মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশর পরাজয় জিম্বাবুয়ের কাছে

মিরপুরে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে উড়িয়ে দিয়ে ৮ উইকেটের সান্ত্বনার জয় পেয়েছে জিম্বাবুয়ে। ব্রায়ান বেনেট ও সিকান্দার রাজার জোড়া ফিফটিতে স্বাগতিকদের দেওয়া ১৫৮ রানের লক্ষ্য ৯ বল হাতে রেখেই তাড়া করেছে সফরকারীরা।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দুই ওপেনার তাদিওয়ানাশে মারুমানি ও বেনেটের ওপেনিং জুটিতেই ভালো শুরু পায় জিম্বাবুয়ে। ২৫ বলে ৩৮ রান তোলেন দুজনে। এর মধ্যে মাত্র ৭ বলে ১ রান মারুমানির। একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখে গেছেন শুধু বেনেটের তাণ্ডব। মারুমানিকে ফিরিয়ে বাংলাদেশ দলকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন সাকিব আল হাসান।

দ্বিতীয় উইকেটে বেনেট-রাজার ৭৫ রানের জুটিতে জয়টা আরও সহজ হয়ে যায় জিম্বাবুয়ের। দলীয় ১১৩ রানে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের শিকার হন বেনেট। ৫টি করে ছক্কা ও চারে ৪৯ বলে ৭৯ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে।

তৃতীয় উইকেটে জোনাথন ক্যাম্পবেলকে নিয়ে ২০ বলে ৪৫ রানের আরেকটি কার্যকর জুটি গড়েন অধিনায়ক রাজা। এ জুটিতেই নিশ্চিত হয়ে যায় দলের জয়। ৪৬ বলে ৭২ রানে অপরাজিত থাকেন রাজা। মেরেছেন ৬টি চার ও ৪টি ছক্কা। ক্যাম্পবেল করেছেন ৮ রান।

বাংলাদেশের বোলিংয়ে সাকিব ছাড়া কেউই সেভাবে ভালো করতে পারেননি। ৪ ওভার ৯ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। সাইফউদ্দিন ছিলেন সবচেয়ে খরুচে। ৫৫ রান দিয়ে তাঁর শিকার ১ টি।

এর মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতেও টস জিতে বাংলাদেশ দলকে আগে ব্যাটিংয়ের সুযোগ করে দেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। কিন্তু ব্যাটিংয়ে নেমে ১৫ রানেই ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শুরুতেই সেই ব্যাটিং ধস। শেষ ম্যাচে একাদশে ফিরে দলের বিপর্যয়ে ঢাল হলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। করেছেন দারুণ এক ফিফটি। নাজমুল হোসেন শান্ত ও জাকের আলি অনিক খেলেছেন কার্যকর দুটি ইনিংস। এর সৌজন্যে শুরুর ধস সামলে ৬ উইকেটে ১৫৭ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ দল।

চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে তানজিদ হাসান তামিম-সৌম্য সরকারের জুটিতেই ১০১ রান তুলেছিল স্বাগতিকেরা। আজ এ দুই বাঁহাতির ওপেনিং জুটি পুরোপুরি ব্যর্থ। ৯ রানেই ফেরেন দুজনে। সৌম্যর ব্যাট থেকে এসেছে ৭ রান, তামিম করেছেন ২।

দলীয় ১৫ রানে তাওহীদ হৃদয়ের বিদায়ে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ দল। চতুর্থ উইকেটে দেখেশুনে ব্যাট চালিয়ে শান্ত-মাহমুদউল্লাহ শুরুর চাপ সামলানোর চেষ্টা করেন। দুজনের ৬৯ রানের জুটিতে ম্যাচেও দারুণভাবে ফেরে বাংলাদেশ। ৮৪ রানে শান্ত আউট হলে ভাঙে এ জুটি। ২৮ বলে ৩৬ রানে আউট হন শান্ত।

৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৪ বলে ৫৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন মাহমুদউল্লাহ। সাকিব আল হাসান ফেরেন ১৭ বলে ২১ রান করে। শেষ দিকে জাকের ১১ বলে ২৪ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৬ রানে অপরাজিত থাকেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন ব্লেসিং মুজারাবানি-ব্রায়ান বেনেট।

শুরুর ধস সামলে জিম্বাব্বুয়েকে ১৫৮ রানের চ্যালেঞ্জ ছুড়েছে বাংলাদেশ। শেষ দিকে ক্যামিও ইনিংস খেলেন জাকের আলী অনিক। তার ব্যাট থেকে আসে ১১ বলে ২৪ রান। সাইফউদ্দিন ৪ বলে ৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ১৫৭ রান করে।

বাংলাদেশর পরাজয় জিম্বাবুয়ের কাছে

প্রকাশের সময় : ০১:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

মিরপুরে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে উড়িয়ে দিয়ে ৮ উইকেটের সান্ত্বনার জয় পেয়েছে জিম্বাবুয়ে। ব্রায়ান বেনেট ও সিকান্দার রাজার জোড়া ফিফটিতে স্বাগতিকদের দেওয়া ১৫৮ রানের লক্ষ্য ৯ বল হাতে রেখেই তাড়া করেছে সফরকারীরা।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দুই ওপেনার তাদিওয়ানাশে মারুমানি ও বেনেটের ওপেনিং জুটিতেই ভালো শুরু পায় জিম্বাবুয়ে। ২৫ বলে ৩৮ রান তোলেন দুজনে। এর মধ্যে মাত্র ৭ বলে ১ রান মারুমানির। একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখে গেছেন শুধু বেনেটের তাণ্ডব। মারুমানিকে ফিরিয়ে বাংলাদেশ দলকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন সাকিব আল হাসান।

দ্বিতীয় উইকেটে বেনেট-রাজার ৭৫ রানের জুটিতে জয়টা আরও সহজ হয়ে যায় জিম্বাবুয়ের। দলীয় ১১৩ রানে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের শিকার হন বেনেট। ৫টি করে ছক্কা ও চারে ৪৯ বলে ৭৯ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে।

তৃতীয় উইকেটে জোনাথন ক্যাম্পবেলকে নিয়ে ২০ বলে ৪৫ রানের আরেকটি কার্যকর জুটি গড়েন অধিনায়ক রাজা। এ জুটিতেই নিশ্চিত হয়ে যায় দলের জয়। ৪৬ বলে ৭২ রানে অপরাজিত থাকেন রাজা। মেরেছেন ৬টি চার ও ৪টি ছক্কা। ক্যাম্পবেল করেছেন ৮ রান।

বাংলাদেশের বোলিংয়ে সাকিব ছাড়া কেউই সেভাবে ভালো করতে পারেননি। ৪ ওভার ৯ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। সাইফউদ্দিন ছিলেন সবচেয়ে খরুচে। ৫৫ রান দিয়ে তাঁর শিকার ১ টি।

এর মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতেও টস জিতে বাংলাদেশ দলকে আগে ব্যাটিংয়ের সুযোগ করে দেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। কিন্তু ব্যাটিংয়ে নেমে ১৫ রানেই ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শুরুতেই সেই ব্যাটিং ধস। শেষ ম্যাচে একাদশে ফিরে দলের বিপর্যয়ে ঢাল হলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। করেছেন দারুণ এক ফিফটি। নাজমুল হোসেন শান্ত ও জাকের আলি অনিক খেলেছেন কার্যকর দুটি ইনিংস। এর সৌজন্যে শুরুর ধস সামলে ৬ উইকেটে ১৫৭ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ দল।

চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে তানজিদ হাসান তামিম-সৌম্য সরকারের জুটিতেই ১০১ রান তুলেছিল স্বাগতিকেরা। আজ এ দুই বাঁহাতির ওপেনিং জুটি পুরোপুরি ব্যর্থ। ৯ রানেই ফেরেন দুজনে। সৌম্যর ব্যাট থেকে এসেছে ৭ রান, তামিম করেছেন ২।

দলীয় ১৫ রানে তাওহীদ হৃদয়ের বিদায়ে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ দল। চতুর্থ উইকেটে দেখেশুনে ব্যাট চালিয়ে শান্ত-মাহমুদউল্লাহ শুরুর চাপ সামলানোর চেষ্টা করেন। দুজনের ৬৯ রানের জুটিতে ম্যাচেও দারুণভাবে ফেরে বাংলাদেশ। ৮৪ রানে শান্ত আউট হলে ভাঙে এ জুটি। ২৮ বলে ৩৬ রানে আউট হন শান্ত।

৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৪ বলে ৫৪ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন মাহমুদউল্লাহ। সাকিব আল হাসান ফেরেন ১৭ বলে ২১ রান করে। শেষ দিকে জাকের ১১ বলে ২৪ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৬ রানে অপরাজিত থাকেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন ব্লেসিং মুজারাবানি-ব্রায়ান বেনেট।

শুরুর ধস সামলে জিম্বাব্বুয়েকে ১৫৮ রানের চ্যালেঞ্জ ছুড়েছে বাংলাদেশ। শেষ দিকে ক্যামিও ইনিংস খেলেন জাকের আলী অনিক। তার ব্যাট থেকে আসে ১১ বলে ২৪ রান। সাইফউদ্দিন ৪ বলে ৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ১৫৭ রান করে।