মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরের ২ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি মামলা, ৪৬ জনের চার্জশিট গ্রহণ

২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির মামলার আসামি, ফরিদপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশারফ হোসেনর ভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন ওরফে বাবর এবং ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (বহিস্কৃত) মো. সাজ্জাদ হোসেন মন্ডল ওরফে সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি (বহিস্কৃত) ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আস সামছ জগলুল হোসেন সিআইডির দেওয়া সম্পূরক চার্জশিট গ্রহণ করেন।

এ ছাড়া আদালত পলাতক রুবেল-বরকতের স্ত্রীসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে আগামী ৩০ মে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তারিখ ধার্য করেন আদালত।

মামলার অপর ১০ আসামির মধ্যে সাজ্জাদ হোসেন বরকত, ইমতিয়াজ হাসান রুবেল এবং এ এইচ এম ফুয়াদ কারাগারে আছেন। এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা খন্দকার মোহতেশাম হোসেন ওরফে বাবর, দৈনিক ঢাকা টাইমসের সম্পাদক মোহাম্মাদ আরিফুর রহমান ওরফে দোলন, ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার নাজমুল হাসান লেভী ও শহর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসিবুর রহমান ফারহান, ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ওরফে ফাহিম, কামরুল হাসান ডেবিড ও তরিকুল ইসলাম নাছিম আদালতে হাজিরা দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিরা হলেন নিশান মাহমুদ ওরফে শামীম, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. সিদ্দিকুর রহমান ওরফে সিদ্দিক, মো. সাইফুল ইসলাম জীবন, অনিমেষ রায়, সামচুল আলম চৌধুরী, দিপক মজুমদার, শেখ মাহতাব আলী মেথু, সত্যজিত মুখার্জি, মো. সহিদুল ইসলাম ওরফে মজনু, ফকির মো. বেলায়েত হোসেন, গোলাম মো. নাসির, মো. জামাল আহমেদ ওরফে জামাল, বেলায়েত মোল্লা, মো. আফজাল হোসেন খান ওরফে শিপলু, অমিতাভ বোস, চৌধুরী মো. হাসান, মো. জাফর ইকবাল ওরফে হারুন মন্ডল, আসামি বরকতের স্ত্রী আফরোজা পারভীন, আসামি রুবেলের স্ত্রী সোহেলী ইমরোজ পুনম, সাহেব সারোয়ার, সাজ্জাদ হুসাইন বাবু, স্বপন কুমার পাল, মো. জাহিদ ব্যাপরী, খলিফা কামাল, মো. নাজিমুল হোসেন ওরফে তাপস, রিয়াজ আহমেদ শান্ত, আনোয়ার হোসেন আবু, মোহাম্মাদ মানরুজ্জামান ওরফে মনিরুজ্জামান মামুন, মাফুজুর রহমান মামুন, সুমন সাহা, মো. আব্দুল জলিল সেখ ওরফে জলিল, মো. রফিক মন্ডল, মো. আজমল হোসেন খান ওরফে ছোট আজম, মোহাম্মাদ আলী ওরফে মিনার ও খন্দকার শাহীন আহমেদ ওরফে পান শাহীন।

উল্লেখ্য, এ মামলায় বরকত ও রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে প্রথম চার্জশিট দাখিল হয়। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার ১০ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে যায়। সেখানে এ মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তি দেওয়া এবং স্বীকারোক্তিতে নাম আসা ৪২ জনকে বাদ দেওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন। অধিকতর তদন্তে যাওয়ার পর আরও ৩৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালকে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

২০২১ সালের গত ৩ মার্চ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ কমিশনার (এএসপি) উত্তম কুমার সাহা প্রথম চার্জশিট আদালতে দাখিল করেন।

মামলায় এর আগে দুই সহোদরের ৫ হাজার ৭০৬ বিঘা জমি, ৫৫টি গাড়ি ক্রোক ও ১৮৮টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ফ্রিজের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার বিবরণে বলা হয়, আসামি বরকত ও রুবেল ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালি থানাধীন ব্রাক্ষণকান্দা গ্রামের মৃত আব্দৃস সালাম মন্ডলের ছেলে। তারা প্রথম জীবনে ফরিদপুর জেলার রাজবাড়ী মোড়ে স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা চাঁন খন্দকারের অফিসে চা-পান সরবরাহ করতেন। ১৯৯৪ সালে চাঁন খন্দকরের নির্দেশে এ দুই ভাই ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন খোকনকে নির্মমভাবে হত্যা করে মর্মে বরকতসহ অন্যান্যদের ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়।

