বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অভয়নগরে ইউসিবি ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক সহ ২ জনের সশ্রম কারাদণ্ড

  • যশোর অফিস।।
  • প্রকাশের সময় : ১০:০১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবিএল) অভয়নগরের নওয়াপাড়া বাজার শাখার টাকা আত্মসাতের দায়ে সাবেক ব্যবস্থাপক শেখ আক্তার-উল-হাবীবসহ দুই জনকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদন্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। রোববার যশোরের স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ সামছুল হক এই রায় প্রদান করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের পিপি সিরাজুল ইসলাম।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন,অভয়নগরের নওয়াপাড়া বাজার শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক খুলনার দৌলতপুর এলাকার শেখ আক্তার-উল-হাবীব ও দৌলতপুর উপজেলার পাবলা বনিক পাড়ার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে নওয়াপাড়া বাজারের মেসার্স রুমা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী সার ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন স¤্রাট।

মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামি শেখ আক্তার-উল-হাবীব ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবিএল) অভয়নগরের নওয়াপাড়া বাজার শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি সেখানে কর্মরত থাকাকালীন তৎকালীন ক্রেডিট অ্যাডভান্স অফিসার এ জে এম মোসলেহ উদ্দিনের সহায়তায় নওয়াপাড়া বাজারের রুমা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শাহাবুদ্দিন স¤্রাটকে ৯০ লাখ টাকার সিসি লোন প্রদানসহ অনৈতিকতার আশ্রয় নিয়ে সার বিক্রি এবং ওই সার ব্যবসায়ীর সাথে যোগসাজসে বিভিন্ন সময় মোট ৬৮ লাখ ৩৭ হাজার টাকা আত্মসাত করেন। দুদক এ বিষয়টি অনুসন্ধানকালে ২০০৯ সালের ১৮ জুলাই মারা যান ব্যাংক কর্মকর্তা এ জেড এম মোসলেহ উদ্দিন। এর প্রেক্ষিতে দুদক যশোরের তৎকালীন উপ-পরিচালক মো. জাহিদ হোসেন ২০১২ সালের ৩০ মে শেখ আক্তার-উল-হাবীব ও শাহাবুদ্দিন স¤্রাটকে আসামি করে অভয়নগর থানায় একটি মামলা করেন। পরে মামলার তদন্ত শেষে উল্লিখিত দুই জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক।

ওই মামলায় আসামি শেখ আক্তার-উল-হাবীব ও শাহাবুদ্দিন স¤্রাটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ সামছুল হক তাদেরকে উল্লিখিত সাজা প্রদান করেন।

যশোরে এক লাখ নিষিদ্ধ মাগুরের পোনা জব্দ ও জরিমানা

যশোরে নিষিদ্ধ একলাখ আফ্রিকান মাগুরের পোনা জব্দ করা হয়েছে। একই সাথে ভ্রাম্যমান আদালত বহনকারীকে  জরিমানা করেছে।

সিনিয়র উপজেলা মৎস কর্মকর্তা রিপন কুমার ঘোষ জানান,সোমবার দুপুর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের জয়ন্তা গ্রাম থেকে আফ্রিকান মাগুরের পোনা বিক্রি হচ্ছে। তাৎক্ষনিক ভ্রাম্যমান আদালতের একটি টিম সেখানে যাাচ্ছিলো। পতিমধ্যে রাজারহাটে পৌছালে একটি নসিমনে ওই মাগুরের পোনা নিয়ে যেতে দেখে। পরে সদর উপজেলার-সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান বহনকারীর কাছ থেকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সাথে একলাখ পোনা তাৎক্ষনিক ধ্বংস করা হয়।

যশোরের অভয়নগরে ভুল অপারেশনে এক অন্তঃসত্ত্ব নারীর মৃত্যুর অভিযোগ 

যশোরের অভয়নগরে ভুল অপারেশনে ইতি বেগম নামের এক  অন্তঃসত্ত্ব নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মৃত ইতি বেগম (২২) , চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা উপজেলার রাজের স্ত্রী ও অভয়নগর উপজেলার ধোপাদী গ্রামের আশরাফ শেখের মেয়ে।

