মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রেমিক-প্রেমিকার একসঙ্গে বিষপান, প্রেমিকের মৃত্যু

প্রেমিক মুরাদ

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার খাঁড়িতা গ্রামে প্রেমিক-প্রেমিকা বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। এ ঘটনায় প্রেমিক মারা গেছে। তবে বেঁচে গেছে প্রেমিকা। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের বলছেন, প্রেমঘটিত কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) ভোর রাতে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিক মুরাদ মারা যায়। এর আগে গত ৪ এপ্রিল নিজ নিজ বাড়িতে তারা দুজনে বিষপান করেন।
এই প্রেমিক -প্রেমিকা দুইজন হলো মুরাদ শেখ (১৭) ও তাজমিন আক্তার (১৫)। মুরাদ খাঁড়িতা গ্রামের দোলন শেখের ছেলে এবং তাজমিন একই গ্রামের তোজামের মেয়ে। মুরাদ এবার বড়তারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। আর তাজমিন বাকিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
বড়তারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তাহের বলেন, মুরাদ এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। শুনেছি সে আত্নহত্যা করেছে। তবে কি কারণে করেছে এটি জানা নেই।
ওই গ্রামের কয়েকজন বলেন, মুরাদের সাথে একই গ্রামের তাজমিন আক্তারের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু তাদের পরিবার সম্পর্ক মেনে নেয়নি। এজন্য তারা বিষপান করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুরাদের পরিবার তাকে মালেশিয়া পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ঈদের পর দেশের বাইরে যাওয়ার কথা। এরপর তাই দুজন সিদ্ধান্ত নিয়ে গত ৪ এপ্রিল নিজ নিজ বাড়িতে বিষপান করে। তাদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দুইদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তারা বাড়ি ফিরে।
৭ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে মুরাদ আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে প্রেমিক-প্রেমিকার পরিবারের কেউ কথা বলতে চাননি।
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রেমঘটিত কারণে প্রেমিক-প্রেমিকা বিষপান করেছে। প্রেমিক মুরাদ মারা গেছে। আর তাজমিন আক্তার সুস্থ আছে। এ ঘটনায় নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

প্রেমিক-প্রেমিকার একসঙ্গে বিষপান, প্রেমিকের মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০৪:৩২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০২৪
জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার খাঁড়িতা গ্রামে প্রেমিক-প্রেমিকা বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। এ ঘটনায় প্রেমিক মারা গেছে। তবে বেঁচে গেছে প্রেমিকা। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের বলছেন, প্রেমঘটিত কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) ভোর রাতে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিক মুরাদ মারা যায়। এর আগে গত ৪ এপ্রিল নিজ নিজ বাড়িতে তারা দুজনে বিষপান করেন।
এই প্রেমিক -প্রেমিকা দুইজন হলো মুরাদ শেখ (১৭) ও তাজমিন আক্তার (১৫)। মুরাদ খাঁড়িতা গ্রামের দোলন শেখের ছেলে এবং তাজমিন একই গ্রামের তোজামের মেয়ে। মুরাদ এবার বড়তারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। আর তাজমিন বাকিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
বড়তারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তাহের বলেন, মুরাদ এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। শুনেছি সে আত্নহত্যা করেছে। তবে কি কারণে করেছে এটি জানা নেই।
ওই গ্রামের কয়েকজন বলেন, মুরাদের সাথে একই গ্রামের তাজমিন আক্তারের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু তাদের পরিবার সম্পর্ক মেনে নেয়নি। এজন্য তারা বিষপান করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুরাদের পরিবার তাকে মালেশিয়া পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ঈদের পর দেশের বাইরে যাওয়ার কথা। এরপর তাই দুজন সিদ্ধান্ত নিয়ে গত ৪ এপ্রিল নিজ নিজ বাড়িতে বিষপান করে। তাদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দুইদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তারা বাড়ি ফিরে।
৭ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে মুরাদ আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে প্রেমিক-প্রেমিকার পরিবারের কেউ কথা বলতে চাননি।
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রেমঘটিত কারণে প্রেমিক-প্রেমিকা বিষপান করেছে। প্রেমিক মুরাদ মারা গেছে। আর তাজমিন আক্তার সুস্থ আছে। এ ঘটনায় নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।