মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিটিআরসির লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানকে গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে হবে–পলক

গ্রাহকের অজান্তে অব্যবহৃত ব্যান্ডউইথ বা ব্যালান্স কোনো মোবাইল অপারেটর বা কোম্পানি যাতে কাটতে না পারে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বিটিআরসিকে নির্দেশনা দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এ সময় বিটিআরসির লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করা এবং সব নাগরিকের তথ্য ও নেটওয়ার্ক সুরক্ষার জন্য নিয়মিত ফাইন্যান্সিয়াল অডিটের পাশাপাশি এক্সটার্নাল আইটি অডিট নিশ্চিত করতে বিটিআরসিকে নির্দেশ দেন তিনি।

বুধবার (৮ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি মিলনায়তনে টেলিযোগাযোগ সেবা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে বিটিআরসির গণশুনানিতে প্রতিষ্ঠানটিকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

পলক আরও বলেন, ‘বিদ্যমান টেলিযোগাযোগ আইনকে আমরা বর্তমান চাহিদা এবং ভবিষ্যতের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে আধুনিক ও ভবিষ্যৎমুখী আইন হিসেবে প্রণয়ন করতে যাচ্ছি। এখানে ২০১০-এর সর্বশেষ সংশোধনী অনুসারেই বিটিআরসির কর্মপরিধি এবং দায়িত্ব নির্ধারিত থাকবে। আমরা রেগুলেশনের সঙ্গে ইনোভেশনকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করছি। উদ্ভাবনী সেবার প্রয়োগের মধ্য দিয়ে আমরা বিটিআরসির আয় বাড়াতে পারব।’

প্রতিমন্ত্রী সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি সম্পর্কে গৃহীত উদ্যোগ তুলে ধরে শুনানিতে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে চাই না, আপনাদের অভিযোগ ও পরামর্শগুলো শুনে কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করার সক্ষমতা বিটিআরসির রয়েছে। টেলিটককে অন্যান্য মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে তাদের সহযোগী হিসেবে এবং বিটিসিএলের অবকাঠামো বেসরকারি খাতের প্রয়োজনে ব্যবহার করাসহ আমরা প্রাইভেট-পাবলিক পার্টনারশিপের ভিত্তিতে কাজ করতে চাই। অল্প সম্পদ ব্যবহার করে বেশি সুবিধা পাওয়ার জন্য আমরা ইতোমধ্যে টাওয়ার শেয়ারিং গাইডলাইন বাস্তবায়ন করেছি।’

বিটিআরসির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মহিউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিটিআরসির কমিশনার ও মহাপরিচালকরা গণশুনানিতে অংশগ্রহণ করেন। সংশ্লিষ্ট সরকারি-আধা সরকারি-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, গ্রাহক, বাংলাদেশের ভোক্তা সংঘ, বিভিন্ন পেশাজীবীসহ আগ্রহী ব্যক্তিরা এতে অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি যারা সশরীরে উপস্থিত হতে পারেননি, তাদের জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়।

বিটিআরসির লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানকে গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে হবে–পলক

প্রকাশের সময় : ১০:২৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মে ২০২৪

গ্রাহকের অজান্তে অব্যবহৃত ব্যান্ডউইথ বা ব্যালান্স কোনো মোবাইল অপারেটর বা কোম্পানি যাতে কাটতে না পারে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বিটিআরসিকে নির্দেশনা দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এ সময় বিটিআরসির লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করা এবং সব নাগরিকের তথ্য ও নেটওয়ার্ক সুরক্ষার জন্য নিয়মিত ফাইন্যান্সিয়াল অডিটের পাশাপাশি এক্সটার্নাল আইটি অডিট নিশ্চিত করতে বিটিআরসিকে নির্দেশ দেন তিনি।

বুধবার (৮ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি মিলনায়তনে টেলিযোগাযোগ সেবা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে বিটিআরসির গণশুনানিতে প্রতিষ্ঠানটিকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

পলক আরও বলেন, ‘বিদ্যমান টেলিযোগাযোগ আইনকে আমরা বর্তমান চাহিদা এবং ভবিষ্যতের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে আধুনিক ও ভবিষ্যৎমুখী আইন হিসেবে প্রণয়ন করতে যাচ্ছি। এখানে ২০১০-এর সর্বশেষ সংশোধনী অনুসারেই বিটিআরসির কর্মপরিধি এবং দায়িত্ব নির্ধারিত থাকবে। আমরা রেগুলেশনের সঙ্গে ইনোভেশনকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করছি। উদ্ভাবনী সেবার প্রয়োগের মধ্য দিয়ে আমরা বিটিআরসির আয় বাড়াতে পারব।’

প্রতিমন্ত্রী সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি সম্পর্কে গৃহীত উদ্যোগ তুলে ধরে শুনানিতে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে চাই না, আপনাদের অভিযোগ ও পরামর্শগুলো শুনে কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করার সক্ষমতা বিটিআরসির রয়েছে। টেলিটককে অন্যান্য মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে তাদের সহযোগী হিসেবে এবং বিটিসিএলের অবকাঠামো বেসরকারি খাতের প্রয়োজনে ব্যবহার করাসহ আমরা প্রাইভেট-পাবলিক পার্টনারশিপের ভিত্তিতে কাজ করতে চাই। অল্প সম্পদ ব্যবহার করে বেশি সুবিধা পাওয়ার জন্য আমরা ইতোমধ্যে টাওয়ার শেয়ারিং গাইডলাইন বাস্তবায়ন করেছি।’

বিটিআরসির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মহিউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিটিআরসির কমিশনার ও মহাপরিচালকরা গণশুনানিতে অংশগ্রহণ করেন। সংশ্লিষ্ট সরকারি-আধা সরকারি-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, গ্রাহক, বাংলাদেশের ভোক্তা সংঘ, বিভিন্ন পেশাজীবীসহ আগ্রহী ব্যক্তিরা এতে অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি যারা সশরীরে উপস্থিত হতে পারেননি, তাদের জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়।