গত রোববার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার সময় উপজেলার নওয়াপাড়া ফাতেমা (প্রা.) হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে হাসপাতালটি ঘেরাও করে আন্দোলন করে। পরে অভয়নগর থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।এ বিষয়ে মৃত নারীর পক্ষে রফিকুল ইসলাম মজুমদার বলেন,এ হাসপাতালে অনিয়মের কোনো শেষ নেই। প্রায়ই এখানে চিকিৎসাজনিত কারণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। আমরা এই মৃত্যু মেনে নিতে পারছি না। আমরা চাই ভুল চিকিৎসার অবসান হোক এবং এই নারীর মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই।

জানা গেছে,শনিবার (২৯ জুন) অন্তঃসত্ত্বা ইতি ফাতেমা (প্রাঃ) হাসপাতালে ভর্তি হন। রাতেই ডাক্তার মঞ্জুরুল মোরশেদ ওই তাকে সিজারিয়ান অপারেশন করেন। এ সময় একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। পরে ইতি রাত ৩টার পর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার অবস্থা খারাপ দেখে রোববার খুলনায় রেফার করেন ডাক্তার মঞ্জুরুল মোরশেদ। স্বজনরা খুলনায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।পরে এই সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা ওই হাসপাতাল ঘেরাও করে আন্দোলন করতে থাকে। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে বিষয়টি বসাবসি করে মিমাংসার আশ্বাসে উত্তেজিত জনগণ আন্দোলন বন্ধ করে।

 নওয়াপাড়া ফাতেমা (প্রাঃ) হাসপাতালে এর আগেও ভুল সিজারিয়ান অপারেশনে অনেক রোগীর মৃত্যু হলেও অজানা কোনো কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে দিন দিন ওই হাসপাতালে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। যার সবশেষে ঘটল এই নারীর মৃত্যু।

এ বিষয়ে ফাতেমা (প্রাঃ) হাসপাতালের ম্যানেজার তরিকুল ইসলাম বলেন,ডাক্তার সময় মতো সঠিক চিকিৎসা করার পরেও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে আমরা খুলনা পাঠিয়েছি। ওই রোগীর আইসিইউ খুব দরকার ছিল। আমাদের চিকিৎসায় কোনো ভুল নেই।

চিকিৎসক মঞ্জুরুল মোরশেদ মুঠোফোনে জানান,ভুল কোমো চিকিৎসা নয়, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে আমরা দ্রুত খুলনায় পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু এভাবে ওই নারীর মৃত্যু হবে ভাবতেও পারছি না। এই বলে তিনি ফোনের লাইন কেটে দেন। এ বিষয়ে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ওহিদুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করলেও ফোনটি রিসিভ হয়নি।

অভয়নগর থানার ওসি এসএম আকিকুল ইসলাম বলেন, ফাতেমা প্রাইভেট ক্লিনিক উত্তেজিত জনতা ঘেরাও করে রাখে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মবিরতি পালন 

 যশোর মনিরামপুর পৌরসভাস্থ যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সামনে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কমকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী ও বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনা অমান্য করে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্তৃক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সমূহে শোষণ, নির্যাতন, নিপীড়ন অব্যাহত রাখা, গুনগত মানহীন মালামাল ক্রয় করে গ্রাহক ভোগান্তি বৃদ্ধি করার প্রতবাদে এবং স্মার্ট ও টেকসই বাংলাদেশ বির্নিমাণে বিআরইবি-পিবিএস একীভূতকরণ সহ অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়ন ও সকল চুক্তিভিত্তিক অনিয়মিত কর্মচারীদের চাকরি নিয়মিত করণের দাবিতে কর্মবিরতি (বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও জরুরী গ্রাহক সেবা সচল রেখে  শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।  কর্মসূচিতে বক্তারা তাদের  দাবিগুলো মেনে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়াও তাদের দাবিগুলো মেনে না নিলে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে বৃহৎ কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষনা দেন৷#

