মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গৃহবধুকে কুপিয়ে হত্যা, ঘটনায় আটক ৭

আটককৃতরা

লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জের মেঘনা বাজার এলাকায় ঘরে ঢুকে গৃহবধু জোৎস্না আক্তারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৭ জন আসামীকে আটক করেছে র‌্যাব-১১।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) ভোরররাতে লক্ষ্মীপুরে মেঘনা বাজার ও চট্রগামসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাব-১১ এর নোয়াখালী কার্যালয়ের কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোর্শেদ।

আটককৃতরা হলেন- সিরাজ উদ্দিন, এরশাদ হোসেন, রিপন হোসেন, জাকির হোসেন, রিমন হোসেন রাকিব হোসেন ও মো. ইব্রাহিম।

এর আগে মঙ্গলবার নিহত জোৎস্না বেগমের বাবা ইছমাইল হোসেন বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত নামা ৪ জনকে আসামী করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাব-১১ কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোর্শেদ বলেন, হত্যাকান্ডের সাথে আসামীরা জড়িত ছিল। তারা হত্যার দায় স্বীকার করেছে। সবাইকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হবে। অন্য আসামীদেরও আটকের অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, রমজান মাসে ভবানীগঞ্জের মেঘনা বাজার এলাকার আলাউদ্দিনের বসতঘরের পাশের একটি পুকুরে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে মাটি উত্তোলন করে সিরাজ উদ্দিন। এরপর ৪/৫ দিন ওই পুকুরে আবারও পানি নিষ্কাশনের জন্য সেচ পাম্প বসায় সিরাজ। এতে বাড়িঘর পুকুরে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় বাধা দিলে আলাউদ্দিনের সাথে সিরাজের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ বিরোধের জের ধরে সোমবার ভোররাত আলাউদ্দিনের বসতঘরে হামলা চালায় সিরাজ, মাহফুজ ও নিজামসহ ১৫ জনের একটি সংঙ্গবদ্ধ দল।

গৃহবধুকে কুপিয়ে হত্যা, ঘটনায় আটক ৭

প্রকাশের সময় : ০১:২৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪

লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জের মেঘনা বাজার এলাকায় ঘরে ঢুকে গৃহবধু জোৎস্না আক্তারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৭ জন আসামীকে আটক করেছে র‌্যাব-১১।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) ভোরররাতে লক্ষ্মীপুরে মেঘনা বাজার ও চট্রগামসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাব-১১ এর নোয়াখালী কার্যালয়ের কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোর্শেদ।

আটককৃতরা হলেন- সিরাজ উদ্দিন, এরশাদ হোসেন, রিপন হোসেন, জাকির হোসেন, রিমন হোসেন রাকিব হোসেন ও মো. ইব্রাহিম।

এর আগে মঙ্গলবার নিহত জোৎস্না বেগমের বাবা ইছমাইল হোসেন বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত নামা ৪ জনকে আসামী করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাব-১১ কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোর্শেদ বলেন, হত্যাকান্ডের সাথে আসামীরা জড়িত ছিল। তারা হত্যার দায় স্বীকার করেছে। সবাইকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হবে। অন্য আসামীদেরও আটকের অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, রমজান মাসে ভবানীগঞ্জের মেঘনা বাজার এলাকার আলাউদ্দিনের বসতঘরের পাশের একটি পুকুরে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে মাটি উত্তোলন করে সিরাজ উদ্দিন। এরপর ৪/৫ দিন ওই পুকুরে আবারও পানি নিষ্কাশনের জন্য সেচ পাম্প বসায় সিরাজ। এতে বাড়িঘর পুকুরে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় বাধা দিলে আলাউদ্দিনের সাথে সিরাজের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ বিরোধের জের ধরে সোমবার ভোররাত আলাউদ্দিনের বসতঘরে হামলা চালায় সিরাজ, মাহফুজ ও নিজামসহ ১৫ জনের একটি সংঙ্গবদ্ধ দল।