বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ওমানকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার শুভ সূচনা

ছবি সংগৃহীত

শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পরাজয়ের লড়াই করেছে ওমান। ব্যাট হাতে ঝড়ের পর বল হাতেও দুর্দান্ত ছিলেন মার্কাস স্টয়নিস। তাই তো ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তার হাতে। এদিকে এ হারের ফলে টেবিলের নিচে নেমে গেল ওমান। তুলনামূলক দূর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ৩৯ রানের জয়ে বিশ্বকাপে শুভযাত্রা করেছে অজিরা।

আজ বৃস্পতিবার (৬ জুন) সকালে (বাংলাদেশ সময়) বার্বাডোজের ব্রিজটাউনে জয়ের জন্য ওমানের লক্ষ্য ছিলো ১৬৫ রানের। শেষ দিকে কিছুটা লড়াই করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি তুলতে পেরেছে ৯ উইকেটে ১২৫ রান।

ওমান লড়াইটা আরেকটা জমাতে পারতো, যদি প্রথম দিকে দ্রুত উইকেট না হারাতো। কারণ ৫৬ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে ওমান। এরপর সপ্তম ও অষ্টম উইকেটে যথাক্রমে ৩২ ও ২৮ রানের জুটিতে ১০০ রানের কোটা পার করে আকিব ইলিয়াসের দল।

দলের হয়ে ৩০ বলে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন আয়ান খান। মেহরান খান করেন ১৬ বলে ২৭ রান। অধিনায়ক আকিব করেন ১৮ বলে ১৮ রান। শাকিল আহমেদের ১১ রান ছাড়া বাকিদের কেউ আর ২ অংকের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা ছিল ধীরগতির। প্রথম ৮ ওভারে অসিরা তুলেছিল মাত্র ৫০ রান। তখন উইকেট ছিল ১টি। তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে সাজঘরে ফেরত গেছেন ট্রাভিস হেড (১০ বলে ১২)

এরপর কোনো রান যোগ না করেই নবম ওভারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে আরও ২টি উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। অর্থাৎ ৫০ রানে অসিদের ছিল না ৩টি উইকেট। আউট হয়েছেন অধিনায়ক মিশেল মার্শ (২১ বলে ১৪) ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১ বলে ০)।

এরপর রান তোলায় গতি বাড়িয়ে দেন স্টয়নিস ও ওয়ার্নার। দুই জনেই হাঁকান ফিফটি। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ২৬তম ফিফটি হাঁকান ওয়ার্নার। কলিমুল্লাহর বলে শোয়াইব খানের হাতে ক্যাচ হওয়ার আগে ৫১ বলে ৫৬ রান (৪ বাউন্ডারি ১ ছক্কায়) করেন তিনি।

স্টয়নিস খেলেন হার না মানা ৬৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস। ২ বাউন্ডারি আর ৬ ছক্কায় মাত্র ৩৬ বলে এই রান তোলেন ডানহাতি এই হার্ডহিটার। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটি স্টয়নিসের দ্বিতীয় ফিফটি। শেষদিকে ৫ বলে ৯ রান করে রানআউট হন টিম ডেভিড।

উল্লেখ্য, ওমানের হয়ে ২টি উইকেট শিকার করেন মেহরান খান। একটি করে উইকেট নেন বিলাল খান ও কলিমুল্লাহ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন স্টয়নিস। ২টি করে উইকেট নেন মিচেল স্টার্ক, অ্যাডাম জাম্পা ও নাথান ইলিস। ম্যাচসেরা হন স্টয়নিস।

ওমানকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার শুভ সূচনা

প্রকাশের সময় : ১১:৪৫:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪

শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পরাজয়ের লড়াই করেছে ওমান। ব্যাট হাতে ঝড়ের পর বল হাতেও দুর্দান্ত ছিলেন মার্কাস স্টয়নিস। তাই তো ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তার হাতে। এদিকে এ হারের ফলে টেবিলের নিচে নেমে গেল ওমান। তুলনামূলক দূর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ৩৯ রানের জয়ে বিশ্বকাপে শুভযাত্রা করেছে অজিরা।

আজ বৃস্পতিবার (৬ জুন) সকালে (বাংলাদেশ সময়) বার্বাডোজের ব্রিজটাউনে জয়ের জন্য ওমানের লক্ষ্য ছিলো ১৬৫ রানের। শেষ দিকে কিছুটা লড়াই করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি তুলতে পেরেছে ৯ উইকেটে ১২৫ রান।

ওমান লড়াইটা আরেকটা জমাতে পারতো, যদি প্রথম দিকে দ্রুত উইকেট না হারাতো। কারণ ৫৬ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে ওমান। এরপর সপ্তম ও অষ্টম উইকেটে যথাক্রমে ৩২ ও ২৮ রানের জুটিতে ১০০ রানের কোটা পার করে আকিব ইলিয়াসের দল।

দলের হয়ে ৩০ বলে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন আয়ান খান। মেহরান খান করেন ১৬ বলে ২৭ রান। অধিনায়ক আকিব করেন ১৮ বলে ১৮ রান। শাকিল আহমেদের ১১ রান ছাড়া বাকিদের কেউ আর ২ অংকের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা ছিল ধীরগতির। প্রথম ৮ ওভারে অসিরা তুলেছিল মাত্র ৫০ রান। তখন উইকেট ছিল ১টি। তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে সাজঘরে ফেরত গেছেন ট্রাভিস হেড (১০ বলে ১২)

এরপর কোনো রান যোগ না করেই নবম ওভারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে আরও ২টি উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। অর্থাৎ ৫০ রানে অসিদের ছিল না ৩টি উইকেট। আউট হয়েছেন অধিনায়ক মিশেল মার্শ (২১ বলে ১৪) ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১ বলে ০)।

এরপর রান তোলায় গতি বাড়িয়ে দেন স্টয়নিস ও ওয়ার্নার। দুই জনেই হাঁকান ফিফটি। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ২৬তম ফিফটি হাঁকান ওয়ার্নার। কলিমুল্লাহর বলে শোয়াইব খানের হাতে ক্যাচ হওয়ার আগে ৫১ বলে ৫৬ রান (৪ বাউন্ডারি ১ ছক্কায়) করেন তিনি।

স্টয়নিস খেলেন হার না মানা ৬৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস। ২ বাউন্ডারি আর ৬ ছক্কায় মাত্র ৩৬ বলে এই রান তোলেন ডানহাতি এই হার্ডহিটার। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটি স্টয়নিসের দ্বিতীয় ফিফটি। শেষদিকে ৫ বলে ৯ রান করে রানআউট হন টিম ডেভিড।

উল্লেখ্য, ওমানের হয়ে ২টি উইকেট শিকার করেন মেহরান খান। একটি করে উইকেট নেন বিলাল খান ও কলিমুল্লাহ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন স্টয়নিস। ২টি করে উইকেট নেন মিচেল স্টার্ক, অ্যাডাম জাম্পা ও নাথান ইলিস। ম্যাচসেরা হন স্টয়নিস।