মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক সমৃদ্ধ ধান উৎপাদন শীর্ষক মাঠ দিবস 

ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু সহ মানবদেহে জিংকের ঘাটতি পূরণে কৃষক কৃষাণীদের নিয়ে জিংক সমৃদ্ধ ধান উৎপাদন শীর্ষক মাঠ দিবস পালন করা হয়েছে।
১০ জুন (সোমবার) বিকাল সাড়ে চারটায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ি গ্রামে রিয়েক্টস ইন প্রকল্পের মাধ্যমে ও হারভেষ্টপ্লাসের সহযোগীতায় বায়োফর্টিফাইড জিংক সমৃদ্ধ বঙ্গবন্ধু ধান১০০ চাষ ও জিংক সম্পর্কিত আলোচনা সভা ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় আরডিআরএস বাংলাদেশ এর আয়োজনে ও বাস্তাবায়নে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন সোহেল, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা স্বাস্থ্য সহকারী উম্মে খায়ের শান্তা, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি)আনসারা পারভীন,আরডিআরএস বাংলাদেশ এর টেকনিক্যাল কৃষি কর্মকর্তা শাহীনূর ইসলাম, ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোত্তালেব হোসাইন সহ স্থানীয় কৃষক-কৃষাণীরা।
সভায় জিংকের ঘাটতি পূরণে কৃষকদের জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষে উদ্বুদ্ধ করতে মানবদেহে জিংক এর গুরুত্ব, জিংক ধানের ফলন, উপকারিতাসহ জিংকের ঘাটতি পুরণে করণীয় বিষয় আলোচনা ও পরামর্শ প্রদান করা হয় ।
আলোচনা সভায় অতিথিরা জিংকের অভাবে শরীরের নানা রোগের কথা তুলে ধরে বলেন, দৈনিক একটি শিশুর জন্য ৫ মিলি গ্রাম, পুরুষের জন্য ১১ মিলি, মহিলাদের জন্য ৯ মিলি এবং গর্ভবতী মহিলাদের শরীরে ১২ মিলি গ্রাম জিংক প্রয়োজন কিন্তু এর অর্ধেক পরিমাণও আমরা এখন পাচ্ছি না। এ কারণে আমরা শারীরিক নানা রোগে ও অপুষ্টিতে ভূগী। এজন্য জিংকের চাহিদা পূরণে সরকারসহ বেসরকারি সংস্থা গুলো এর ঘাটতি পূরণে জিংক সমৃদ্ধ ধানের চাষ বৃদ্ধি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কাজ করছে। তাই সকল কৃষককে সুস্থ, সবল ও মেধাবী সমাজ গড়তে বেশি করে জিংক ধান চাষ ও এর ভাত খাওয়ার আহ্বান জানান তারা।
জিংক সমৃদ্ধ ধানের উৎপাদন নিশ্চিত করতে ও কৃষক পর্যায়ে মানসম্পূর্ন ধানের বীজের সরবরাহ এবং স্থানীয় বাজারে এই চাল সহজলভ্য করার লক্ষ্যে আরডিআরএস বাংলাদেশ ও হারভেষ্টপ্লাসের সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান অনুষ্ঠান আয়োজনকারীরা।
সভা শেষে ওই গ্রামের প্রদর্শনী প্লট পরিদর্শন ও এক কৃষকের সিংহ ভাগ জমির ধান কর্তন এবং মাড়াই করে ফলন পরীক্ষা করা হয়। এতে ৩৩ শতাংশের একবিঘা জমিতে ফলান পাওয়া যায় ২৫ মণ।

ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক সমৃদ্ধ ধান উৎপাদন শীর্ষক মাঠ দিবস 

প্রকাশের সময় : ০৯:২৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪
ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু সহ মানবদেহে জিংকের ঘাটতি পূরণে কৃষক কৃষাণীদের নিয়ে জিংক সমৃদ্ধ ধান উৎপাদন শীর্ষক মাঠ দিবস পালন করা হয়েছে।
১০ জুন (সোমবার) বিকাল সাড়ে চারটায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ি গ্রামে রিয়েক্টস ইন প্রকল্পের মাধ্যমে ও হারভেষ্টপ্লাসের সহযোগীতায় বায়োফর্টিফাইড জিংক সমৃদ্ধ বঙ্গবন্ধু ধান১০০ চাষ ও জিংক সম্পর্কিত আলোচনা সভা ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় আরডিআরএস বাংলাদেশ এর আয়োজনে ও বাস্তাবায়নে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন সোহেল, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা স্বাস্থ্য সহকারী উম্মে খায়ের শান্তা, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি)আনসারা পারভীন,আরডিআরএস বাংলাদেশ এর টেকনিক্যাল কৃষি কর্মকর্তা শাহীনূর ইসলাম, ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোত্তালেব হোসাইন সহ স্থানীয় কৃষক-কৃষাণীরা।
সভায় জিংকের ঘাটতি পূরণে কৃষকদের জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষে উদ্বুদ্ধ করতে মানবদেহে জিংক এর গুরুত্ব, জিংক ধানের ফলন, উপকারিতাসহ জিংকের ঘাটতি পুরণে করণীয় বিষয় আলোচনা ও পরামর্শ প্রদান করা হয় ।
আলোচনা সভায় অতিথিরা জিংকের অভাবে শরীরের নানা রোগের কথা তুলে ধরে বলেন, দৈনিক একটি শিশুর জন্য ৫ মিলি গ্রাম, পুরুষের জন্য ১১ মিলি, মহিলাদের জন্য ৯ মিলি এবং গর্ভবতী মহিলাদের শরীরে ১২ মিলি গ্রাম জিংক প্রয়োজন কিন্তু এর অর্ধেক পরিমাণও আমরা এখন পাচ্ছি না। এ কারণে আমরা শারীরিক নানা রোগে ও অপুষ্টিতে ভূগী। এজন্য জিংকের চাহিদা পূরণে সরকারসহ বেসরকারি সংস্থা গুলো এর ঘাটতি পূরণে জিংক সমৃদ্ধ ধানের চাষ বৃদ্ধি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কাজ করছে। তাই সকল কৃষককে সুস্থ, সবল ও মেধাবী সমাজ গড়তে বেশি করে জিংক ধান চাষ ও এর ভাত খাওয়ার আহ্বান জানান তারা।
জিংক সমৃদ্ধ ধানের উৎপাদন নিশ্চিত করতে ও কৃষক পর্যায়ে মানসম্পূর্ন ধানের বীজের সরবরাহ এবং স্থানীয় বাজারে এই চাল সহজলভ্য করার লক্ষ্যে আরডিআরএস বাংলাদেশ ও হারভেষ্টপ্লাসের সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান অনুষ্ঠান আয়োজনকারীরা।
সভা শেষে ওই গ্রামের প্রদর্শনী প্লট পরিদর্শন ও এক কৃষকের সিংহ ভাগ জমির ধান কর্তন এবং মাড়াই করে ফলন পরীক্ষা করা হয়। এতে ৩৩ শতাংশের একবিঘা জমিতে ফলান পাওয়া যায় ২৫ মণ।