বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ,ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সুপার এইটে অস্ট্রেলিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১৭তম ম্যাচে এসে প্রথমবার দুই শ রানের দেখা মিলল। রান খরার এই আসরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রিজটাউনে প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া তুলেছে ৭ উইকেটে ২০১ রান। এই রান তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে হারিয়ে ১৬৫ করতে পারে। আর ৩৬ রানে ম্যাচ জিতে সুপার এইটের পথে একধাপ এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়া নিজেদের দুই ম্যাচের দুটিতেই জিতে ৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে। স্কটল্যান্ড তিন পয়েন্ট নিয়ে এখন গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে। তবে শঙ্কায় থাকা ইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের আগে স্কটিশদের সঙ্গে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট পেয়েছে।

২০১ রান তাড়ায় ইংল্যান্ডের শুরুটা অবশ্য বেশ ভালোই ছিল। ফিল সল্ট ও জস বাটলার উদ্বোধনী জুটিতে ৭ ওভারে তুলে ফেলেন ৭৩ রান। কিন্তু অ্যাডাম জাম্পা বোলিংয়ে আসতেই খেলার মোড় ঘুরে যায়। নিজের প্রথম বলেই ২৩ বলে ৩৭ রান করা সল্টকে বোল্ড করেন জাম্পা। পরের ওভারে ফেরান ২৮ বলে ৪২ রান করা বাটলারকে।

ইংল্যান্ডের দুই ওপেনারের বিদায়ে রানের গতি কমে আসে। হারাতে থাকে উইকেটও। মাঝে মঈন আলী গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের এক ওভারে তিন ছক্কা মেরে আশা জাগালেও এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৫ বলে ২৫ রান করে আউট হন প্যাট কামিন্সের বলে।

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের এর আগে শুরুটাও ভালো ছিল। ট্রাভিস হেড ও ডেভিড ওয়ার্নার মিলে ৫ ওভারের মধ্যেই তুলে ফেলেন ৭০ রান। ১৬ বলের ইনিংসে ৪ ছয় ২ চারে ৩৯ রান করেন ওয়ার্নার। হেড খেলেন ৩ ছক্কা ২ চারে ১৮ বলে ৩৪ রানের ইনিংস। এ দুজনের সৌজন্যে পাওয়ারপ্লেতে ২ উইকেটে ৭৪ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া, যা এবারের আসরে প্রথম ছয় ওভারে সর্বোচ্চ।

মিচেল মার্শ ও ম্যাক্সওয়েল ও স্টয়নিসের ব্যাটেও দুই ওপেনারের রানের গতি বজায় থাকে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কোনো ফিফটি ছাড়াই অস্ট্রেলিয়া তোলে এবারের সর্বোচ্চ ২০১ রান, ছাড়িয়ে যায় কানাডার বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭ রানকে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ,ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সুপার এইটে অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশের সময় : ০৮:০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১৭তম ম্যাচে এসে প্রথমবার দুই শ রানের দেখা মিলল। রান খরার এই আসরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রিজটাউনে প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া তুলেছে ৭ উইকেটে ২০১ রান। এই রান তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে হারিয়ে ১৬৫ করতে পারে। আর ৩৬ রানে ম্যাচ জিতে সুপার এইটের পথে একধাপ এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়া নিজেদের দুই ম্যাচের দুটিতেই জিতে ৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে। স্কটল্যান্ড তিন পয়েন্ট নিয়ে এখন গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে। তবে শঙ্কায় থাকা ইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের আগে স্কটিশদের সঙ্গে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট পেয়েছে।

২০১ রান তাড়ায় ইংল্যান্ডের শুরুটা অবশ্য বেশ ভালোই ছিল। ফিল সল্ট ও জস বাটলার উদ্বোধনী জুটিতে ৭ ওভারে তুলে ফেলেন ৭৩ রান। কিন্তু অ্যাডাম জাম্পা বোলিংয়ে আসতেই খেলার মোড় ঘুরে যায়। নিজের প্রথম বলেই ২৩ বলে ৩৭ রান করা সল্টকে বোল্ড করেন জাম্পা। পরের ওভারে ফেরান ২৮ বলে ৪২ রান করা বাটলারকে।

ইংল্যান্ডের দুই ওপেনারের বিদায়ে রানের গতি কমে আসে। হারাতে থাকে উইকেটও। মাঝে মঈন আলী গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের এক ওভারে তিন ছক্কা মেরে আশা জাগালেও এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৫ বলে ২৫ রান করে আউট হন প্যাট কামিন্সের বলে।

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের এর আগে শুরুটাও ভালো ছিল। ট্রাভিস হেড ও ডেভিড ওয়ার্নার মিলে ৫ ওভারের মধ্যেই তুলে ফেলেন ৭০ রান। ১৬ বলের ইনিংসে ৪ ছয় ২ চারে ৩৯ রান করেন ওয়ার্নার। হেড খেলেন ৩ ছক্কা ২ চারে ১৮ বলে ৩৪ রানের ইনিংস। এ দুজনের সৌজন্যে পাওয়ারপ্লেতে ২ উইকেটে ৭৪ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া, যা এবারের আসরে প্রথম ছয় ওভারে সর্বোচ্চ।

মিচেল মার্শ ও ম্যাক্সওয়েল ও স্টয়নিসের ব্যাটেও দুই ওপেনারের রানের গতি বজায় থাকে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কোনো ফিফটি ছাড়াই অস্ট্রেলিয়া তোলে এবারের সর্বোচ্চ ২০১ রান, ছাড়িয়ে যায় কানাডার বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭ রানকে।