বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শার্শায় রাতের আঁধারে তালা ভেঙে ৩টি গরু চুরি

প্রতীকী ছবি

যশোরের শার্শায় রাতের আঁধারে গোয়াল ঘরের তালা ভেঙে তিনটি বড় গরু চুরি করে নিয়ে গেছে চোরেরা। যার মুল্য প্রায় তিন লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (২ জুলাই) ভোর রাতে উপজেলার ধলদা গ্রামের আনিসুর রহমানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আনিসুর রহমান ধলদা গ্রামের মৃত এমএম আতর আলীর ছেলে। তিনি নাভারণ ফজিলাতুননেছা সরকারি মহিলা কলেজের অফিস সহায়ক পদে চাকরি করেন।
আনিসুর বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় আমরা রাত ১১টার দিকে গরুর রাতের খাবার দিয়ে গোয়াল ঘরে তালাবদ্ধ করে যার যার ঘরে ঘুমাতে যায়। ভোর পাঁচটার দিকে আমার ঘুম ভেঙে গেলে যাওয়ার চেষ্টা করলে দেখি আমার ঘরের ছিটকানি বাইরে থেকে আটকানো।তখন আমার হাঁকডাকে বাড়ির অন্যরা এসে ঘরের ছিটকানি খুলে দেয়। পরে আমি বাইরে যেয়ে দেখি চোরেরা গোয়ালা ঘরের তালা ভেঙ্গে গরু তিনটি চুরি করে নিয়ে গেছে।
আনিসুর আরও বলেন, গরু চোরেরা আমাকে নিঃস্ব করে রেখে গেছে।গোয়াল ঘরে থাকা তিনটি গরু,যার একটি বড় সাইজের পাকিস্তানি লাল রংয়ের নয় মাসের গাভী গরু, মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা।একটি মাঝারি সাইজের কালো রংয়ের গাভী,যার মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা ও একটি ছোট কালোর রংয়ের বকনা বাছুর,যার মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।
 গরু চুরির ঘটনায় আমি শার্শা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

শার্শায় রাতের আঁধারে তালা ভেঙে ৩টি গরু চুরি

প্রকাশের সময় : ০৪:২৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪
যশোরের শার্শায় রাতের আঁধারে গোয়াল ঘরের তালা ভেঙে তিনটি বড় গরু চুরি করে নিয়ে গেছে চোরেরা। যার মুল্য প্রায় তিন লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (২ জুলাই) ভোর রাতে উপজেলার ধলদা গ্রামের আনিসুর রহমানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আনিসুর রহমান ধলদা গ্রামের মৃত এমএম আতর আলীর ছেলে। তিনি নাভারণ ফজিলাতুননেছা সরকারি মহিলা কলেজের অফিস সহায়ক পদে চাকরি করেন।
আনিসুর বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় আমরা রাত ১১টার দিকে গরুর রাতের খাবার দিয়ে গোয়াল ঘরে তালাবদ্ধ করে যার যার ঘরে ঘুমাতে যায়। ভোর পাঁচটার দিকে আমার ঘুম ভেঙে গেলে যাওয়ার চেষ্টা করলে দেখি আমার ঘরের ছিটকানি বাইরে থেকে আটকানো।তখন আমার হাঁকডাকে বাড়ির অন্যরা এসে ঘরের ছিটকানি খুলে দেয়। পরে আমি বাইরে যেয়ে দেখি চোরেরা গোয়ালা ঘরের তালা ভেঙ্গে গরু তিনটি চুরি করে নিয়ে গেছে।
আনিসুর আরও বলেন, গরু চোরেরা আমাকে নিঃস্ব করে রেখে গেছে।গোয়াল ঘরে থাকা তিনটি গরু,যার একটি বড় সাইজের পাকিস্তানি লাল রংয়ের নয় মাসের গাভী গরু, মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা।একটি মাঝারি সাইজের কালো রংয়ের গাভী,যার মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা ও একটি ছোট কালোর রংয়ের বকনা বাছুর,যার মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।
 গরু চুরির ঘটনায় আমি শার্শা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।