মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৫ দিনের ছুটির কবলে বেনাপোল বন্দর

বেনাপোল আমদানি রপ্তানি গেট

সাপ্তাহিক ছুটি, পহেলা বৈশাখ ও ঈদ-উল-ফিতরের ছুটির কারণে দীর্ঘ ৫ দিন দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এর ফলে স্থবির হয়ে পড়বে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরের কার্যক্রম।

দেশের অর্থনীতিতে বেনাপোল বন্দরের ভূমিকা অপরিসীম। ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ৯০ ভাগই আসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে। মাত্র সাত দিনের এলসিতে পণ্য আনা যায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে।  তবে এই ৫ দিনে সীমান্তের দুপাশে পন্যবাহী ট্রাকজট বাড়বে বলে মনে করছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা।

বেনাপোলের সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা বলেন, আগামী মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বিকাল থেকে বন্ধ হয়ে যাবে বেনাপোল-পেট্রাপোলের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি।

দু’দেশের সিএন্ডএফ এজেন্টস ও বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটি শুরু হচ্ছে ১০, ১১. ১২ এপ্রিল, শনিবার (১৩ এপ্রিল) সাপ্তাহিক ছুটি, রোববার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখের ছুটি থাকবে। সে কারণে সব মিলিয়ে ৫ দিন ছুটির ফাঁদে পড়তে যাচ্ছে বেনাপোল বন্দর। আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে পুনরায় বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম সচল হবে বলে তিনি জানান।

বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জান বিশ্বাস জানান, পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও স্বাভাবিক থাকবে পাসপোর্টধারীযাত্রীদের যাতায়াত। এ সময় একটু বেশি ভিড় হয়ে থাকে। সে কারণে ইমিগ্রেশনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) রেজাউল করিম জানান, আগামী মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বিকেল থেকে ঈদের ছুটি হয়ে যাচ্ছে। ছুটিতে বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ৮ এপ্রিল ভারত থেকে পণ্য আমদানি হলে সে পণ্য আনলোড করা হবে। ঈদের ছুটির মধ্যে বন্দরে যাতে কোন ধরনের নাশকতামূলক বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বন্দরের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী ও আনসার সদস্যরা দিনে রাতে বন্দর এলাকায় টহল দিবে। পাশাপাশি বেনাপোল পোর্ট থানা কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি বলা হয়েছে। আগামী ১৫ এপ্রিল থকে বন্দরের কর্মতৎপরতা বাড়বে বলে জানান তিনি।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন ভক্ত বলেন, ঈদের ছুটির মধ্যে বন্দর এলাকায় যাতে কোনো অপ্রীতিকর ও দুর্ঘটনা না ঘটে সে জন্য বিশেষ নজরদারি নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন- এসপি 

৫ দিনের ছুটির কবলে বেনাপোল বন্দর

প্রকাশের সময় : ০৫:১৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০২৪
সাপ্তাহিক ছুটি, পহেলা বৈশাখ ও ঈদ-উল-ফিতরের ছুটির কারণে দীর্ঘ ৫ দিন দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এর ফলে স্থবির হয়ে পড়বে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরের কার্যক্রম।

দেশের অর্থনীতিতে বেনাপোল বন্দরের ভূমিকা অপরিসীম। ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ৯০ ভাগই আসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে। মাত্র সাত দিনের এলসিতে পণ্য আনা যায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে।  তবে এই ৫ দিনে সীমান্তের দুপাশে পন্যবাহী ট্রাকজট বাড়বে বলে মনে করছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা।

বেনাপোলের সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা বলেন, আগামী মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বিকাল থেকে বন্ধ হয়ে যাবে বেনাপোল-পেট্রাপোলের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি।

দু’দেশের সিএন্ডএফ এজেন্টস ও বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটি শুরু হচ্ছে ১০, ১১. ১২ এপ্রিল, শনিবার (১৩ এপ্রিল) সাপ্তাহিক ছুটি, রোববার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখের ছুটি থাকবে। সে কারণে সব মিলিয়ে ৫ দিন ছুটির ফাঁদে পড়তে যাচ্ছে বেনাপোল বন্দর। আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে পুনরায় বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম সচল হবে বলে তিনি জানান।

বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জান বিশ্বাস জানান, পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও স্বাভাবিক থাকবে পাসপোর্টধারীযাত্রীদের যাতায়াত। এ সময় একটু বেশি ভিড় হয়ে থাকে। সে কারণে ইমিগ্রেশনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) রেজাউল করিম জানান, আগামী মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বিকেল থেকে ঈদের ছুটি হয়ে যাচ্ছে। ছুটিতে বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ৮ এপ্রিল ভারত থেকে পণ্য আমদানি হলে সে পণ্য আনলোড করা হবে। ঈদের ছুটির মধ্যে বন্দরে যাতে কোন ধরনের নাশকতামূলক বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বন্দরের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী ও আনসার সদস্যরা দিনে রাতে বন্দর এলাকায় টহল দিবে। পাশাপাশি বেনাপোল পোর্ট থানা কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি বলা হয়েছে। আগামী ১৫ এপ্রিল থকে বন্দরের কর্মতৎপরতা বাড়বে বলে জানান তিনি।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন ভক্ত বলেন, ঈদের ছুটির মধ্যে বন্দর এলাকায় যাতে কোনো অপ্রীতিকর ও দুর্ঘটনা না ঘটে সে জন্য বিশেষ নজরদারি নেওয়া হয়েছে।