যশোরে সৌদি রিয়ালসহ  প্রতারকচক্রের  ৫ সদস্য আটক

সৌদি রিয়াল (সৌদি আরবের মূদ্রা) প্রতারকচক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে যশোরে পুলিশ। ওই চক্রটি বিভিন্ন লোকজনদের সৌদি রিয়াল দেখিয়ে ভুল বুঝিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে থাকে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতারনা অভিযোগে ওই পাঁচজনের বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন বাগেরহাটের চিতলমারি উপজেলার খাগড়াবুনিয়া গ্রামের প্রভাষ চন্দ্র রায়ের ছেলে প্রনব কুমার রায় (৪২)। বর্তমানের তিনি যশোরের উপশহর এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে থাকেন।

আটককৃতরা হলো, ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তালকান্দা গ্রামের মৃত আব্দুল মাজেদ খালাসীর ছেলে আব্দুস সাত্তার হোসেন ওরফে একরাম (৪৭), একই উপজেলার চন্ডি দাসদী গ্রামের মৃত কাচাই ফকিরের ছেলে মোমরেজ ফকির (৫২), একই গ্রামের আব্দুল জলিল খানের ছেলে আব্দুর রহমান খান সালাম (৫৫), বাগেরহাট সদর উপজেলার সোনাডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রহমান শেখের ছেলে এনামুল হক শেখ (৫২) এবং গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার আলীপুর চড়পাড়া গ্রামের আজগর আলী মাতুব্বরের ছেলে মহিউদ্দিন মাতুব্বর (৪৫)।

তারা প্রত্যেকে যশোর শহরের পালবাড়ি এলাকার এলজিইডির অফিসের বিপরীতে নাসির উদ্দিনের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

প্রবন কুমার রায় এজাহারে উল্লেখ করেছেন,গত রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার  দিকে তিনিসহ বেশ কয়েকজন নিউমার্কেট বাসস্ট্যান্ড এলাকার রবিউল ইসলামের চায়ের দোকানের বসে ছিলেন। এ সময় একজন এসে তার কাছে বলে সৌদি ১শ’ রিয়ালের ৫০টি নোট আছে তার কাছে। সেটি ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হবে। বিষয়টি তার সন্দেহ হলে তিনি স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পে সংবাদ দিলে এসআই কামাল হোসেন ঘটনাস্থলে যান এবং আসামি মহিউদ্দিনকে আটক করেন। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায় আরো সৌদি রিয়াল আছে তার গ্রুপের অন্য সদস্যদের কাছে। তারা পালবাড়ির মোড়ের এলজিইডির আফিসের বিপরীতে নাসির উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকে। পরে পুলিশ তাকে সাথে নিয়ে সেখানে যায় এবং বাকি চারজনকে আটক করে। সেখানে গিয়ে একশ’ সৌদি রিয়েলের দুইটি নোট, একটি গামছা এবং একটি কালো রং এর ট্রাভেল ব্যাগ উদ্ধার করে। পরে ওই পাঁচজনই পুলিশের কাছে স্বীকার করে তারা বিভিন্ন স্থানে সৌদি রিয়াল দেখিয়ে প্রতারনা করে আসছে। গতকাল সোমবার তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

যশোরে ২০ বোতল ফেনসিডিলসহ একজন আটক

 যশোরের চাঁচড়া ফাঁড়ির পুলিশ ২০ বোতল ফেনসিডিলসহ নজরুল ইসলাম (৫০) নামে এক মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে। আটক নজরুল ইসলাম বেনাপোল পোর্ট থানার বারোপোতা গ্রামের আব্দুল আজিজ ওরফে আজিরের ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শহরের চাঁচড়া চেকপোস্ট এলাকা থেকে নজরুলকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ২০ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা দিয়ে পরদিন আদালতৈর মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

