বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মাত্র ৩৯ রানে অলআউট, লজ্জার রেকর্ড উগান্ডার

ছবি- এপি

এবারই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে আসা উগান্ডা তাদের নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ৫৮ রানে অলআউট হয়ে হেরেছে বড় ব্যবধানে। এরপর অবশ্য পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে জয় পেয়েছে দলটি। তবে এবার ফের হেরে বসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে গুটিয়ে গেছে মাত্র ৩৯ রানে। আর তাতেই গড়ে ফেলেছে বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম রানে আলআউট হওয়ার লজ্জার রেকর্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জয় তুলেছে ১৩৪ রানের বিশাল ব্যবধানে।

আজ রবিবার (৯ জুন) গায়ানার প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ১৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইকেট হারায় উগান্ডা। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় দলটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং তোপে বিশেষ করে আকিল হোসেনের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি দলটির কোনো ব্যাটার। জুমা মিয়াগি ছাড়া দুই অংকের দেখাও পায়নি এদিন দলটির কোনো ব্যাটার। বিশ্বকাপ দূরে থাক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই এমন ঘটনা বিরল। ১৫ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ২৫ রানের মাথায় নেই ৮ উইকেট। শঙ্কা ঝেঁকে বসেছিলো সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার। তবে শেষ পর্যন্ত সেটি হতে দেননি জুমা মিয়াগি। অপরাজিত ১৩ রানের ইনিংস খেলে দলকে ৩৯ রানে নিয়ে যান তিনি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের মধ্যে মাত্র ১১ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করেছেন আকিল হোসেন। বাকিরা প্রত্যেকেই একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন।

এর আগে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেট খরচায় স্কোরবোর্ডে ১৭৩ রানের শক্ত ভিত পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলের কেউ ফিফটি করতে না পারলেও রান পেয়েছেন সব ব্যাটার। দলীয় সর্বোচ্চ ৪৪ রান আসে জনসন চালর্সের ব্যাট থেকে। শেষ দিকে ১৭ বলে ৩০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন আন্দ্রে রাসেল।

উল্লেখ্য, বিশ্বকাপে এর আগে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড ছিলো নেদারল্যান্ডসের। ২০১৪ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাত্র ৩৯ রানে গুঁটিয়ে গিয়েছিলো ডাচরা। দ্বিতীয় রেকর্ডটিও তাদেরই দখলে। সেবারও প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। ২০২১ আসরে মাত্র ৪৪ রানে অলআউট হয়েছিলো ডাচরা। আর আজ ডাচদের সেই রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে উগান্ডা। ডাচদের সঙ্গে যৌথভাবে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ডটা নিজের করে নিয়েছে আফ্রিকার দেশটি। অবশ্য ডাচদের চেয়ে ৯ বল বেশি খেলেছে উগান্ডা। ডাচরা যেখানে ১০.৩ ওভার খেরেছে সেখানে উগান্ডা খেলেছে ১২ ওভার।

মাত্র ৩৯ রানে অলআউট, লজ্জার রেকর্ড উগান্ডার

প্রকাশের সময় : ০৯:৫২:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪

এবারই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে আসা উগান্ডা তাদের নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ৫৮ রানে অলআউট হয়ে হেরেছে বড় ব্যবধানে। এরপর অবশ্য পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে জয় পেয়েছে দলটি। তবে এবার ফের হেরে বসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে গুটিয়ে গেছে মাত্র ৩৯ রানে। আর তাতেই গড়ে ফেলেছে বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম রানে আলআউট হওয়ার লজ্জার রেকর্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জয় তুলেছে ১৩৪ রানের বিশাল ব্যবধানে।

আজ রবিবার (৯ জুন) গায়ানার প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ১৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইকেট হারায় উগান্ডা। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় দলটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং তোপে বিশেষ করে আকিল হোসেনের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি দলটির কোনো ব্যাটার। জুমা মিয়াগি ছাড়া দুই অংকের দেখাও পায়নি এদিন দলটির কোনো ব্যাটার। বিশ্বকাপ দূরে থাক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই এমন ঘটনা বিরল। ১৫ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ২৫ রানের মাথায় নেই ৮ উইকেট। শঙ্কা ঝেঁকে বসেছিলো সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার। তবে শেষ পর্যন্ত সেটি হতে দেননি জুমা মিয়াগি। অপরাজিত ১৩ রানের ইনিংস খেলে দলকে ৩৯ রানে নিয়ে যান তিনি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের মধ্যে মাত্র ১১ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করেছেন আকিল হোসেন। বাকিরা প্রত্যেকেই একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন।

এর আগে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেট খরচায় স্কোরবোর্ডে ১৭৩ রানের শক্ত ভিত পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলের কেউ ফিফটি করতে না পারলেও রান পেয়েছেন সব ব্যাটার। দলীয় সর্বোচ্চ ৪৪ রান আসে জনসন চালর্সের ব্যাট থেকে। শেষ দিকে ১৭ বলে ৩০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন আন্দ্রে রাসেল।

উল্লেখ্য, বিশ্বকাপে এর আগে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড ছিলো নেদারল্যান্ডসের। ২০১৪ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাত্র ৩৯ রানে গুঁটিয়ে গিয়েছিলো ডাচরা। দ্বিতীয় রেকর্ডটিও তাদেরই দখলে। সেবারও প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। ২০২১ আসরে মাত্র ৪৪ রানে অলআউট হয়েছিলো ডাচরা। আর আজ ডাচদের সেই রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে উগান্ডা। ডাচদের সঙ্গে যৌথভাবে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ডটা নিজের করে নিয়েছে আফ্রিকার দেশটি। অবশ্য ডাচদের চেয়ে ৯ বল বেশি খেলেছে উগান্ডা। ডাচরা যেখানে ১০.৩ ওভার খেরেছে সেখানে উগান্ডা খেলেছে ১২ ওভার।