মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

ফেরত আসা নারীরা

ভারতের কারাভোগ শেষে চার বাংলাদেশি নারীকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ। ভালো কাজের প্রলোভনে পড়ে দালালদের মাধ্যমে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে তারা ভারতে যায়।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদেরকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের  হাতে তুলে দেয়। তাদেরকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ফেরত আসা নারীরা হলেন, কোহিনুর খাতুন (২৬), মিম আক্তার (১৯), নুরুন নাহার (২১) ও জান্নাতুল ফেরদৌস ইতি (১৯)। তারা নেত্রকোনা, ঢাকা,পাবনা ও মুন্সিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

ফেরত আসা নারী মিম আক্তার জানান, ভারতে একটি কারখানায় তাকে ভাল কাজ দেয়ার কথা বলে ভারতে নিয়ে যায়। পরে তাকে রেখে দালালরা পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে পুলিশের হাতে আটক হয়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের উপ-পরিদর্শক শফি আহমেদ জানান, ইমিগ্রেশনে কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে এনজিও সংস্থা তাদের গ্রহন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।

ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরল বাংলাদেশি ৪ নারী

প্রকাশের সময় : ০৯:২১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪
ভারতের কারাভোগ শেষে চার বাংলাদেশি নারীকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ। ভালো কাজের প্রলোভনে পড়ে দালালদের মাধ্যমে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে তারা ভারতে যায়।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদেরকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের  হাতে তুলে দেয়। তাদেরকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ফেরত আসা নারীরা হলেন, কোহিনুর খাতুন (২৬), মিম আক্তার (১৯), নুরুন নাহার (২১) ও জান্নাতুল ফেরদৌস ইতি (১৯)। তারা নেত্রকোনা, ঢাকা,পাবনা ও মুন্সিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

ফেরত আসা নারী মিম আক্তার জানান, ভারতে একটি কারখানায় তাকে ভাল কাজ দেয়ার কথা বলে ভারতে নিয়ে যায়। পরে তাকে রেখে দালালরা পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে পুলিশের হাতে আটক হয়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের উপ-পরিদর্শক শফি আহমেদ জানান, ইমিগ্রেশনে কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে এনজিও সংস্থা তাদের গ্রহন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।