পরবর্তীতে মামলাটির তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০০২ সালের পর বরকত ও রুবেল তাদের গুন্ডাবাহিনী নিয়ে ফরিদপুর বাসস্ট্যান্ড, ট্রাকস্ট্যান্ডে ব্যাপকভাবে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা শুরু করে।

মামলায় বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে বরকত ও রুবেল সহোদর ফরিদপুর জেলার এলজিইডি, বিআরটিএ, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, পাসপোর্ট অফিস, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারি তারা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাদের লোকজন দিয়ে পরিচালনা করে অবৈধ পন্থায় কোটি কোটি টাকা চাঁদা করে এবং মাদক ব্যবসায় তাদের মনোনীত লোকজন দিয়ে পরিচালনা করে প্রচুর অংকের টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেন।

মামলায় বলা হয়, ঢাকা শহরের কাফরুল থানাধীন মহাখালী ডিওএইচএস বাড়ি নম্বর-৩১৬, রোড নম্বর-২১, লেভেল নিউ ডিওএইচএস এ অফিস ভাড়া নিয়ে বাংলাদেশের সব এলজিইডি অফিসের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিগত দুই দশকের মধ্যে তারা অর্জিত অবৈধ অর্থের দ্বারা সাউথ লাইন যাত্রী পরিবহনের এসি/ননএসি ২৪টি বাস, ১০টি ট্রাক, দুইটি পাজেরো, দুইটি মাইক্রোবাস, একটি নিশান মিনিবাস। যার অধিকাংশ নম্বরহীন। এ ছাড়া একটি গেস্ট হাউজ, ৮ হাজার বর্গফিটের ওপর নবনির্মিত বিল্ডিং, বরকত এগ্রো প্রাইভেট লিমিটেড, মেসার্স এসবি ডেইরি ফার্ম, নর্থ চ্যানেল বাগানবাড়ী, এসবি ব্রিকফিল্ড, এসবি পাথর ক্রাশিং, এসবি প্রেস, এসবি ট্রেডার্স, বরকত কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ও একটি পেট্রোল পাম্প প্রতিষ্ঠা করেন।

মামলায় বলা হয়, আসামিরা অবৈধ পন্থায় অর্জিত টাকা দ্বারা উল্লেখিত সম্পদের মালিক হয়েছেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের সম্পত্তির মূল্য অনুমান ২ হাজার কোটি টাকা।

পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন- এসপি 

ফরিদপুরের ২ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি মামলা, ৪৬ জনের চার্জশিট গ্রহণ

প্রকাশের সময় : ০৬:১০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির মামলার আসামি, ফরিদপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশারফ হোসেনর ভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন ওরফে বাবর এবং ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (বহিস্কৃত) মো. সাজ্জাদ হোসেন মন্ডল ওরফে সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি (বহিস্কৃত) ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আস সামছ জগলুল হোসেন সিআইডির দেওয়া সম্পূরক চার্জশিট গ্রহণ করেন।

এ ছাড়া আদালত পলাতক রুবেল-বরকতের স্ত্রীসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে আগামী ৩০ মে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তারিখ ধার্য করেন আদালত।

মামলার অপর ১০ আসামির মধ্যে সাজ্জাদ হোসেন বরকত, ইমতিয়াজ হাসান রুবেল এবং এ এইচ এম ফুয়াদ কারাগারে আছেন। এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা খন্দকার মোহতেশাম হোসেন ওরফে বাবর, দৈনিক ঢাকা টাইমসের সম্পাদক মোহাম্মাদ আরিফুর রহমান ওরফে দোলন, ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার নাজমুল হাসান লেভী ও শহর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসিবুর রহমান ফারহান, ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ওরফে ফাহিম, কামরুল হাসান ডেবিড ও তরিকুল ইসলাম নাছিম আদালতে হাজিরা দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিরা হলেন নিশান মাহমুদ ওরফে শামীম, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. সিদ্দিকুর রহমান ওরফে সিদ্দিক, মো. সাইফুল ইসলাম জীবন, অনিমেষ রায়, সামচুল আলম চৌধুরী, দিপক মজুমদার, শেখ মাহতাব আলী মেথু, সত্যজিত মুখার্জি, মো. সহিদুল ইসলাম ওরফে মজনু, ফকির মো. বেলায়েত হোসেন, গোলাম মো. নাসির, মো. জামাল আহমেদ ওরফে জামাল, বেলায়েত মোল্লা, মো. আফজাল হোসেন খান ওরফে শিপলু, অমিতাভ বোস, চৌধুরী মো. হাসান, মো. জাফর ইকবাল ওরফে হারুন মন্ডল, আসামি বরকতের স্ত্রী আফরোজা পারভীন, আসামি রুবেলের স্ত্রী সোহেলী ইমরোজ পুনম, সাহেব সারোয়ার, সাজ্জাদ হুসাইন বাবু, স্বপন কুমার পাল, মো. জাহিদ ব্যাপরী, খলিফা কামাল, মো. নাজিমুল হোসেন ওরফে তাপস, রিয়াজ আহমেদ শান্ত, আনোয়ার হোসেন আবু, মোহাম্মাদ মানরুজ্জামান ওরফে মনিরুজ্জামান মামুন, মাফুজুর রহমান মামুন, সুমন সাহা, মো. আব্দুল জলিল সেখ ওরফে জলিল, মো. রফিক মন্ডল, মো. আজমল হোসেন খান ওরফে ছোট আজম, মোহাম্মাদ আলী ওরফে মিনার ও খন্দকার শাহীন আহমেদ ওরফে পান শাহীন।

