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট।
ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া মোটরসাইকেল চালক তার মায়ের ওষুধ কেনার জন্য যাচ্ছিলেন সংবাদটি সঠিক নয় বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
পুলিশকে জনগণের চোখে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য মিথ্যা ও বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে নাটক সাজিয়ে এটি প্রচার করা হচ্ছে। তাই জনসাধারণকে এই বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানান ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক।
উল্লেখ্য যে, গত ৩১ মার্চ ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকার জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সামনে অসুস্থ মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে মোটরসাইকেল নিয়ে দোকানে যাওয়ার পথে ট্রাফিক পুলিশের চেকপোষ্টের মুখে পড়েন এক মোটরসাইকেল আরোহী এ সময় ট্রাফিক পুলিশের হাত পা ধরে মাফ চাইলেও জরিমানা থেকে রক্ষা পায়নি ওই মোটরসাইকেল আরোহী। আর এমন ঘটনার (২৫ সেকেন্ডের) একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেটিজেনরা।

যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন রনেল

ট্রাফিক পুলিশের পা ধরা সেই মোটরসাইকেল আরোহীর বিষয়ে পুলিশ সুপারের ব্রিফিং

প্রকাশের সময় : ০৯:২২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪
ঠাকুরগাঁওয়ে মোটরসাইকেল আরোহীর  ট্রাফিক পুলিশের পা ধরা বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠকের সংবাদ সম্মেলন। জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সদস্যের ট্রাফিক আইনে নিবন্ধন ও হেলমেট বিহীন মোটরসাইকেলের জরিমানা বিষয়ক ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওর বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সকালে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।এসময় মায়ের চিকিৎসার জন্য ওষুধ কেনার বিষয়টি পুরোটাই সাজানো বলে জানান পুলিশ সুপার (এসপি) উত্তম প্রসাদ পাঠক।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক জানান, গত ৩১ মার্চ আনুমানিক ১টার দিকে কালিবাড়ি টিউবওয়েল কর্ণারে টিআই আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে সার্জেন্ট মাসুদ হাসান ও এটিএসআই মোকছেদুজ্জামানসহ অন্য ফোর্স নিয়ে চেকপোস্টের কার্যক্রম পরিচালনাকালে এক ব্যক্তির হেলমেট ও মোটরসাইকেলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় ট্র্যাফিক পুলিশ তাকে জরিমানা করেন। পরবর্তীতে মোটরসাইকেল চালক ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর অন্য এক ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে এসে তাকে (পুলিশ) জেরা করে এবং গোপনে ভিডিও ধারণ করতে থাকে। ভিডিওতে ওই ব্যক্তি কৌশলে টিআই আমজাদ হোসেনের পা ধরে মায়ের চিকিৎসার জন্য ওষুধ কিনতে যাচ্ছিলেন বলে অনুনয়-বিনয় করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে। যা পুরোটাই ছিল সাজানো। এ সময় ওই ব্যক্তি তার মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তির ধারণ করা ভিডিওর অংশবিশেষ শেয়ার করা হলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে প্রকৃতপক্ষে যা ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট।
ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া মোটরসাইকেল চালক তার মায়ের ওষুধ কেনার জন্য যাচ্ছিলেন সংবাদটি সঠিক নয় বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
পুলিশকে জনগণের চোখে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য মিথ্যা ও বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে নাটক সাজিয়ে এটি প্রচার করা হচ্ছে। তাই জনসাধারণকে এই বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানান ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক।
উল্লেখ্য যে, গত ৩১ মার্চ ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকার জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সামনে অসুস্থ মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে মোটরসাইকেল নিয়ে দোকানে যাওয়ার পথে ট্রাফিক পুলিশের চেকপোষ্টের মুখে পড়েন এক মোটরসাইকেল আরোহী এ সময় ট্রাফিক পুলিশের হাত পা ধরে মাফ চাইলেও জরিমানা থেকে রক্ষা পায়নি ওই মোটরসাইকেল আরোহী। আর এমন ঘটনার (২৫ সেকেন্ডের) একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেটিজেনরা।