মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কেশবপুর থানার ওসি ও চেয়ারম্যানসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা

যশোরের কেশবপুর থানার ওসি ও নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ওসির রুমে আটকে রেখে চাঁদাদাবির অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলাটি করেছেন কেশবপুর মধ্যকুল গ্রামের নুর মোহাম্মদ সরদারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম। আসামিরা হলেন, কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জহির উদ্দিন, কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান মফিজ ও আলতাপোল গ্রামের সেলিমুজ্জামান আসাদ। বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সালমান আহমেদ শুভ অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার উর্ধ্বোতন কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী ফিরোজ হক।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, জাহাঙ্গীর আলম একজন ঘের ব্যবসায়ী। তিনি ২০২৪ সালের ২১ জানুয়ারি মধ্যকুল মৌজায় ৪শ’৫০ বিঘা জমি ২শ’১৪ জন মালিকের কাছথেকে এককোটি আশিলাখ টাকা চুক্তিতে পাচ বছরের জন্য লিজ নেন। এবং সেখানে মাছ চাষ করে আসছেন। ওই জমির গা ঘেষে মফিজুর রহমান মফিজ ১শ’ কৃষকের কাছথেকে তাদের জমি লিজ ঘের করার জন্য চুক্তি করেন। গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মফিজ ও আসাদ বাদী জাহাঙ্গীরের লিজ নেয়া জমি তাদের কাছে হস্তান্তরের জন্য হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। এ বিষয় নিয়ে বাদী কেশবপুর থানায় জিডি করতে গেলে থানা তা গ্রহণ করেনা। সর্বশেষ গত পহেলা মে থানার পুলিশ কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম ও আবুল হোসেন জোরপূর্বক জাহাঙ্গীরকে বাড়ি থেকে থানায় ওসির রুমে নিয়ে যান। সেখানে যেয়ে দেখেন তিন আসামিই উপস্থিত রয়েছেন। এসময় ওসি জহির বাদীকে তার জমি অপর মফিজ ও আসাদকে হস্তান্তর করতে বলেন। রাজি না হওয়ায় বলে ১৫ দিনের মধ্যে জমি হস্তান্তর করতে হবে অন্যথায় গুলি করে হত্যা করে ক্রস ফায়ারের নামে চালিয়ে দেয়া হবে। শেষমেষ তাকে ধাক্কা মেরে থানা থেকে বের করে দেয়া হয় বলে বাদী মামলায় উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে কেশবপুর থানার ওসি জহির উদ্দিনের কাছে জানতে তার মোবাইলে একাধিক বার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান মফিজের মোবাইলে ফোন করলে তিনিও বলেন, নেটওয়ার্কের সমস্যার মধ্যে রয়েছি। এ বিষয়ে আপনার সাথে পরে কথা বলবো।

যশোরে ৯ কেজি গাঁজার সহ দুই মাদক কারবারি আটক

র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের সদস্যরা নয় কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারীকে আটক করেছে। তারা হলো, সদর উপজেলার রাজারহাট সীতরামপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলী হাওলাদার এবং রাজাপুর গ্রামের জাহিদ হাসান ওরফে সোহাগ মোল্লা ।

র‌্যাবের এসআই কামরুল হাসান জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টা দিকে গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে সীতারামপুর গ্রামের মোক্তার হুজুরের বাড়ির পূর্ব পাশে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়। পরে মোহাম্মদ আলী হাওলাদারের কাছে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে নয় কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজার মূল্য এক লাখ ৮০ হাজার টাকা। এই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা হয়েছে।                        যশোর আদালতে টাউট উচ্ছেদ অভিযান, পরিচয়পত্র ও ডায়েরি জব্দ করে আল্টিমেটাম

যশোরে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গনে টাউট উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে আইনজীবী সহকারী সমিতির নেতৃবৃন্দ। বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে শুরু করে দুই ঘন্টা ব্যপী এ অভিযান চলে। আইনজীবী সহকারী পরিচয় দেয়া কয়েকজন টাউটকে ধরে তাদের কাছথেকে ডায়েরী কেড়ে নেয়া হয়। এছাড়া কয়েকজনের কাছথেকে পরিচয়পত্র কেড়ে নেয়া হয়। সকলকে শেষ বারের মত সতর্ক করা হয়। এরবাইরেও যারা নির্ধারিত ড্রেস কোড না মেনে আদালতে প্রবেশ করে তাদেরকে ভৎসনা করা হয়।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টায় জেলা আইনজীবী সহকারি সমিতির সভাপতি ওমর আলী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাজিদের নেতৃত্বে একটি টিম প্রথমেই হাজতখানার সামনে যান। সেখানে ঘুরে দেখেন। সেখানে থাকা দুইজন টাউটকে ধরে সতর্ক করেন। এসময় একজনের কাছ থেকে মেয়াদ উত্তির্ণ ও একজনের কাছথেকে জাল পরিচয়পত্র উদ্ধার করেন। পরবর্তিতে তারা আদালতের প্রত্যেকটি এজলাসের সামনে যেয়ে টাউটদের চিহ্নিত করেন। তারা দেখতে পান অনেকেই আইনজীবী সহকারীই না। অথচ তারা সহকারীদের ড্রেস পরে ঘুরে বেরাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ আইনজীবী সহকারী হলেও তাদের কাছে নেই কোনো পরিচয় পত্র এমনকি ড্রেসও পড়া নেই। এছাড়া কয়েকজন আইনজীবী সহকারীকে পাওয়া যায় তারা নিজেরাই কয়েকজন সহকারী তৈরী করে আদালত চত্তরে ঘুরে বেরাচ্ছেন। এমন কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়। পরবর্তিতে জেলা আইনজীবী সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জুলফিকার আলী জুলু তাদের সাথে যুক্ত হন। এবার তারা মুল ফটকে অবস্থান নিয়ে টাউটদের চিহ্নিত করে। এসময় আইনজীবী সহকারী বাদেও শিক্ষানবীশ আইনজীবী পরিচয়দানকারী কয়েকজন টাউটকে চিহ্নিত করা হয়। একপর্যায় সকলকে সতর্ক করা হয়। একই সাথে কারও কারও কাছথেকে আইডি কার্ড , ডায়েরি জব্দ করা করা হয়।