উল্লেখ্য, এ মামলায় বরকত ও রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে প্রথম চার্জশিট দাখিল হয়। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার ১০ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে যায়। সেখানে এ মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তি দেওয়া এবং স্বীকারোক্তিতে নাম আসা ৪২ জনকে বাদ দেওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন। অধিকতর তদন্তে যাওয়ার পর আরও ৩৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালকে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

২০২১ সালের গত ৩ মার্চ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ কমিশনার (এএসপি) উত্তম কুমার সাহা প্রথম চার্জশিট আদালতে দাখিল করেন।

মামলায় এর আগে দুই সহোদরের ৫ হাজার ৭০৬ বিঘা জমি, ৫৫টি গাড়ি ক্রোক ও ১৮৮টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ফ্রিজের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার বিবরণে বলা হয়, আসামি বরকত ও রুবেল ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালি থানাধীন ব্রাক্ষণকান্দা গ্রামের মৃত আব্দৃস সালাম মন্ডলের ছেলে। তারা প্রথম জীবনে ফরিদপুর জেলার রাজবাড়ী মোড়ে স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা চাঁন খন্দকারের অফিসে চা-পান সরবরাহ করতেন। ১৯৯৪ সালে চাঁন খন্দকরের নির্দেশে এ দুই ভাই ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন খোকনকে নির্মমভাবে হত্যা করে মর্মে বরকতসহ অন্যান্যদের ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়।

পরবর্তীতে মামলাটির তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০০২ সালের পর বরকত ও রুবেল তাদের গুন্ডাবাহিনী নিয়ে ফরিদপুর বাসস্ট্যান্ড, ট্রাকস্ট্যান্ডে ব্যাপকভাবে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা শুরু করে।

মামলায় বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে বরকত ও রুবেল সহোদর ফরিদপুর জেলার এলজিইডি, বিআরটিএ, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, পাসপোর্ট অফিস, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারি তারা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাদের লোকজন দিয়ে পরিচালনা করে অবৈধ পন্থায় কোটি কোটি টাকা চাঁদা করে এবং মাদক ব্যবসায় তাদের মনোনীত লোকজন দিয়ে পরিচালনা করে প্রচুর অংকের টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেন।

মামলায় বলা হয়, ঢাকা শহরের কাফরুল থানাধীন মহাখালী ডিওএইচএস বাড়ি নম্বর-৩১৬, রোড নম্বর-২১, লেভেল নিউ ডিওএইচএস এ অফিস ভাড়া নিয়ে বাংলাদেশের সব এলজিইডি অফিসের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিগত দুই দশকের মধ্যে তারা অর্জিত অবৈধ অর্থের দ্বারা সাউথ লাইন যাত্রী পরিবহনের এসি/ননএসি ২৪টি বাস, ১০টি ট্রাক, দুইটি পাজেরো, দুইটি মাইক্রোবাস, একটি নিশান মিনিবাস। যার অধিকাংশ নম্বরহীন। এ ছাড়া একটি গেস্ট হাউজ, ৮ হাজার বর্গফিটের ওপর নবনির্মিত বিল্ডিং, বরকত এগ্রো প্রাইভেট লিমিটেড, মেসার্স এসবি ডেইরি ফার্ম, নর্থ চ্যানেল বাগানবাড়ী, এসবি ব্রিকফিল্ড, এসবি পাথর ক্রাশিং, এসবি প্রেস, এসবি ট্রেডার্স, বরকত কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ও একটি পেট্রোল পাম্প প্রতিষ্ঠা করেন।

মামলায় বলা হয়, আসামিরা অবৈধ পন্থায় অর্জিত টাকা দ্বারা উল্লেখিত সম্পদের মালিক হয়েছেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের সম্পত্তির মূল্য অনুমান ২ হাজার কোটি টাকা।