প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ১৮, ২০২৬, ৭:৫৬ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ২৪, ২০২৪, ৮:০৭ পি.এম
ঝিকরগাছায় বাড়িতে ঢুকে ভাংচুর, থানায় অভিযোগ

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালি ইউনিয়নের বামনালি (বাওসা পাড়া) গ্রামে বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ পূর্বক ইটের গাঁথুনি ও পানি নিষ্কাশন পাইপ ভাংচুর করার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃত মুন্তাজ আলী ভূইয়ার ছেলে রবিউল ইসলাম। উক্ত ঘটনায় বিবাদী করা হয়েছে একই গ্রামের মৃত আসলাম গাজীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৬০), দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী খাদিজা বেগম (৫৫) এবং তাদের মেয়ে হোসনে আরা ওরফ শিল্পী (৩৫) কে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, বিবাদী ও বাদী পরস্পরের আত্মীয়। বাদী ঝিকরগাছার ৭৪ নং মৌজায় ৪১ নং খতিয়ানের ১৮৮ নং দাগে পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত ৭৪ শতক জমিতে একতলা বাড়ি নির্মাণ করে তিন পুরুষ ধরে ভোগদখলে আছেন। এখন বাদী রবিউল ইসলাম তার জমিতে সীমানা প্রাচীর এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রাচীরের গা দিয়ে পাইপ স্হাপন করার সময় সোমবার (২২ এপ্রিল) বিবাদীগন ইটের গাঁথুনি ও পাইপ ভাংচুর করে ফেলে। সেই সাথে এই ঘটনা নিয়ে থানা পুলিশ বা আইন আদালত করলে জীবন নাশের হুমকি প্রদর্শন করে। এছাড়াও অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে ১ ও ২ নং বিবাদীর ছেলে আব্দুল কাদের ২০০৩ সালে বাদী রবিউল ইসলামের ৫ বছর বয়সী মেয়ে আসমাকে ধর্ষণ করে হত্যা করে। সেই মামলায় বিবাদীর ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। এর প্রতিশোধ নিতে বিবাদীগন ক্ষয়ক্ষতি করবে এই আশংকা বোধ করছেন।
অভিযোগের ৩নং বিবাদী নবীবনগর মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হোসনে আরা ওরফে শিল্পী এই প্রতিবেদককে জানান উক্ত অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বাদী নিজেই এসব ঘটনা ঘটিয়ে তাদের উপর দোষ চাপিয়েছেন।
ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন ভুইঁয়া বলেন, একটা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho