বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যশোরে পৃথক মামলায় ২ জনের কারাদণ্ড

  • যশোর অফিস 
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৫৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪

ফাইল ছবি

যশোরে আলাদা দুটি মামলার রায়ে দুই ব্যক্তিকে আদালত সাজা দিয়েছে আদালত। সোমবার আদালত আসামিদের এ সাজা প্রদান করেন।

আদালত সূত্রে জানায়, হেরোইনের রাখার অপরাধে বেনাপোলের মাদক ব্যবসায়ী ডালিম হোসেনকে তিন বছর সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৪ মাসের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন বিশেষ দায়রা জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সামছুল হক।  সাজাপ্রাপ্ত ডালিম হোসেন বেনাপোলের সাদিপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর যশোরের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর সাদিপুর গ্রামের ডালিমের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় ডালিম হোসেন পালিয়ে গেলেও তার ঘর তল্লাশি করে একটি কৌটার মধ্যে পলিথিনে মোড়ানো ৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিফতরের পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় পলাতক ডালিম হোসেনকে আসামি করে মামলা করেন।

অন্যদিকে, প্রতারণা মামলায় কাজী সাফায়েত আহম্মেদ নামে এক মোটরসাইকেল ব্যবসায়ীকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন।

সোমবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম কিবরিয়া এক রায়ে এ আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত কাজী সাফায়েত হোসেন ঝিনাইদহের কোট চাঁদপুরের কাজী রাছেদুজ্জামানের ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, আসামি কাজী সাফায়েত আহম্মেদ যশোর ভেনাস অটো থেকে নগদ ও বাকিতে মোটরসাইকেল ক্রয় করে বিক্রি করতেন। ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর সাফায়েত আহম্মেদ ৯৩ হাজার ২শ’ টাকা দামের একটি মোটরসাইকেল নিয়ে ৭৭ হাজার টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করবেন বলে অঙ্গীকার নামা করে দিয়ে যান। পরবর্তীতে সাফায়েত আহম্মেদ  কিস্তির টাকা পরিশোধ না করে ঘোরাতে থাকেন। কিন্তু সে চুক্তিভঙ্গ করেন তিনি। বাধ্য হয়ে ভেনাস অটোর পক্ষে জেনারেল ম্যানেজার মির্জা আনিসুজ্জামান বাদী হয়ে প্রতারণার অভিযোগে সাফায়েত আহম্মেদের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা করেন।

যশোরে পৃথক মামলায় ২ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪

যশোরে আলাদা দুটি মামলার রায়ে দুই ব্যক্তিকে আদালত সাজা দিয়েছে আদালত। সোমবার আদালত আসামিদের এ সাজা প্রদান করেন।

আদালত সূত্রে জানায়, হেরোইনের রাখার অপরাধে বেনাপোলের মাদক ব্যবসায়ী ডালিম হোসেনকে তিন বছর সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৪ মাসের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন বিশেষ দায়রা জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সামছুল হক।  সাজাপ্রাপ্ত ডালিম হোসেন বেনাপোলের সাদিপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর যশোরের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর সাদিপুর গ্রামের ডালিমের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় ডালিম হোসেন পালিয়ে গেলেও তার ঘর তল্লাশি করে একটি কৌটার মধ্যে পলিথিনে মোড়ানো ৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিফতরের পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় পলাতক ডালিম হোসেনকে আসামি করে মামলা করেন।

অন্যদিকে, প্রতারণা মামলায় কাজী সাফায়েত আহম্মেদ নামে এক মোটরসাইকেল ব্যবসায়ীকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন।

সোমবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম কিবরিয়া এক রায়ে এ আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত কাজী সাফায়েত হোসেন ঝিনাইদহের কোট চাঁদপুরের কাজী রাছেদুজ্জামানের ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, আসামি কাজী সাফায়েত আহম্মেদ যশোর ভেনাস অটো থেকে নগদ ও বাকিতে মোটরসাইকেল ক্রয় করে বিক্রি করতেন। ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর সাফায়েত আহম্মেদ ৯৩ হাজার ২শ’ টাকা দামের একটি মোটরসাইকেল নিয়ে ৭৭ হাজার টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করবেন বলে অঙ্গীকার নামা করে দিয়ে যান। পরবর্তীতে সাফায়েত আহম্মেদ  কিস্তির টাকা পরিশোধ না করে ঘোরাতে থাকেন। কিন্তু সে চুক্তিভঙ্গ করেন তিনি। বাধ্য হয়ে ভেনাস অটোর পক্ষে জেনারেল ম্যানেজার মির্জা আনিসুজ্জামান বাদী হয়ে প্রতারণার অভিযোগে সাফায়েত আহম্মেদের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা করেন।