
রাষ্ট্রবিরোধী চক্র এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশকে টেনে ধরার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, সরকারের মধ্যে ঢুকে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য কতিপয় গোষ্ঠী মহাপরিকল্পনা করছে। তারা শেখ হাসিনাকে টার্গেট করেছে। শেখ হাসিনাকে সরিয়ে দিতে চায়, যেন বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে।
রবিবার (২ জুন) দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের গদাবাড়ী গ্রামে ‘কামবালা নিবাস’ হস্তান্তর ও ‘কামবালা সড়ক’ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন বলেন, “বাংলাদেশের প্রতীক, স্বাধীনতার প্রতীক, আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকার প্রতি কামবালা বেওয়ার অগাধ বিশ্বাস আছে। আমি যখন নৌকার ব্যাচ তাকে পরিয়ে দিচ্ছিলাম, তখন তিনি বলেছিলেন– আমি এই প্রতীক চিনি, এই প্রতীক আমাকে চেনাতে হবে না। নৌকা মার্কার প্রতি তার অগাধ আস্থা, বিশ্বাস– তা দেখে একজন প্রার্থীও একজন ভোটারের কাছে পরাজিত হয়ে গেছে। কামবালার বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বলেছি– কামবালা হচ্ছে ‘ভোটার অব দ্যা ইলেকশন’। তিনি যে দৃষ্টান্ত রেখেছেন, এটা শুধু ভোটের বিষয় না, শিক্ষণীয় বিষয়। একটি ভোট একটি জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে। একটি ভোট একটি দেশকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যেতে পারে, একটি ভোট একটি জনগোষ্ঠীকে পুরো পৃথিবীতে জাগ্রত করতে পারে।”
নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একটি ভোট মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়েছিলাম। তিনি বাংলার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করেছিলেন। কিন্তু ২০০১ সালে নির্বাচনে বাংলার মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। নির্যাতন, নিপীড়ন, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, লুটেরা, দুর্নীতিবাজ, হাওয়া ভবন করে দেশের মানুষকে সর্বশান্ত করেছে। তখন দেশের মানুষের কোনো স্বাধীনতা ছিল না, বাকস্বাধীনতার ছিল না, জীবনের নিরাপত্তা ছিল না, সংসদ সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা ছিল না। আজকের প্রধানমন্ত্রী তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড হামলা করে হত্যা করতে চেয়েছিল। বাংলাদেশকে সন্ত্রাসবাদের জনপদ হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিত করতে চেয়েছিল। সেই সন্ত্রাসবাদকে চ্যালেঞ্জ করে ভোটের মাধ্যমে দেশ এগিয়ে গেছে। শুধু গদাবাড়ীর কামবালা নয়, বাংলাদেশের কোথাও ভূমিহীন থাকবে না। ধীরে ধীরে বাংলাদেশে ভুমিহীন শূণ্যের কোঠায় চলে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছিলেন বলে আমরা দারিদ্র্যতা জয় করেছি। বাংলাদেশ একটি স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। আপনার একটি ভোটের কারণে ২০২৬ সালে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ‘গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট’ করবে। আপনাদের কাছে অনুরোধ– কোনো ধরনের মিথ্যা প্রচার বা গুজবে কান দেবেন না।’
এ সময় দিনাজপুর জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ, পুলিশ সুপার শাহ্ ইফতেখার আহমেদ, দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল, বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সবুজার সিদ্দিক সাগর, সাধারণ সম্পাদক বাবু রমাকান্ত রায়, ধর্মপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মজিদ মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক রতন চন্দ্র রায়সহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho