সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাণীশংকৈলে শিষ্যের কাছে গুরুর পরাজয় 

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শিষ্যের কাছে গুরুর পরাজয় হয়েছে।এই নির্বাচনে বিরোধী দলের কোন প্রার্থী অংশগ্রহণ না করায় বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তিন প্রার্থীর মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই করতে দেখা যায়। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সইদুল হক (আনারস), উপজেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহম্মেদ হোসেন বিপ্লব (ঘোড়া)ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের (মোটরসাইকেল) প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
গুরু শিষ্যের লড়াইয়ে বেশ জমে উঠে রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। মঙ্গলবার (২১ মে) অনুষ্ঠিত সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা ছাড়াই উৎসব মুখর পরিবেশে একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে চেয়ারম্যান পদে (ঘোড়া) প্রতিকের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আহম্মেদ হোসেন বিপ্লব ১০০৭৫ ভোট বেশি পেয়ে প্রথমবারের মতো উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন মোট ৪৪ হাজার ২৫৫ ভোট ।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সইদুল হক (আনারস) প্রতিকে ভোট পেয়েছেন ৩৪ হাজার ১৮০ ভোট, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের (মোটরসাইকেল) প্রতিকে  পেয়েছেন ৩২ হাজার ২৩৫ ভোট ।
এছাড়াও এই নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে (টিউবওয়েল) প্রতিকে সোহেল রানা ৩৩ হাজার ১২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রমজান আলী বৈদ্যুতিক (বাল্ব) প্রতিকে ৩২ হাজার ৮৩ ভোট পেয়েছেন। এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে (হাঁস) প্রতিকের প্রার্থী সারমিন আক্তার ৩২ হাজার ৭৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন (ফুটবল) প্রতিকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ১৭৫ ভোট ।
ভোট শেষে কেন্দ্র থেকে আসা ফলাফল সংগ্রহ করে উপজেলা হলরুমে বিজয়ী প্রার্থীদের বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন উপজেলা সহকারী রির্টানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রকিবুল হাসান।
উল্লেখ্য যে,এ উপজেলায় একটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৯১ জন ভোটার রয়েছে। এরমধ্যে পুরুষ ৯৪ হাজার ২৮১ ও মহিলা ৮৯ হাজার ১১০ জন। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৬৬ টি। এতে উপজেলায় ভোট পড়েছে শতকরা ৬১.৮১ শতাংশ।

খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা,চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দোয়া মাহফিল

রাণীশংকৈলে শিষ্যের কাছে গুরুর পরাজয় 

প্রকাশের সময় : ০৫:০৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শিষ্যের কাছে গুরুর পরাজয় হয়েছে।এই নির্বাচনে বিরোধী দলের কোন প্রার্থী অংশগ্রহণ না করায় বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তিন প্রার্থীর মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই করতে দেখা যায়। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সইদুল হক (আনারস), উপজেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহম্মেদ হোসেন বিপ্লব (ঘোড়া)ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের (মোটরসাইকেল) প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
গুরু শিষ্যের লড়াইয়ে বেশ জমে উঠে রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। মঙ্গলবার (২১ মে) অনুষ্ঠিত সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা ছাড়াই উৎসব মুখর পরিবেশে একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে চেয়ারম্যান পদে (ঘোড়া) প্রতিকের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আহম্মেদ হোসেন বিপ্লব ১০০৭৫ ভোট বেশি পেয়ে প্রথমবারের মতো উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন মোট ৪৪ হাজার ২৫৫ ভোট ।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সইদুল হক (আনারস) প্রতিকে ভোট পেয়েছেন ৩৪ হাজার ১৮০ ভোট, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের (মোটরসাইকেল) প্রতিকে  পেয়েছেন ৩২ হাজার ২৩৫ ভোট ।
এছাড়াও এই নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে (টিউবওয়েল) প্রতিকে সোহেল রানা ৩৩ হাজার ১২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রমজান আলী বৈদ্যুতিক (বাল্ব) প্রতিকে ৩২ হাজার ৮৩ ভোট পেয়েছেন। এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে (হাঁস) প্রতিকের প্রার্থী সারমিন আক্তার ৩২ হাজার ৭৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন (ফুটবল) প্রতিকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ১৭৫ ভোট ।
ভোট শেষে কেন্দ্র থেকে আসা ফলাফল সংগ্রহ করে উপজেলা হলরুমে বিজয়ী প্রার্থীদের বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন উপজেলা সহকারী রির্টানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রকিবুল হাসান।
উল্লেখ্য যে,এ উপজেলায় একটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৯১ জন ভোটার রয়েছে। এরমধ্যে পুরুষ ৯৪ হাজার ২৮১ ও মহিলা ৮৯ হাজার ১১০ জন। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৬৬ টি। এতে উপজেলায় ভোট পড়েছে শতকরা ৬১.৮১ শতাংশ।