বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চিকিৎসা করাতে এনে আবাসিক হোটেলে কিশোরীকে ধর্ষণ

প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত

বরিশালে কিশোরী ধর্ষণের দায়ে বাছিরউদ্দিন জমাদ্দার নামের এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল। একই আদেশে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সোমবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে আসামির উপস্থিতিতে বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন এ রায় দেন।

দণ্ডিত বাছিরউদ্দিন জমাদ্দার ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার বড় প্রমহর গ্রামের মৃত আব্দুল মালেক জমাদ্দারের ছেলে।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী কাজী হুমায়ুন কবির বলেন, ২০১২ সালের ৫ নভেম্বর গরিব ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে কিশোরীর চিকিৎসার জন্য তার দূর সম্পর্কের আত্মীয় আসামি বাছির বরিশাল নগরীতে নিয়ে আসে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে বান্দ রোডের আবাসিক হোটেল সাউথ বেঙ্গলের ১৫ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেয়। ওই হোটেল কক্ষে কিশোরীকে ধর্ষণ করে।

৬ নভেম্বর ভোরে পালিয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানায় ভুক্তভোগী। পুলিশ এসে বাছিরকে গ্রেপ্তার এবং কিশোরীকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ওই দিন কিশোরী বাদী হয়ে অভিযুক্তকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করে।

২০১৩ সালের ৮ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসিসির এসআই সেলিম খান বাছিরকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেন। সাত জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক এই রায় দেন।

চিকিৎসা করাতে এনে আবাসিক হোটেলে কিশোরীকে ধর্ষণ

প্রকাশের সময় : ০৫:০৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪

বরিশালে কিশোরী ধর্ষণের দায়ে বাছিরউদ্দিন জমাদ্দার নামের এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল। একই আদেশে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সোমবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে আসামির উপস্থিতিতে বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন এ রায় দেন।

দণ্ডিত বাছিরউদ্দিন জমাদ্দার ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার বড় প্রমহর গ্রামের মৃত আব্দুল মালেক জমাদ্দারের ছেলে।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী কাজী হুমায়ুন কবির বলেন, ২০১২ সালের ৫ নভেম্বর গরিব ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে কিশোরীর চিকিৎসার জন্য তার দূর সম্পর্কের আত্মীয় আসামি বাছির বরিশাল নগরীতে নিয়ে আসে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে বান্দ রোডের আবাসিক হোটেল সাউথ বেঙ্গলের ১৫ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেয়। ওই হোটেল কক্ষে কিশোরীকে ধর্ষণ করে।

৬ নভেম্বর ভোরে পালিয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানায় ভুক্তভোগী। পুলিশ এসে বাছিরকে গ্রেপ্তার এবং কিশোরীকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ওই দিন কিশোরী বাদী হয়ে অভিযুক্তকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করে।

২০১৩ সালের ৮ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসিসির এসআই সেলিম খান বাছিরকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেন। সাত জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক এই রায় দেন।