মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বকশীগঞ্জে শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের সংবাদ সম্মেলন 

জামালপুরের বকশীগঞ্জে মাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে বৃদ্ধ মা ও ছোট ভাই।
রোববার (৯ জুন) দুপুর ১২ টায় বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সূর্যনগর নঈম মিয়ার বাজার এলাকায় ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের সারমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ওই সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন বলেন, আমার বড় ছেলে শিক্ষক হাফিজুর রহমান সূর্যনগর বাজার এলাকায় আমার ছোট ভাই আবুল হাসেমের কাছে ৮ লাখ টাকায় ৩৩ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। ওই জমিতে ২০১৭ সালে আমি ও ছোট ছেলে আবুল হাসেম তার পরিবার  নিয়ে বসত ঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করি। কিন্তু ৭ বছর পার হলেও শিক্ষক হাফিজুর রহমান তার ছোট ভাইকে বিক্রি করা জমিটি কবলা না দিয়ে টালবাহানা করতে থাকেন। এনিয়ে আমি ও আবুল হাসেম জমির কবলা চাইতে গেলে শিক্ষক হাফিজুর রহমান তাকে বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে ৭ মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। এবিষয়ে আবুল হাসেমের পক্ষে কথা বলায় কয়েদিন আগে আমাকে থাকার ঘর থেকে বের করে দিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন।
তাই বিক্রি করা জমি ফিরে পেতে ও মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন ও তার ছোট ছেলে আবুল হাসেম।
সংবাদ সম্মেলনে মাছেমা খাতুন ছাড়াও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বকশীগঞ্জে শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের সংবাদ সম্মেলন 

প্রকাশের সময় : ০৫:০৪:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪
জামালপুরের বকশীগঞ্জে মাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে বৃদ্ধ মা ও ছোট ভাই।
রোববার (৯ জুন) দুপুর ১২ টায় বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সূর্যনগর নঈম মিয়ার বাজার এলাকায় ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের সারমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ওই সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন বলেন, আমার বড় ছেলে শিক্ষক হাফিজুর রহমান সূর্যনগর বাজার এলাকায় আমার ছোট ভাই আবুল হাসেমের কাছে ৮ লাখ টাকায় ৩৩ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। ওই জমিতে ২০১৭ সালে আমি ও ছোট ছেলে আবুল হাসেম তার পরিবার  নিয়ে বসত ঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করি। কিন্তু ৭ বছর পার হলেও শিক্ষক হাফিজুর রহমান তার ছোট ভাইকে বিক্রি করা জমিটি কবলা না দিয়ে টালবাহানা করতে থাকেন। এনিয়ে আমি ও আবুল হাসেম জমির কবলা চাইতে গেলে শিক্ষক হাফিজুর রহমান তাকে বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে ৭ মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। এবিষয়ে আবুল হাসেমের পক্ষে কথা বলায় কয়েদিন আগে আমাকে থাকার ঘর থেকে বের করে দিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন।
তাই বিক্রি করা জমি ফিরে পেতে ও মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন ও তার ছোট ছেলে আবুল হাসেম।
সংবাদ সম্মেলনে মাছেমা খাতুন ছাড়াও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।