মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গৌতম বুদ্ধ সম্প্রীতি ও শান্তি স্থাপনের অনন্য দৃষ্টান্ত: বাংলাদেশ ন্যাপ

শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা ২০২৪ উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মৈত্রীময় শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ নেতৃদ্বয় মন্তব্য করেছেন যে,  গৌতম বুদ্ধ বিশ্ব মানবতা, সম্প্রীতি ও শান্তি স্থাপনের অনন্য দৃষ্টান্ত।

মঙ্গলবার (২১ মে) গণমাধ্যমে প্রেরিতে এক শুভেচ্ছা বাণীতে দলের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া অনুসন্ধিৎসু গবেষণার মাধ্যমে বৌদ্ধ ধর্মের প্রাচীন সভ্যতা, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিতির মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় তুলে ধরতে বিদগ্ধ গবেষক, পন্ডিত ও বৌদ্ধচিন্তাবিদদের প্রতি আহ্বান জানান।

তারা বলেন, হিংসার উন্মত্ত পাশবিক শক্তি দমন করার জন্য আজকের পৃথিবীতে গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা একান্ত প্রয়োজন। শান্তি ও সম্প্রীতির মাধ্যমে আদর্শসমাজ গঠনই ছিল তার একমাত্র লক্ষ্য।

নেতৃদ্বয় বলেন, ভয়, লোভ-লালসাকে অতিক্রম করে গৌতম বুদ্ধ সারা জীবন মানুষের কল্যাণে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংসা, মৈত্রী ও করুণার বাণী প্রচার করেছেন। সমগ্র জাতি আশা প্রকাশ করেন, জ্ঞান, মেধা, কর্মদক্ষতা ও কৃতিত্বে এ দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায় গৌতম বুদ্ধের আদর্শে আরো উজ্জীবিত হবে।

তারা বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর দর্শনেই এ দেশের সব বর্ণ, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠীগুলোর সম্মিলিত আকাক্সার স্ফুরণ ঘটেছে। তার পরবর্তীতে মশিউর রহমান যাদু মিয়া ও শফিকুল গাণি স্বপন এই অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করেই রাজনীতিতে অবস্থান করেছেন। বাংলাদেশ ন্যাপ সেই চেতনা ও আদর্শকে ধারণ ও লালনের মাধ্যমে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে দেশ গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করবে।

গৌতম বুদ্ধ সম্প্রীতি ও শান্তি স্থাপনের অনন্য দৃষ্টান্ত: বাংলাদেশ ন্যাপ

প্রকাশের সময় : ০৩:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা ২০২৪ উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মৈত্রীময় শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ নেতৃদ্বয় মন্তব্য করেছেন যে,  গৌতম বুদ্ধ বিশ্ব মানবতা, সম্প্রীতি ও শান্তি স্থাপনের অনন্য দৃষ্টান্ত।

মঙ্গলবার (২১ মে) গণমাধ্যমে প্রেরিতে এক শুভেচ্ছা বাণীতে দলের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া অনুসন্ধিৎসু গবেষণার মাধ্যমে বৌদ্ধ ধর্মের প্রাচীন সভ্যতা, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিতির মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় তুলে ধরতে বিদগ্ধ গবেষক, পন্ডিত ও বৌদ্ধচিন্তাবিদদের প্রতি আহ্বান জানান।

তারা বলেন, হিংসার উন্মত্ত পাশবিক শক্তি দমন করার জন্য আজকের পৃথিবীতে গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা একান্ত প্রয়োজন। শান্তি ও সম্প্রীতির মাধ্যমে আদর্শসমাজ গঠনই ছিল তার একমাত্র লক্ষ্য।

নেতৃদ্বয় বলেন, ভয়, লোভ-লালসাকে অতিক্রম করে গৌতম বুদ্ধ সারা জীবন মানুষের কল্যাণে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংসা, মৈত্রী ও করুণার বাণী প্রচার করেছেন। সমগ্র জাতি আশা প্রকাশ করেন, জ্ঞান, মেধা, কর্মদক্ষতা ও কৃতিত্বে এ দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায় গৌতম বুদ্ধের আদর্শে আরো উজ্জীবিত হবে।

তারা বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর দর্শনেই এ দেশের সব বর্ণ, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠীগুলোর সম্মিলিত আকাক্সার স্ফুরণ ঘটেছে। তার পরবর্তীতে মশিউর রহমান যাদু মিয়া ও শফিকুল গাণি স্বপন এই অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করেই রাজনীতিতে অবস্থান করেছেন। বাংলাদেশ ন্যাপ সেই চেতনা ও আদর্শকে ধারণ ও লালনের মাধ্যমে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে দেশ গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করবে।