মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে মিথ্যা মামলার আসামী হলেন সাংবাদিক ‘রাজু চৌধুরী’

একজন পেশাদার সংবাদ কর্মীকে পেশাগত দায়িত্ব পালন কালে উদ্দেশ্য মূলকভাবে মিথ্যা মামালায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা করায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন, তাঁরা বলেন সংবাদ ও তথ্য সংগ্রহ একজন সংবাদ কর্মীর পেশাগত দায়িত্ব ও অধিকার।
উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রামের নন্দন কাননস্থ বৌদ্ধ বিহারে একুশে পদক প্রাপ্ত গুণীজন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর জিনবোধি মহাথের এর উপর গত ৮ মার্চ হামলা ৯ মার্চ সাধারণ বৌদ্ধ জনতার ডাকে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ, সাংবাদিক সম্মেলন এবং নন্দন কাননস্থ বৌদ্ধ বিহারে সংগঠিত বিভিন্ন ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ পত্রিকায় প্রকাশ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে সেখানে উপস্থিত হওয়ায় ডক্টর জিনবোধি মহাথেরর বিরোধী পক্ষ বৌদ্ধ সমিতি নামে একটা সংগঠনের চেয়ারম্যান অজিত রঞ্জন বড়ুয়া চট্টগ্রাম কোর্টে মামলার আর্জিতে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে আবেদন করেন এবং সেখানে ১৪ নং আসামী করেছেন জাতীয় দৈনিক “বাংলাদেশের খবর ” পত্রিকার চট্টগ্রাম ব্যুরোর স্টাফ রিপোর্টার রাজু চৌধুরীকে।
এজাহারে উল্লেখ করেছেন গত ৯ মার্চ চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারে সংগঠিত ঘটনায় রাজু চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন এবং অন্যান্য আসামিদের সাথে বৌদ্ধ সমিতির অফিস থেকে বিশ লক্ষ টাকা ডাকাতি করে বৌদ্ধ সমিতির সুদীপ বড়ুয়া নামে একজনকে আরো চার-পাঁচ জন সহ লাঠি দিয়ে মেরে ছুরি নিয়ে হামলা করেছেন ।
এই ব্যাপারে সংবাদ কর্মী রাজু চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সংবাদ কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারো পরকীয়া প্রেম,আত্মহত্যা, হত্যা, সুদ খোর, মাদক বেপারী, অবৈধ ব্যবসায়ী কারো বিরুদ্ধে নিউজ করলেই মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।
যে কোন ঘটনার তথ্য ও সংবাদ সংগ্রহ আমার পেশাগত দায়িত্ব এবং আমি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী হলেও সেখানে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কারো পক্ষ নিয়ে হামলা, লুট বা মারপিট করার কোন সুযোগ নেই, তাছাড়া সেখানে পুলিশের ঊর্ধতন কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থার লোক সহ প্রচুর মানুষ উপস্থিত ছিলেন, বিহারে সিসি টিভির ক্যামেরা ছিলো, পুলিশরা ভিডিও করেছেন এবং উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিক সবার কাছে ভিডিও ফুটেজ তাই পুলিশ সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করলে সবই পরিষ্কার হয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাবো সঠিক তদন্ত করে সেখানে আসলেই বিশ লক্ষ টাকা ছিলো কিনা, যিনি আমার লাঠির আঘাতে আহত হয়েছেন দাবি করছেন সব প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা হউক, স্বাক্ষী হিসাবে স্বরূপ বিকাশ বড়ুয়া বিতান এবং সপু বড়ুয়া নামে দুই জন দেখানো হয়েছে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রকৃত ঘটনা বর্ণনা দিতে বলা হউক এবং সত্য মিথ্যা যাচাই বাছাই করে কেউ মিথ্যা তথ্য বা মিথ্যা স্বাক্ষী দিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হউক, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে মিথ্যা মামলার আসামী হলেন সাংবাদিক ‘রাজু চৌধুরী’

প্রকাশের সময় : ০৭:১৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪
একজন পেশাদার সংবাদ কর্মীকে পেশাগত দায়িত্ব পালন কালে উদ্দেশ্য মূলকভাবে মিথ্যা মামালায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা করায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন, তাঁরা বলেন সংবাদ ও তথ্য সংগ্রহ একজন সংবাদ কর্মীর পেশাগত দায়িত্ব ও অধিকার।
উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রামের নন্দন কাননস্থ বৌদ্ধ বিহারে একুশে পদক প্রাপ্ত গুণীজন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর জিনবোধি মহাথের এর উপর গত ৮ মার্চ হামলা ৯ মার্চ সাধারণ বৌদ্ধ জনতার ডাকে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ, সাংবাদিক সম্মেলন এবং নন্দন কাননস্থ বৌদ্ধ বিহারে সংগঠিত বিভিন্ন ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ পত্রিকায় প্রকাশ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে সেখানে উপস্থিত হওয়ায় ডক্টর জিনবোধি মহাথেরর বিরোধী পক্ষ বৌদ্ধ সমিতি নামে একটা সংগঠনের চেয়ারম্যান অজিত রঞ্জন বড়ুয়া চট্টগ্রাম কোর্টে মামলার আর্জিতে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে আবেদন করেন এবং সেখানে ১৪ নং আসামী করেছেন জাতীয় দৈনিক “বাংলাদেশের খবর ” পত্রিকার চট্টগ্রাম ব্যুরোর স্টাফ রিপোর্টার রাজু চৌধুরীকে।
এজাহারে উল্লেখ করেছেন গত ৯ মার্চ চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারে সংগঠিত ঘটনায় রাজু চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন এবং অন্যান্য আসামিদের সাথে বৌদ্ধ সমিতির অফিস থেকে বিশ লক্ষ টাকা ডাকাতি করে বৌদ্ধ সমিতির সুদীপ বড়ুয়া নামে একজনকে আরো চার-পাঁচ জন সহ লাঠি দিয়ে মেরে ছুরি নিয়ে হামলা করেছেন ।
এই ব্যাপারে সংবাদ কর্মী রাজু চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সংবাদ কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারো পরকীয়া প্রেম,আত্মহত্যা, হত্যা, সুদ খোর, মাদক বেপারী, অবৈধ ব্যবসায়ী কারো বিরুদ্ধে নিউজ করলেই মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।
যে কোন ঘটনার তথ্য ও সংবাদ সংগ্রহ আমার পেশাগত দায়িত্ব এবং আমি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী হলেও সেখানে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কারো পক্ষ নিয়ে হামলা, লুট বা মারপিট করার কোন সুযোগ নেই, তাছাড়া সেখানে পুলিশের ঊর্ধতন কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থার লোক সহ প্রচুর মানুষ উপস্থিত ছিলেন, বিহারে সিসি টিভির ক্যামেরা ছিলো, পুলিশরা ভিডিও করেছেন এবং উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিক সবার কাছে ভিডিও ফুটেজ তাই পুলিশ সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করলে সবই পরিষ্কার হয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাবো সঠিক তদন্ত করে সেখানে আসলেই বিশ লক্ষ টাকা ছিলো কিনা, যিনি আমার লাঠির আঘাতে আহত হয়েছেন দাবি করছেন সব প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা হউক, স্বাক্ষী হিসাবে স্বরূপ বিকাশ বড়ুয়া বিতান এবং সপু বড়ুয়া নামে দুই জন দেখানো হয়েছে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রকৃত ঘটনা বর্ণনা দিতে বলা হউক এবং সত্য মিথ্যা যাচাই বাছাই করে কেউ মিথ্যা তথ্য বা মিথ্যা স্বাক্ষী দিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হউক, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।