সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ছাত্রদলের ক্যাডার জবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি

  • জবি সংবাদদাতা
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫০:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪
  • ৩১
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটিতে ছাত্রদলের এক নেতাকে পদ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একজন একটিভ কর্মী হিসেবে দায়িত্বে থাকা ওই নেতাকে জবি ছাত্রলীগের কমিটিতে সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অভিযুক্ত নেতার নাম ইব্রাহিম হোসেন সানিম। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় তৎকালীন ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি রাজিব হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি এবিএম পারভেজ রেজা, সহ-সম্পাদক মুজাহিদ বিল্লাহ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন উজ্জ্বলের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। সানিমসহ তাদের কার্যক্রমের বিভিন্ন ছবি সাম্প্রতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পরেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তৎকালীন ছাত্রদলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, সানিম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তখন ছাত্রদলের প্রতিটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতেন।
এদিকে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকা এই নেতাকে ছাত্রলীগের কমিটিতে পদ দেয়ার মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অবশ্য কমিটিতে পদ পাওয়ার পর ইব্রাহিম হোসেন সানিম ছাত্রদলের রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছেন- এমন গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে।
অভিযুক্ত নেতা ইব্রাহিম হোসেন সানিমের কাছে এ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন বলেন, এই ধরনের তথ্য এবং ছবি দেখে আমরা খুবই মর্মাহত ও লজ্জিত। পিতা মুজিবের আদর্শকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা হাসিল করাই হচ্ছে তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অনুপ্রবেশকারীরা ছাত্রলীগের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আমরা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে এই বিষয়টি দ্রুতই অবগত করবো।
এ বিষয়ে জবি ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজি বলেন, জবি ছাত্রলীগে কোনো অনুপ্রবেশকারীর ঠাই নাই। এখানে কোনো অনুপ্রবেশকারী পদ পেয়ে থাকে প্রমাণিত হলে আমরা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাবো।
বিষয়টি জানতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

ছাত্রদলের ক্যাডার জবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি

প্রকাশের সময় : ০৮:৫০:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটিতে ছাত্রদলের এক নেতাকে পদ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একজন একটিভ কর্মী হিসেবে দায়িত্বে থাকা ওই নেতাকে জবি ছাত্রলীগের কমিটিতে সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অভিযুক্ত নেতার নাম ইব্রাহিম হোসেন সানিম। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় তৎকালীন ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি রাজিব হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি এবিএম পারভেজ রেজা, সহ-সম্পাদক মুজাহিদ বিল্লাহ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন উজ্জ্বলের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। সানিমসহ তাদের কার্যক্রমের বিভিন্ন ছবি সাম্প্রতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পরেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তৎকালীন ছাত্রদলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, সানিম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তখন ছাত্রদলের প্রতিটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতেন।
এদিকে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকা এই নেতাকে ছাত্রলীগের কমিটিতে পদ দেয়ার মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অবশ্য কমিটিতে পদ পাওয়ার পর ইব্রাহিম হোসেন সানিম ছাত্রদলের রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছেন- এমন গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে।
অভিযুক্ত নেতা ইব্রাহিম হোসেন সানিমের কাছে এ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন বলেন, এই ধরনের তথ্য এবং ছবি দেখে আমরা খুবই মর্মাহত ও লজ্জিত। পিতা মুজিবের আদর্শকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা হাসিল করাই হচ্ছে তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অনুপ্রবেশকারীরা ছাত্রলীগের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আমরা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে এই বিষয়টি দ্রুতই অবগত করবো।
এ বিষয়ে জবি ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজি বলেন, জবি ছাত্রলীগে কোনো অনুপ্রবেশকারীর ঠাই নাই। এখানে কোনো অনুপ্রবেশকারী পদ পেয়ে থাকে প্রমাণিত হলে আমরা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাবো।
বিষয়টি জানতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।