সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পৌরসভার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক

নড়াইল পৌরসভার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা লালু সরকারের বিরুদ্ধে সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোরের উপ-পরিচালক আল আমিন নিজ কার্যালয়ে এ মামলাটি করেছেন।
লালু সরকার বর্তমানে খুলনার পাইকগাছা পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। তিনি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার চড়করফা গ্রামের নওশের সরদারের ছেলে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, লালু সরদার ২০১২ সালের ২ জানুয়ারি নড়াইল পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ১ ডিসেম্বর তিনি পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে পদান্নতি পান। এরমাঝে নড়াইলের পৌরসভার মেয়র, লালু সরদার ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে। বিষয়টি নজরে আসলে লালু সরদারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায় দুদক। পরে তার কাছে সম্পদের বিবরণী চেয়ে নোটিস দেয় দুদক। ওই নোটিসের জবাবে ২০২৩ সালের ১৩ মার্চ লালু সরকার জবাব দেন।
জবাবে তিনি জানান, তার ৫ লাখ দুই হাজার টাকার জমি ও বিভিন্ন ব্যাংকে ছয় লাখ ৮০ হাজার ৯০ টাকা রয়েছে। অর্থাৎ তার সর্বমোট ১১ লাখ ৮২ হাজার ৯০ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন। কিন্তু দুদকের তদন্তে উঠে আসে ৩৮ লাখ চার হাজার টাকার জমি ক্রয় ও বিভিন্ন ব্যাংকে নয় লাখ ৯০ টাকাসহ সর্বমোট ৪৭ লাখ ৪ হাজার ৯০ টাকার সম্পদ রয়েছে। অর্থাৎ তিনি দুদকের কাছে ৩৫ লাখ ২২ হাজার টাকার সম্পদ থাকার তথ্য গোপন করেছেন। মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, চাকরি ছাড়া লালু সরদারের উপার্জনের কোনো উপায় নেই। তিনি চাকরিতে যোগদানের পর থেকে আয় করেছেন ২৮ লাখ ৯৩ হাজার ১শ’ ১৩ টাকা। খরচ করেছেন ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৫শ’ ৫৭। অবশিষ্ট থাকার কথা ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৫শ’ ৫৬ টাকা। কিন্তু দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে তার সম্পদ রয়েছে ৪৭ লাখ চার হাজার ৯০ টাকা। অর্থাৎ তার জ্ঞাত আয়বর্হিভুত সম্পদ রয়েছে ৩২ লাখ ৫৭ হাজার ৫শ’ ৩৪ টাকার। সুতরাং ৩৫ লাখ ২২ হাজার টাকার সম্পদ গোপন ও ৩২ লাখ ৫৭ হাজার ৫শ’ ৩৪ টাকার জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদের তথ্য পাওয়ায় দুদক প্রধান কার্যালয়ের অনুমতিপ্রাপ্ত হয়ে লালু সরদারের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়।

খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা,চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দোয়া মাহফিল

পৌরসভার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক

প্রকাশের সময় : ১০:৫৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

নড়াইল পৌরসভার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা লালু সরকারের বিরুদ্ধে সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোরের উপ-পরিচালক আল আমিন নিজ কার্যালয়ে এ মামলাটি করেছেন।
লালু সরকার বর্তমানে খুলনার পাইকগাছা পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। তিনি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার চড়করফা গ্রামের নওশের সরদারের ছেলে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, লালু সরদার ২০১২ সালের ২ জানুয়ারি নড়াইল পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ১ ডিসেম্বর তিনি পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে পদান্নতি পান। এরমাঝে নড়াইলের পৌরসভার মেয়র, লালু সরদার ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে। বিষয়টি নজরে আসলে লালু সরদারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায় দুদক। পরে তার কাছে সম্পদের বিবরণী চেয়ে নোটিস দেয় দুদক। ওই নোটিসের জবাবে ২০২৩ সালের ১৩ মার্চ লালু সরকার জবাব দেন।
জবাবে তিনি জানান, তার ৫ লাখ দুই হাজার টাকার জমি ও বিভিন্ন ব্যাংকে ছয় লাখ ৮০ হাজার ৯০ টাকা রয়েছে। অর্থাৎ তার সর্বমোট ১১ লাখ ৮২ হাজার ৯০ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন। কিন্তু দুদকের তদন্তে উঠে আসে ৩৮ লাখ চার হাজার টাকার জমি ক্রয় ও বিভিন্ন ব্যাংকে নয় লাখ ৯০ টাকাসহ সর্বমোট ৪৭ লাখ ৪ হাজার ৯০ টাকার সম্পদ রয়েছে। অর্থাৎ তিনি দুদকের কাছে ৩৫ লাখ ২২ হাজার টাকার সম্পদ থাকার তথ্য গোপন করেছেন। মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, চাকরি ছাড়া লালু সরদারের উপার্জনের কোনো উপায় নেই। তিনি চাকরিতে যোগদানের পর থেকে আয় করেছেন ২৮ লাখ ৯৩ হাজার ১শ’ ১৩ টাকা। খরচ করেছেন ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৫শ’ ৫৭। অবশিষ্ট থাকার কথা ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৫শ’ ৫৬ টাকা। কিন্তু দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে তার সম্পদ রয়েছে ৪৭ লাখ চার হাজার ৯০ টাকা। অর্থাৎ তার জ্ঞাত আয়বর্হিভুত সম্পদ রয়েছে ৩২ লাখ ৫৭ হাজার ৫শ’ ৩৪ টাকার। সুতরাং ৩৫ লাখ ২২ হাজার টাকার সম্পদ গোপন ও ৩২ লাখ ৫৭ হাজার ৫শ’ ৩৪ টাকার জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদের তথ্য পাওয়ায় দুদক প্রধান কার্যালয়ের অনুমতিপ্রাপ্ত হয়ে লালু সরদারের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়।