চৌগাছায় সম্পত্তি নিয়ে মারামারির মামলায় পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

 চৌগাছার মাকাপুর গ্রামের মৃত হায়দার আলীর সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে স্ত্রী ও ছোট ছেলেকে মারপিটের মামলায় ৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পিবিআই। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনের অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে চার্জশিটে। মামলার তদন্তর তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই’র তদন্তকারী কর্মকর্তা সৈয়দ রবিউল আলম।

অভিযুক্ত আসামিরা হলো, চৌগাছার মাকাপুর গ্রামের সহিদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শকিলা খাতুন, ছেলে রুমন মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু ও তার ছেলে সাকিব ইকবাল বিশাল।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, মাকাপুর ধনী বাড়ির হায়দার আলী জিবীত থাকা অবস্থায় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিয়ে স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে এবং জামাইদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে হায়দার আলীর স্ত্রী লতিফা হায়দার, ছোট ছেলে আল ইমরান, মেয়ে ¯েœহলতা পারভীন বিউটি, যশোর উপশহর এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাম শুরু করেন। ২০২৩ সালে লতিফা হায়দারসহ অন্যরা ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে মাকাপুর গ্রামের বাড়ি যান। ২৭ জুন দুপুরে আসামিরা হাদয়ার আলীর বাড়ির চড়াও হয়ে সহিদুল ইসলামের হুকুমে অপর আসমিরা ¯েœহলতা পারভীন ও তামান্না নাজনীন লাভলীকে মারপিট করে গুরুতর জখম ও ঘরের মালামাল চুরি করে নিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তামান্না নাজনীন লাভলী বাদী হয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে চৌগাছা থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় ওই ৫জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। ঘটনার সাথেজড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় রাজিব হোসেন, মাসুম, সজিব আহম্মেদ ও মজনুর অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে।

অভয়নগরে ইউসিবি ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক সহ ২ জনের সশ্রম কারাদণ্ড

প্রকাশের সময় : ১০:০১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবিএল) অভয়নগরের নওয়াপাড়া বাজার শাখার টাকা আত্মসাতের দায়ে সাবেক ব্যবস্থাপক শেখ আক্তার-উল-হাবীবসহ দুই জনকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদন্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। রোববার যশোরের স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ সামছুল হক এই রায় প্রদান করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের পিপি সিরাজুল ইসলাম।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন,অভয়নগরের নওয়াপাড়া বাজার শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক খুলনার দৌলতপুর এলাকার শেখ আক্তার-উল-হাবীব ও দৌলতপুর উপজেলার পাবলা বনিক পাড়ার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে নওয়াপাড়া বাজারের মেসার্স রুমা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী সার ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন স¤্রাট।

মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামি শেখ আক্তার-উল-হাবীব ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবিএল) অভয়নগরের নওয়াপাড়া বাজার শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি সেখানে কর্মরত থাকাকালীন তৎকালীন ক্রেডিট অ্যাডভান্স অফিসার এ জে এম মোসলেহ উদ্দিনের সহায়তায় নওয়াপাড়া বাজারের রুমা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শাহাবুদ্দিন স¤্রাটকে ৯০ লাখ টাকার সিসি লোন প্রদানসহ অনৈতিকতার আশ্রয় নিয়ে সার বিক্রি এবং ওই সার ব্যবসায়ীর সাথে যোগসাজসে বিভিন্ন সময় মোট ৬৮ লাখ ৩৭ হাজার টাকা আত্মসাত করেন। দুদক এ বিষয়টি অনুসন্ধানকালে ২০০৯ সালের ১৮ জুলাই মারা যান ব্যাংক কর্মকর্তা এ জেড এম মোসলেহ উদ্দিন। এর প্রেক্ষিতে দুদক যশোরের তৎকালীন উপ-পরিচালক মো. জাহিদ হোসেন ২০১২ সালের ৩০ মে শেখ আক্তার-উল-হাবীব ও শাহাবুদ্দিন স¤্রাটকে আসামি করে অভয়নগর থানায় একটি মামলা করেন। পরে মামলার তদন্ত শেষে উল্লিখিত দুই জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক।

