মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বেশি কিশমিশ খেলে যেসব ক্ষতি হতে পারে

কিশমিশ একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও উপকারী ড্রাই ফ্রুট। আয়রন, ফাইবার, প্রোটিন, ক্যালসিয়ামের মতো অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান এতে পাওয়া যায় যা শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু বেশি পরিমাণে কিশমিশ খাওয়া ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে শর্করা এবং ক্যালোরি থাকে।

তাই, প্রতিদিন সীমিত পরিমাণে কিশমিশ খাওয়া উচিত যাতে এটি শরীরের ক্ষতি না করে। দিনে অর্ধেক কাপ থেকে বড়জোর এক কাপ কিশমিশ খেলেই যথেষ্ট। অর্থাৎ ২৫-৫০ গ্রাম কিশমিশ খাওয়া উপকারী হতে পারে। বেশি পরিমাণে কিশমিশ খাওয়া ক্ষতিকর হতে পারে।

জেনে নিন বেশি পরিমাণে কিশমিশ খেলে যেসব সমস্যা হতে পারে-

কিশমিশে প্রাকৃতিক সুগার থাকে। যার অতিরিক্ত পরিমাণ রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যার জেরে ডায়াবেটিস হতে পারে।

কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি এবং কার্বোহাইড্রেট থাকে। তাই কিশমিশ বেশি খেলে ওজন বাড়তে পারে।

বেশি কিশমিশ খেলে অ্যালার্জির মতো সমস্যা হতে পারে, যা শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে।

কিশমিশে ফাইবার এবং ফ্রুক্টোজের মতো উপাদান বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় যা পরিপাকতন্ত্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

বেশি পরিমাণে কিশমিশ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস এবং ক্র্যাম্পের মতো সমস্যা হতে পারে।

বেশি কিশমিশ খেলে যেসব ক্ষতি হতে পারে

প্রকাশের সময় : ০৫:০১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

কিশমিশ একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও উপকারী ড্রাই ফ্রুট। আয়রন, ফাইবার, প্রোটিন, ক্যালসিয়ামের মতো অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান এতে পাওয়া যায় যা শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু বেশি পরিমাণে কিশমিশ খাওয়া ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে শর্করা এবং ক্যালোরি থাকে।

তাই, প্রতিদিন সীমিত পরিমাণে কিশমিশ খাওয়া উচিত যাতে এটি শরীরের ক্ষতি না করে। দিনে অর্ধেক কাপ থেকে বড়জোর এক কাপ কিশমিশ খেলেই যথেষ্ট। অর্থাৎ ২৫-৫০ গ্রাম কিশমিশ খাওয়া উপকারী হতে পারে। বেশি পরিমাণে কিশমিশ খাওয়া ক্ষতিকর হতে পারে।

জেনে নিন বেশি পরিমাণে কিশমিশ খেলে যেসব সমস্যা হতে পারে-

কিশমিশে প্রাকৃতিক সুগার থাকে। যার অতিরিক্ত পরিমাণ রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যার জেরে ডায়াবেটিস হতে পারে।

কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি এবং কার্বোহাইড্রেট থাকে। তাই কিশমিশ বেশি খেলে ওজন বাড়তে পারে।

বেশি কিশমিশ খেলে অ্যালার্জির মতো সমস্যা হতে পারে, যা শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে।

কিশমিশে ফাইবার এবং ফ্রুক্টোজের মতো উপাদান বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় যা পরিপাকতন্ত্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

বেশি পরিমাণে কিশমিশ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস এবং ক্র্যাম্পের মতো সমস্যা হতে পারে।