সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আবারও যুদ্ধবিমান চাইলেন জেলেনস্কি

ছবি-সংগৃহীত

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের হাত থেকে বাঁচার জন্য ইউক্রেনের জরুরিভিত্তিতে আরও আকাশ প্রতিরক্ষা প্রয়োজন। অঘোষিত সফরে গতকাল মঙ্গলবার (২১ মে) কিয়েভে গিয়ে এ মন্তব্য করেছেন জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যানালেনা বায়েরবক।

সম্প্রতি ইউক্রেনের খারকিভে হামলা বাড়িয়েছে রাশিয়া। বায়েরবকের সফরের আগের রাতেও ব্যাপক হামলা হয়েছে। বায়েরবক বলেন, ইউক্রেনের পরিস্থিতির আরও একবার নাটকীয়ভাবে অবনতি হয়েছে। খারকিভ অঞ্চলে নৃশংস হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া।

ইউক্রেনকে সহায়তা করা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেন এ যুদ্ধে জয়ী হবে- এ অনুধাবনের ভিত্তিতে সহায়তা করছি আমরা।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আবারও আরও আকাশ প্রতিরক্ষা ও যুদ্ধবিমান পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন মিত্রদের প্রতি। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন বলছে, যুদ্ধে তৃতীয় বছরেও আকাশে আধিপত্য ধরে রেখেছে রাশিয়া।

জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে সমতা তৈরির জন্য ইউক্রেনের ১২০ থেকে ১৩০টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য উন্নত আকাশযান দরকার।

এদিকে ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্র পেসকভ বলেছেন, ইউক্রেনীয় সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। এ জন্যই যুদ্ধে পশ্চিমের আরও সংশ্লিষ্ট চাইছেন ভলোদিমির জেলেনস্কি। একই সময়ে কিয়েভ বুঝতে পারছে যে, অস্ত্র সরবরাহ বৃদ্ধি করলেও তা যুদ্ধক্ষেত্রের ফলাফল বদলে দেবে না।

ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ জানিয়েছেন, খারকিভে রাশিয়ার আক্রমণ গত সোমবার ধীরগতির হয়ে গেছে। তবে লড়াই অব্যাহত রয়েছে। রাশিয়ার সেনারা ইউক্রেনের উত্তরের সুমি ও চেরনিহিভ অঞ্চলে অভিযান শুরু করেছে। ইউক্রেনীয় জেনারেল স্টাফ মুখপাত্র দিমিত্রি লাইখোভি জানান, সেখানে সীমান্ত স্থাপনায় গোলাবর্ষণ চলছে, আরও মাইনফিল্ড তৈরি করা হয়েছে।

এদিকে, ইউক্রেনীয় গোলাবর্ষণে দোতেৎস্ক শহরে এক ব্যক্তি মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন সেখানকার রাশিয়া-সমর্থিত মেয়র অ্যালেক্সেই কুলেমজিন। তিনি আরও জানান, ‘আবাসিক ভবন, বিক্রয়কেন্দ্র, অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জানালা, দেয়াল ও ভবনের ছাদ উড়ে গেছে এবং গ্যাস পাইপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সূত্র- গার্ডিয়ান   

আবারও যুদ্ধবিমান চাইলেন জেলেনস্কি

প্রকাশের সময় : ০২:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের হাত থেকে বাঁচার জন্য ইউক্রেনের জরুরিভিত্তিতে আরও আকাশ প্রতিরক্ষা প্রয়োজন। অঘোষিত সফরে গতকাল মঙ্গলবার (২১ মে) কিয়েভে গিয়ে এ মন্তব্য করেছেন জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যানালেনা বায়েরবক।

সম্প্রতি ইউক্রেনের খারকিভে হামলা বাড়িয়েছে রাশিয়া। বায়েরবকের সফরের আগের রাতেও ব্যাপক হামলা হয়েছে। বায়েরবক বলেন, ইউক্রেনের পরিস্থিতির আরও একবার নাটকীয়ভাবে অবনতি হয়েছে। খারকিভ অঞ্চলে নৃশংস হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া।

ইউক্রেনকে সহায়তা করা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেন এ যুদ্ধে জয়ী হবে- এ অনুধাবনের ভিত্তিতে সহায়তা করছি আমরা।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আবারও আরও আকাশ প্রতিরক্ষা ও যুদ্ধবিমান পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন মিত্রদের প্রতি। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন বলছে, যুদ্ধে তৃতীয় বছরেও আকাশে আধিপত্য ধরে রেখেছে রাশিয়া।

জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে সমতা তৈরির জন্য ইউক্রেনের ১২০ থেকে ১৩০টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য উন্নত আকাশযান দরকার।

এদিকে ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্র পেসকভ বলেছেন, ইউক্রেনীয় সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। এ জন্যই যুদ্ধে পশ্চিমের আরও সংশ্লিষ্ট চাইছেন ভলোদিমির জেলেনস্কি। একই সময়ে কিয়েভ বুঝতে পারছে যে, অস্ত্র সরবরাহ বৃদ্ধি করলেও তা যুদ্ধক্ষেত্রের ফলাফল বদলে দেবে না।

ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ জানিয়েছেন, খারকিভে রাশিয়ার আক্রমণ গত সোমবার ধীরগতির হয়ে গেছে। তবে লড়াই অব্যাহত রয়েছে। রাশিয়ার সেনারা ইউক্রেনের উত্তরের সুমি ও চেরনিহিভ অঞ্চলে অভিযান শুরু করেছে। ইউক্রেনীয় জেনারেল স্টাফ মুখপাত্র দিমিত্রি লাইখোভি জানান, সেখানে সীমান্ত স্থাপনায় গোলাবর্ষণ চলছে, আরও মাইনফিল্ড তৈরি করা হয়েছে।

এদিকে, ইউক্রেনীয় গোলাবর্ষণে দোতেৎস্ক শহরে এক ব্যক্তি মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন সেখানকার রাশিয়া-সমর্থিত মেয়র অ্যালেক্সেই কুলেমজিন। তিনি আরও জানান, ‘আবাসিক ভবন, বিক্রয়কেন্দ্র, অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জানালা, দেয়াল ও ভবনের ছাদ উড়ে গেছে এবং গ্যাস পাইপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সূত্র- গার্ডিয়ান