ওই মামলায় আসামি শেখ আক্তার-উল-হাবীব ও শাহাবুদ্দিন স¤্রাটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ সামছুল হক তাদেরকে উল্লিখিত সাজা প্রদান করেন।

যশোরে এক লাখ নিষিদ্ধ মাগুরের পোনা জব্দ ও জরিমানা

যশোরে নিষিদ্ধ একলাখ আফ্রিকান মাগুরের পোনা জব্দ করা হয়েছে। একই সাথে ভ্রাম্যমান আদালত বহনকারীকে  জরিমানা করেছে।

সিনিয়র উপজেলা মৎস কর্মকর্তা রিপন কুমার ঘোষ জানান,সোমবার দুপুর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের জয়ন্তা গ্রাম থেকে আফ্রিকান মাগুরের পোনা বিক্রি হচ্ছে। তাৎক্ষনিক ভ্রাম্যমান আদালতের একটি টিম সেখানে যাাচ্ছিলো। পতিমধ্যে রাজারহাটে পৌছালে একটি নসিমনে ওই মাগুরের পোনা নিয়ে যেতে দেখে। পরে সদর উপজেলার-সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান বহনকারীর কাছ থেকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সাথে একলাখ পোনা তাৎক্ষনিক ধ্বংস করা হয়।

যশোরের অভয়নগরে ভুল অপারেশনে এক অন্তঃসত্ত্ব নারীর মৃত্যুর অভিযোগ 

যশোরের অভয়নগরে ভুল অপারেশনে ইতি বেগম নামের এক  অন্তঃসত্ত্ব নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মৃত ইতি বেগম (২২) , চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা উপজেলার রাজের স্ত্রী ও অভয়নগর উপজেলার ধোপাদী গ্রামের আশরাফ শেখের মেয়ে।

গত রোববার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার সময় উপজেলার নওয়াপাড়া ফাতেমা (প্রা.) হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে হাসপাতালটি ঘেরাও করে আন্দোলন করে। পরে অভয়নগর থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।এ বিষয়ে মৃত নারীর পক্ষে রফিকুল ইসলাম মজুমদার বলেন,এ হাসপাতালে অনিয়মের কোনো শেষ নেই। প্রায়ই এখানে চিকিৎসাজনিত কারণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। আমরা এই মৃত্যু মেনে নিতে পারছি না। আমরা চাই ভুল চিকিৎসার অবসান হোক এবং এই নারীর মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই।

জানা গেছে,শনিবার (২৯ জুন) অন্তঃসত্ত্বা ইতি ফাতেমা (প্রাঃ) হাসপাতালে ভর্তি হন। রাতেই ডাক্তার মঞ্জুরুল মোরশেদ ওই তাকে সিজারিয়ান অপারেশন করেন। এ সময় একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। পরে ইতি রাত ৩টার পর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার অবস্থা খারাপ দেখে রোববার খুলনায় রেফার করেন ডাক্তার মঞ্জুরুল মোরশেদ। স্বজনরা খুলনায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।পরে এই সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা ওই হাসপাতাল ঘেরাও করে আন্দোলন করতে থাকে। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে বিষয়টি বসাবসি করে মিমাংসার আশ্বাসে উত্তেজিত জনগণ আন্দোলন বন্ধ করে।

 নওয়াপাড়া ফাতেমা (প্রাঃ) হাসপাতালে এর আগেও ভুল সিজারিয়ান অপারেশনে অনেক রোগীর মৃত্যু হলেও অজানা কোনো কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে দিন দিন ওই হাসপাতালে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। যার সবশেষে ঘটল এই নারীর মৃত্যু।

