মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মোল্লাহাটে নৃত্যশিল্পীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৫

গ্রেপ্তারকৃতরা।

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে এক নৃত্যশিল্পিকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মোল্লাহাট থানার ঘাটবিলা গ্রামে উপজেলা চেয়ারম্যান  শাহিনূল আলম ছানা মিয়ার জমির ওপর পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার দুপুরে পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত ৫ জনকে আটক করেছে। অপর তিনজন পলাতক রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আরমান শেখ (১৯), রাজিব শেখ(১৯),  সোহাগ(১৮),  নাসিম মোল্লা (১৯), করিম (২২)।

মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আশরাফুল আলম জানান, ওই নৃত্যশিল্পী তার স্বামী ও দেড় বছরের সন্তান নিয়ে শুক্রবার রাতে  ফকিরহাট ভাড়া বাসা থেকে মোল্লাহাট থানার সরসপুর গ্রামে হৃদয়ের বোনের বিবাহ উপলক্ষ্যে নাচতে যান। নাচ শেষ করে রাতে পূনরায় তিনি ও তার স্বামী ভিন্ন ভিন্ন মোটরসাইকেলযোগে ফকিরহাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এসময় মোটরসাইকেল চালকরা তার স্বামীকে রেখে নৃত্যশিল্পীকে নিয়ে আগেই রওনা হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান  শাহিনূল আলম ছানা মিয়ার জমির পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরের সামনে পৌঁছায়। নৃত্যশিল্পীকে টিনশেড ঘরে নিয়ে ৮ জন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে তাকে নিয়ে ফকিরহাট রওনা হয়। এসময় ওই নৃত্যশিল্পী পুলিশের টহল গাড়ি দেখে চিৎকার দেয়। এসময় পুলিশের সন্দেহ হলে তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে ৪ জনকে আটক ও ওই নৃত্যশিল্পিকে উদ্ধার করে। পরে অভিযান চালিয়ে আরও  একজনকে আটক করে।

নৃত্যশিল্পি বাদী হয়ে ৮ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে। আসামীদের আদালতে ও ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

মোল্লাহাটে নৃত্যশিল্পীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৫

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৮:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে এক নৃত্যশিল্পিকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মোল্লাহাট থানার ঘাটবিলা গ্রামে উপজেলা চেয়ারম্যান  শাহিনূল আলম ছানা মিয়ার জমির ওপর পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার দুপুরে পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত ৫ জনকে আটক করেছে। অপর তিনজন পলাতক রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আরমান শেখ (১৯), রাজিব শেখ(১৯),  সোহাগ(১৮),  নাসিম মোল্লা (১৯), করিম (২২)।

মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আশরাফুল আলম জানান, ওই নৃত্যশিল্পী তার স্বামী ও দেড় বছরের সন্তান নিয়ে শুক্রবার রাতে  ফকিরহাট ভাড়া বাসা থেকে মোল্লাহাট থানার সরসপুর গ্রামে হৃদয়ের বোনের বিবাহ উপলক্ষ্যে নাচতে যান। নাচ শেষ করে রাতে পূনরায় তিনি ও তার স্বামী ভিন্ন ভিন্ন মোটরসাইকেলযোগে ফকিরহাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এসময় মোটরসাইকেল চালকরা তার স্বামীকে রেখে নৃত্যশিল্পীকে নিয়ে আগেই রওনা হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান  শাহিনূল আলম ছানা মিয়ার জমির পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরের সামনে পৌঁছায়। নৃত্যশিল্পীকে টিনশেড ঘরে নিয়ে ৮ জন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে তাকে নিয়ে ফকিরহাট রওনা হয়। এসময় ওই নৃত্যশিল্পী পুলিশের টহল গাড়ি দেখে চিৎকার দেয়। এসময় পুলিশের সন্দেহ হলে তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে ৪ জনকে আটক ও ওই নৃত্যশিল্পিকে উদ্ধার করে। পরে অভিযান চালিয়ে আরও  একজনকে আটক করে।

নৃত্যশিল্পি বাদী হয়ে ৮ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে। আসামীদের আদালতে ও ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।