এ বিষয়ে আইনজীবী সহকারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বলেন, বর্তমানে আদালত চত্তরে টাউটদের আনাগোনা বেড়েছে। বিশেষ করে হাতেগোনা কয়েকজনের জন্য পুরো সমিতির ভাবমুর্তি নষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, এ অভিযান চলছে, চলবে।

এ বিষয়ে যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী জুলু বলেন, টাউটদের কোনো ছাড় দেয়া হবেনা। আইনজীবী, শিক্ষানবীশ আইনজীবী এমনকি আইনজীবী সহকারী যেই অন্যায় করুক কাউকেই ছাড় দেয়া হবেনা। সকলেরই নিয়মের মধ্যে থাকতে হবে। এর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

অভিযানে আরও অংশ নেন সমিতির সহ সভাপতি মহসিন গাজী , আজিজুর রহমান , সহকারী সম্পাদক পদে আলীমুজ্জামান , সাংগঠনিক সম্পাদক পদে শামসুর রহমান, হিসাব নিরীক্ষক শহিদ এনামুল হোসেন, সমাজ কল্যাণ ও ক্রীড়া সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল,  সদস্য  হাসানুজ্জামান, আলী আশরাফ ও আব্দুল জলিল প্রমুখ।

কেশবপুর থানার ওসি ও চেয়ারম্যানসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা

প্রকাশের সময় : ১০:০০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪

যশোরের কেশবপুর থানার ওসি ও নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ওসির রুমে আটকে রেখে চাঁদাদাবির অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলাটি করেছেন কেশবপুর মধ্যকুল গ্রামের নুর মোহাম্মদ সরদারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম। আসামিরা হলেন, কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জহির উদ্দিন, কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান মফিজ ও আলতাপোল গ্রামের সেলিমুজ্জামান আসাদ। বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সালমান আহমেদ শুভ অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার উর্ধ্বোতন কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী ফিরোজ হক।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, জাহাঙ্গীর আলম একজন ঘের ব্যবসায়ী। তিনি ২০২৪ সালের ২১ জানুয়ারি মধ্যকুল মৌজায় ৪শ’৫০ বিঘা জমি ২শ’১৪ জন মালিকের কাছথেকে এককোটি আশিলাখ টাকা চুক্তিতে পাচ বছরের জন্য লিজ নেন। এবং সেখানে মাছ চাষ করে আসছেন। ওই জমির গা ঘেষে মফিজুর রহমান মফিজ ১শ’ কৃষকের কাছথেকে তাদের জমি লিজ ঘের করার জন্য চুক্তি করেন। গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মফিজ ও আসাদ বাদী জাহাঙ্গীরের লিজ নেয়া জমি তাদের কাছে হস্তান্তরের জন্য হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। এ বিষয় নিয়ে বাদী কেশবপুর থানায় জিডি করতে গেলে থানা তা গ্রহণ করেনা। সর্বশেষ গত পহেলা মে থানার পুলিশ কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম ও আবুল হোসেন জোরপূর্বক জাহাঙ্গীরকে বাড়ি থেকে থানায় ওসির রুমে নিয়ে যান। সেখানে যেয়ে দেখেন তিন আসামিই উপস্থিত রয়েছেন। এসময় ওসি জহির বাদীকে তার জমি অপর মফিজ ও আসাদকে হস্তান্তর করতে বলেন। রাজি না হওয়ায় বলে ১৫ দিনের মধ্যে জমি হস্তান্তর করতে হবে অন্যথায় গুলি করে হত্যা করে ক্রস ফায়ারের নামে চালিয়ে দেয়া হবে। শেষমেষ তাকে ধাক্কা মেরে থানা থেকে বের করে দেয়া হয় বলে বাদী মামলায় উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে কেশবপুর থানার ওসি জহির উদ্দিনের কাছে জানতে তার মোবাইলে একাধিক বার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান মফিজের মোবাইলে ফোন করলে তিনিও বলেন, নেটওয়ার্কের সমস্যার মধ্যে রয়েছি। এ বিষয়ে আপনার সাথে পরে কথা বলবো।