এ বিষয়ে ফাতেমা (প্রাঃ) হাসপাতালের ম্যানেজার তরিকুল ইসলাম বলেন,ডাক্তার সময় মতো সঠিক চিকিৎসা করার পরেও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে আমরা খুলনা পাঠিয়েছি। ওই রোগীর আইসিইউ খুব দরকার ছিল। আমাদের চিকিৎসায় কোনো ভুল নেই।

চিকিৎসক মঞ্জুরুল মোরশেদ মুঠোফোনে জানান,ভুল কোমো চিকিৎসা নয়, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে আমরা দ্রুত খুলনায় পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু এভাবে ওই নারীর মৃত্যু হবে ভাবতেও পারছি না। এই বলে তিনি ফোনের লাইন কেটে দেন। এ বিষয়ে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ওহিদুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করলেও ফোনটি রিসিভ হয়নি।

অভয়নগর থানার ওসি এসএম আকিকুল ইসলাম বলেন, ফাতেমা প্রাইভেট ক্লিনিক উত্তেজিত জনতা ঘেরাও করে রাখে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মবিরতি পালন 

 যশোর মনিরামপুর পৌরসভাস্থ যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সামনে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কমকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী ও বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনা অমান্য করে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্তৃক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সমূহে শোষণ, নির্যাতন, নিপীড়ন অব্যাহত রাখা, গুনগত মানহীন মালামাল ক্রয় করে গ্রাহক ভোগান্তি বৃদ্ধি করার প্রতবাদে এবং স্মার্ট ও টেকসই বাংলাদেশ বির্নিমাণে বিআরইবি-পিবিএস একীভূতকরণ সহ অভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়ন ও সকল চুক্তিভিত্তিক অনিয়মিত কর্মচারীদের চাকরি নিয়মিত করণের দাবিতে কর্মবিরতি (বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও জরুরী গ্রাহক সেবা সচল রেখে  শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।  কর্মসূচিতে বক্তারা তাদের  দাবিগুলো মেনে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়াও তাদের দাবিগুলো মেনে না নিলে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে বৃহৎ কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষনা দেন৷#

যশোরে সৌদি রিয়ালসহ  প্রতারকচক্রের  ৫ সদস্য আটক

সৌদি রিয়াল (সৌদি আরবের মূদ্রা) প্রতারকচক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে যশোরে পুলিশ। ওই চক্রটি বিভিন্ন লোকজনদের সৌদি রিয়াল দেখিয়ে ভুল বুঝিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে থাকে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতারনা অভিযোগে ওই পাঁচজনের বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন বাগেরহাটের চিতলমারি উপজেলার খাগড়াবুনিয়া গ্রামের প্রভাষ চন্দ্র রায়ের ছেলে প্রনব কুমার রায় (৪২)। বর্তমানের তিনি যশোরের উপশহর এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে থাকেন।

আটককৃতরা হলো, ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তালকান্দা গ্রামের মৃত আব্দুল মাজেদ খালাসীর ছেলে আব্দুস সাত্তার হোসেন ওরফে একরাম (৪৭), একই উপজেলার চন্ডি দাসদী গ্রামের মৃত কাচাই ফকিরের ছেলে মোমরেজ ফকির (৫২), একই গ্রামের আব্দুল জলিল খানের ছেলে আব্দুর রহমান খান সালাম (৫৫), বাগেরহাট সদর উপজেলার সোনাডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রহমান শেখের ছেলে এনামুল হক শেখ (৫২) এবং গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার আলীপুর চড়পাড়া গ্রামের আজগর আলী মাতুব্বরের ছেলে মহিউদ্দিন মাতুব্বর (৪৫)।

তারা প্রত্যেকে যশোর শহরের পালবাড়ি এলাকার এলজিইডির অফিসের বিপরীতে নাসির উদ্দিনের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

