বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঝিকরগাছায় কিশোরী ধর্ষণ, গ্রাম্যসালিশে টাকায় মীমাংসার চেষ্টা, অতঃপর…

ধর্ষক মিজানুর রহমান মিজান

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় (১৩) বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে তিন সন্তানের জনক মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে। উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের ৩নং কুমড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি মীমাংসা করতে ধর্ষকের বাড়িতে ডাকা সালিশে কিশোরীর ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩০ হাজার টাকা। মামলা না করে  ঘটনা ধামাচাপা দিতে স্থানীয় ইউপি সদস্য আসাদুল ইসলামসহ গ্রাম্য মাতব্বররা মিলে এ সালিশের উদ্যোগ নেয়।

এ ঘটনায় ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষক মিজানুর রহমান মিজান (৪৫) উপজেলার একই গ্রামের আঃ গফুর ওরফে কানকাটা গফফারের ছেলে।

ভুক্তভোগীর মা জানায়, গত বৃহস্পতিবার  (৬ জুন) দুপুর ১ টার দিকে মিজানের স্ত্রী ও ছেলে বাড়িতে না থাকার সুযোগে ঘর ঝাড় দেওয়ার কথা বলে তার কিশোরী মেয়েকে ডেকে নিয়ে ছুরির ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে মিজান। এ ঘটনার কথা কাউকে বললে ছুরি দেখিয়ে ভয়ভীতি দেখায় মিজান। পরে কান্না করতে করতে সে বাড়িতে গিয়ে তার মাকে সব ঘটনা খুলে বলে। পরে ভুক্তভোগীর মা তার শ্বশুর-শাশুড়ির মাধ্যমে ঘটনাটি মিজানের স্ত্রীকে জানায়। মিজানের স্ত্রী তাদের চুপ থাকার জন্য অনুরোধ করেন। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীর মাকে না জানিয়ে গ্রামের মাতব্বররদের নিয়ে অভিযুক্ত মিজানের বাড়িতে সালিস বসে।স্থানীয় ইউপি সদস্য আসাদুল ইসলামসহ গ্রাম্য মাতব্বররদের উপস্থিতিতে কিশোরীর ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩০ হাজার টাকা। কিন্তু ভুক্তভোগীর মা ওই সালিস মেনে নিতে পারেননি।
এর পর  বরিবার (৯ জুন) রাতে তার মেয়েকে দ্বিতীয় বার ধর্ষণের সময় মিজানকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এলাকার লোকজন।
পরে তিনি বাদি হয়ে ঝিকরগাছা থানায় একটি করেন। যার নং ১২, তারিখ ১০/০৬/২০২৪ ইং। আজ সোমবার  ধর্ষক মিজানুর রহমানকে আটক করে পুলিশ।
ঝিকরগাছা  থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, কিশোরী ধর্ষণ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিকে আটক করে যশোর আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

ঝিকরগাছায় কিশোরী ধর্ষণ, গ্রাম্যসালিশে টাকায় মীমাংসার চেষ্টা, অতঃপর…

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় (১৩) বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে তিন সন্তানের জনক মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে। উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের ৩নং কুমড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি মীমাংসা করতে ধর্ষকের বাড়িতে ডাকা সালিশে কিশোরীর ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩০ হাজার টাকা। মামলা না করে  ঘটনা ধামাচাপা দিতে স্থানীয় ইউপি সদস্য আসাদুল ইসলামসহ গ্রাম্য মাতব্বররা মিলে এ সালিশের উদ্যোগ নেয়।

এ ঘটনায় ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষক মিজানুর রহমান মিজান (৪৫) উপজেলার একই গ্রামের আঃ গফুর ওরফে কানকাটা গফফারের ছেলে।

ভুক্তভোগীর মা জানায়, গত বৃহস্পতিবার  (৬ জুন) দুপুর ১ টার দিকে মিজানের স্ত্রী ও ছেলে বাড়িতে না থাকার সুযোগে ঘর ঝাড় দেওয়ার কথা বলে তার কিশোরী মেয়েকে ডেকে নিয়ে ছুরির ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে মিজান। এ ঘটনার কথা কাউকে বললে ছুরি দেখিয়ে ভয়ভীতি দেখায় মিজান। পরে কান্না করতে করতে সে বাড়িতে গিয়ে তার মাকে সব ঘটনা খুলে বলে। পরে ভুক্তভোগীর মা তার শ্বশুর-শাশুড়ির মাধ্যমে ঘটনাটি মিজানের স্ত্রীকে জানায়। মিজানের স্ত্রী তাদের চুপ থাকার জন্য অনুরোধ করেন। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীর মাকে না জানিয়ে গ্রামের মাতব্বররদের নিয়ে অভিযুক্ত মিজানের বাড়িতে সালিস বসে।স্থানীয় ইউপি সদস্য আসাদুল ইসলামসহ গ্রাম্য মাতব্বররদের উপস্থিতিতে কিশোরীর ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩০ হাজার টাকা। কিন্তু ভুক্তভোগীর মা ওই সালিস মেনে নিতে পারেননি।
এর পর  বরিবার (৯ জুন) রাতে তার মেয়েকে দ্বিতীয় বার ধর্ষণের সময় মিজানকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এলাকার লোকজন।
পরে তিনি বাদি হয়ে ঝিকরগাছা থানায় একটি করেন। যার নং ১২, তারিখ ১০/০৬/২০২৪ ইং। আজ সোমবার  ধর্ষক মিজানুর রহমানকে আটক করে পুলিশ।
ঝিকরগাছা  থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, কিশোরী ধর্ষণ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিকে আটক করে যশোর আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।