যশোরে ৯ কেজি গাঁজার সহ দুই মাদক কারবারি আটক

র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের সদস্যরা নয় কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারীকে আটক করেছে। তারা হলো, সদর উপজেলার রাজারহাট সীতরামপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলী হাওলাদার এবং রাজাপুর গ্রামের জাহিদ হাসান ওরফে সোহাগ মোল্লা ।

র‌্যাবের এসআই কামরুল হাসান জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টা দিকে গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে সীতারামপুর গ্রামের মোক্তার হুজুরের বাড়ির পূর্ব পাশে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়। পরে মোহাম্মদ আলী হাওলাদারের কাছে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে নয় কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজার মূল্য এক লাখ ৮০ হাজার টাকা। এই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা হয়েছে।                        যশোর আদালতে টাউট উচ্ছেদ অভিযান, পরিচয়পত্র ও ডায়েরি জব্দ করে আল্টিমেটাম

যশোরে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গনে টাউট উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে আইনজীবী সহকারী সমিতির নেতৃবৃন্দ। বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে শুরু করে দুই ঘন্টা ব্যপী এ অভিযান চলে। আইনজীবী সহকারী পরিচয় দেয়া কয়েকজন টাউটকে ধরে তাদের কাছথেকে ডায়েরী কেড়ে নেয়া হয়। এছাড়া কয়েকজনের কাছথেকে পরিচয়পত্র কেড়ে নেয়া হয়। সকলকে শেষ বারের মত সতর্ক করা হয়। এরবাইরেও যারা নির্ধারিত ড্রেস কোড না মেনে আদালতে প্রবেশ করে তাদেরকে ভৎসনা করা হয়।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টায় জেলা আইনজীবী সহকারি সমিতির সভাপতি ওমর আলী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাজিদের নেতৃত্বে একটি টিম প্রথমেই হাজতখানার সামনে যান। সেখানে ঘুরে দেখেন। সেখানে থাকা দুইজন টাউটকে ধরে সতর্ক করেন। এসময় একজনের কাছ থেকে মেয়াদ উত্তির্ণ ও একজনের কাছথেকে জাল পরিচয়পত্র উদ্ধার করেন। পরবর্তিতে তারা আদালতের প্রত্যেকটি এজলাসের সামনে যেয়ে টাউটদের চিহ্নিত করেন। তারা দেখতে পান অনেকেই আইনজীবী সহকারীই না। অথচ তারা সহকারীদের ড্রেস পরে ঘুরে বেরাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ আইনজীবী সহকারী হলেও তাদের কাছে নেই কোনো পরিচয় পত্র এমনকি ড্রেসও পড়া নেই। এছাড়া কয়েকজন আইনজীবী সহকারীকে পাওয়া যায় তারা নিজেরাই কয়েকজন সহকারী তৈরী করে আদালত চত্তরে ঘুরে বেরাচ্ছেন। এমন কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়। পরবর্তিতে জেলা আইনজীবী সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জুলফিকার আলী জুলু তাদের সাথে যুক্ত হন। এবার তারা মুল ফটকে অবস্থান নিয়ে টাউটদের চিহ্নিত করে। এসময় আইনজীবী সহকারী বাদেও শিক্ষানবীশ আইনজীবী পরিচয়দানকারী কয়েকজন টাউটকে চিহ্নিত করা হয়। একপর্যায় সকলকে সতর্ক করা হয়। একই সাথে কারও কারও কাছথেকে আইডি কার্ড , ডায়েরি জব্দ করা করা হয়।

এ বিষয়ে আইনজীবী সহকারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বলেন, বর্তমানে আদালত চত্তরে টাউটদের আনাগোনা বেড়েছে। বিশেষ করে হাতেগোনা কয়েকজনের জন্য পুরো সমিতির ভাবমুর্তি নষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, এ অভিযান চলছে, চলবে।

এ বিষয়ে যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী জুলু বলেন, টাউটদের কোনো ছাড় দেয়া হবেনা। আইনজীবী, শিক্ষানবীশ আইনজীবী এমনকি আইনজীবী সহকারী যেই অন্যায় করুক কাউকেই ছাড় দেয়া হবেনা। সকলেরই নিয়মের মধ্যে থাকতে হবে। এর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

অভিযানে আরও অংশ নেন সমিতির সহ সভাপতি মহসিন গাজী , আজিজুর রহমান , সহকারী সম্পাদক পদে আলীমুজ্জামান , সাংগঠনিক সম্পাদক পদে শামসুর রহমান, হিসাব নিরীক্ষক শহিদ এনামুল হোসেন, সমাজ কল্যাণ ও ক্রীড়া সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল,  সদস্য  হাসানুজ্জামান, আলী আশরাফ ও আব্দুল জলিল প্রমুখ।