প্রবন কুমার রায় এজাহারে উল্লেখ করেছেন,গত রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার  দিকে তিনিসহ বেশ কয়েকজন নিউমার্কেট বাসস্ট্যান্ড এলাকার রবিউল ইসলামের চায়ের দোকানের বসে ছিলেন। এ সময় একজন এসে তার কাছে বলে সৌদি ১শ’ রিয়ালের ৫০টি নোট আছে তার কাছে। সেটি ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হবে। বিষয়টি তার সন্দেহ হলে তিনি স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পে সংবাদ দিলে এসআই কামাল হোসেন ঘটনাস্থলে যান এবং আসামি মহিউদ্দিনকে আটক করেন। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায় আরো সৌদি রিয়াল আছে তার গ্রুপের অন্য সদস্যদের কাছে। তারা পালবাড়ির মোড়ের এলজিইডির আফিসের বিপরীতে নাসির উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকে। পরে পুলিশ তাকে সাথে নিয়ে সেখানে যায় এবং বাকি চারজনকে আটক করে। সেখানে গিয়ে একশ’ সৌদি রিয়েলের দুইটি নোট, একটি গামছা এবং একটি কালো রং এর ট্রাভেল ব্যাগ উদ্ধার করে। পরে ওই পাঁচজনই পুলিশের কাছে স্বীকার করে তারা বিভিন্ন স্থানে সৌদি রিয়াল দেখিয়ে প্রতারনা করে আসছে। গতকাল সোমবার তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

যশোরে ২০ বোতল ফেনসিডিলসহ একজন আটক

 যশোরের চাঁচড়া ফাঁড়ির পুলিশ ২০ বোতল ফেনসিডিলসহ নজরুল ইসলাম (৫০) নামে এক মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে। আটক নজরুল ইসলাম বেনাপোল পোর্ট থানার বারোপোতা গ্রামের আব্দুল আজিজ ওরফে আজিরের ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শহরের চাঁচড়া চেকপোস্ট এলাকা থেকে নজরুলকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ২০ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা দিয়ে পরদিন আদালতৈর মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

চৌগাছায় সম্পত্তি নিয়ে মারামারির মামলায় পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

 চৌগাছার মাকাপুর গ্রামের মৃত হায়দার আলীর সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে স্ত্রী ও ছোট ছেলেকে মারপিটের মামলায় ৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পিবিআই। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনের অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে চার্জশিটে। মামলার তদন্তর তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই’র তদন্তকারী কর্মকর্তা সৈয়দ রবিউল আলম।

অভিযুক্ত আসামিরা হলো, চৌগাছার মাকাপুর গ্রামের সহিদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শকিলা খাতুন, ছেলে রুমন মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু ও তার ছেলে সাকিব ইকবাল বিশাল।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, মাকাপুর ধনী বাড়ির হায়দার আলী জিবীত থাকা অবস্থায় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিয়ে স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে এবং জামাইদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে হায়দার আলীর স্ত্রী লতিফা হায়দার, ছোট ছেলে আল ইমরান, মেয়ে ¯েœহলতা পারভীন বিউটি, যশোর উপশহর এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাম শুরু করেন। ২০২৩ সালে লতিফা হায়দারসহ অন্যরা ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে মাকাপুর গ্রামের বাড়ি যান। ২৭ জুন দুপুরে আসামিরা হাদয়ার আলীর বাড়ির চড়াও হয়ে সহিদুল ইসলামের হুকুমে অপর আসমিরা ¯েœহলতা পারভীন ও তামান্না নাজনীন লাভলীকে মারপিট করে গুরুতর জখম ও ঘরের মালামাল চুরি করে নিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তামান্না নাজনীন লাভলী বাদী হয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে চৌগাছা থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় ওই ৫জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। ঘটনার সাথেজড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় রাজিব হোসেন, মাসুম, সজিব আহম্মেদ ও মজনুর অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে।